হাটে দেশি গরুর আধিক্য, ক্রেতার দেখা মিলছে না

প্রকাশ:| বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর , ২০১৫ সময় ১০:৪৬ অপরাহ্ণ

কোরবানির ঈদের আর মাত্র ৮ দিন বাকি। রাজশাহীর হাটগুলোতে কোরবানির পশু উঠতে শুরু করলেও ক্রেতার দেখা মিলছে না। অনেক আশা নিয়ে হাটে গরু নিয়ে গেলেও খামারিদের হতাশ হতে হচ্ছে।

মায়ানমারের গরুএবারের হাটে দেশি গরুর আধিক্য বেশি। ভারতীয় গরু হাটে এলেও দেশি গরুর তুলনায় বেশ কম। ভারত থেকে আমদানি বন্ধ হওয়ায় হাটে কমেছে ভারতীয় গরুর আধিক্য।

সরেজমিনে দেখা যায়, বেশি দাম পাওয়ার আশায় নগরীর সিটি বাইপাস হাটে চাঁপাইনবাবগঞ্জ এলাকার ব্যবসায়ীরা ভারতীয় বড় গরু নিয়ে আসে। কিন্তু ক্রেতা না থাকার কারণে তাদের হতাশ হতে হয়।

গরু ব্যবসায়ীরা জানান, সাধারণ ক্রেতা তো দূরের কথা পাইকারি ব্যবসায়ী পর্যন্ত নেই হাটে। কয়েকদিন আগে থেকে গরু হাটে তোলা হয়েছে। কিন্তু বিক্রি নেই। সে কারণে যতো দিন গরু রাখা হচ্ছে খরচের পাল্লা ভারি হচ্ছে।

এছাড়াও ব্যবসায়ীরা জানান, হাতেগোনা যে কয়েকজন পাইকারি ব্যবসায়ী হাটে এসেছে তারা দাম হাঁকাচ্ছেন পানির দরে। সে কারণে গরু বিক্রেতাদের রীতিমতো হতাশ হতে হচ্ছে।

পাইকারি ব্যবসায়ীরা জানান, প্রতি বছরই ভারতীয় গরু হাটে বেশি থাকে। কিন্তু এবারে ভারতীয় গরু আসা বন্ধ। সে কারণে হাটগুলোতে দেশি গরুর আধিক্য বেশি।

 

চট্টগ্রামে গরুর বাজারচাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে ভারতীয় ৪টি গরু সিটি হাটে নিয়ে এসেছেন আমজাদ হোসেন নামে এক ব্যবসায়ী। ৪টি গরু ভারত থেকে আনতে খরচ হয়েছে এক লাখ ২০ হাজার টাকা। পাইকারি ব্যবসায়ীরা তার চারটি গরুর দাম এক লাখ টাকার কম দাম করায় তাকে বেশ হতাশ দেখা গেছে।

তবে দিন যতো যাচ্ছে কোরবানির পশুর হাট জমে উঠছে। সে কারণে ব্যবসায়ীরা আশাবাদী যে আগামী কয়েকদিনের মধ্যে হাটে সাধারণ ক্রেতা ও পাইকারি ব্যবসায়ীরা নামবে। তখন গরুর দাম উঠতি হতে পারে বলে আশা করছেন ব্যবসায়ীরা


আরোও সংবাদ