কাপ্তাই হ্রদের পানির তোড়ে বন্যা পরিস্থিতির বেশী উন্নতি হয়নি

প্রকাশ:| সোমবার, ৩ আগস্ট , ২০১৫ সময় ১০:১২ অপরাহ্ণ

বন্যা বন্যাগত দুই দিন বৃষ্টি না থাকায় বন্যা পরিস্থিতির আংশিক উন্নতি হয়েছে। কিন্তু জন দূর্ভোগ কটেনি। বৃষ্টি না হলেও কাপ্তাই হ্রদের পানি ছেড়ে যাওয়ার কারণে বন্যা পরিস্থিতির বেশী উন্নতি হয়নি। বন্যার পানির টান দেওয়ার সাথে সাথে বন্যা পস্নাবিত এলাকার বাড়ি ঘর ও রাসত্মা ঘাটে ধস দেখা দিয়েছে। বিগত পরপর বন্যার কারণে প্রায় ৫০ হেক্টর আমনবীজ তলা ক্ষতি গ্রস্থ হয়েছে। তাছাড়া উপজেলা আওতাধীন বিশেষ করে দক্ষক্ষণ হাটহাজারীতে হঠাৎ হালদা নদীর জোয়ারের পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় শতাধীক পুকুরের মাছ ভেসে গেছে। এতে ক্ষয়ক্ষতির পরিমান দেড় কোটি টাকা হবে বলে প্রাথমিক ভাবে অনুমান করা হচ্ছে। উপজেলার মাহালুমা,মাছুয়াঘোনা,তেমোহনী,বৈদ্যারহাট,সৈয়দ আহম্দ হাট,দক্ষক্ষণ মাদার্শা সাইনবোর্ড,মাদারী পুল,মধ্যম
মাদার্শা,শিকারপুর,ছিপাতলী,কাজিরখীল,ফটিকা,মোহাম্মদপুর,জাফরাবাদ,রহিমপুর,পূর্বমেখল,গুমানমর্দ্দন,বালুখালী,রম্নদ্রপুর,ভাগিরঘোনা,মির্জাপুর (আংশিক),পূর্ব এনায়েতপুর,সেকান্দর পাড়া,হাধুরখীলসহ প্রভৃতি এলাকায় বন্যার পানি নেমে যাওয়ার পর কাচা বাড়ি ঘরে ধস দেখা দিয়েছে। কাচা রাসত্মা বিধ্বসত্ম হয়ে পড়েছে। মির্জাপুর পালি কলেজ সংযোগ সড়কের পুকুর পাড় সংলগ্ন এলাকা ধসে পড়ায় জন চলাচলে বিঘ্ন সৃষ্টি হচ্ছে। আমন বীজ তলা নষ্ট হওয়ায় এলাকার কৃষকদের মধ্যে হতাশা দেখা দিয়েছে। বন্যা পানি কমতে থাকলেও এখনো উপজেলার আওতাধীন ৫০ হাজার লোক পানিবন্ধী অবস্থায় রয়েছে।বন্যা দূর্গত এলাকার লোকজনদের দূর্গতি চরম আকার ধারণ করেছে। আমন বীজ তলার ক্ষতি ও পোষানোর জন্য সামান্য পরিসরে উপজেলা কৃষি বিভাগ হট্রিকালচার সেন্টারে কিছু বীজ এর আবাদ করেছে বলে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শেখ আবদুলস্নাহ ওয়াহেদ সাংবাদিকদের জানান।