হাটহাজারী পৌর এলাকার গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট সিসি ক্যামেরা

প্রকাশ:| শনিবার, ১৭ আগস্ট , ২০১৩ সময় ১০:৫৭ অপরাহ্ণ

Hathazari-cc cam1হাটহাজরী পৌরসভায় অপরাধ দমন ও অপরাধীদের সনাক্ত করতে সিসি ক্যামেরার নজরদারীতে আসল গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি পয়েন্টে। হাটহাজারী সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার এর উদ্যোগে সিসি ক্যামেরার নেটওয়ার্ক তৈরির এই কার্যক্রম এর যাত্রা হল শুক্রবার (১৬ আগষ্ট) রাত ৮ টায় হাটহাজারী মডেল থানার কন্টোল রুম থেকে চট্টগ্রামের পুলিশ সুপার হাফিজ আক্তার এর উদ্বোধনের মাধ্যমে। এ সময় হাটহাজারী সার্কেলের এএসপি আ.ফ.ম নিজাম উদ্দিন, মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ এ.কে.এম লিয়াকত আলী সহ থানার অফিসারবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
থানা পুলিশ সূত্র জানায়, ৯ টি ক্লোজড সার্কিট ক্যামেরা ও ২ মনিটর স্থায়ীভাবে বসানো হয়েছে। এতে হাটহাজারী বাসস্টেশন, কলেজ গেইট, আমীর এরশাদ প্লাজা, এন. জহুর শপিং কমপ্লেক্স ও ত্রিবেণী রাস্তার মোড়ে এসব ক্যামেরা স্থায়ীভাবে বসানো হয়েছে। এছাড়া আরো ৭টি ক্লোজড সার্কিট ক্যামেরা বসানোর পরিকল্পনা রয়েছে। এসব ক্যামেরা মূলত চুরি, ডাকাতি, মার্কেটের সামনে ইভটিজিং, যানজট নিরসন সহ যে কোন ধবংসাত্বক কার্যক্রম ছাড়াও ট্রাফিক পুলিশ তাদের দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করছেন কিনা তা নিয়মিত মনিটরিং করা যাবে।
সিসি ক্যামেরা লাগানোর প্রথম পর্যায়ে কাজ প্রায় সম্পন্ন হয়েছে। এতে আপাতত হাটহাজারী বাসস্টেশন এলাকায় ২ টি, কলেজ গেইট এলাকায় ২টি, আমীর এরশাদ প্লাজা ১ টি, এন.জহুর শপিং কমপ্লেক্সে ১টি ও ত্রিবেণী রাস্তার মোড়ে ৩ টি ক্যামেরা ক্যামেরা স্থায়ীভাবে বসানো হয়েছে। দিনরাত ২৪ ঘন্টা এই ক্যামেরা গুলো কাজ করবে। এজন্য অফিসার ইনচার্জ রুমে একটি ও কন্টোল রুমে ১টি সহ মোট ২ টি মনিটর থাকবে। এদিকে ইতোপূর্বে হাটহাজারী মডেল থানা ও এসএসপি’র অফিসে আরো ৪টি সিসি ক্যামেরা বসানো হয়েছে। এই কার্যক্রমে কারিগরি সহযোগিতা করেন “ম্যাট্রিক সলিউশন” নামে একটি বেসরকারী প্রতিষ্টান।
এই ব্যাপারে চট্টগ্রামের পুলিশ সুপার হাফিজ আক্তারhathazarinews24 ডটকমকে বলেন, সিসি ক্যামেরার নজরদারীতে আসলে অপরাধী ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টিকারীরা নিজেদের আড়াল করতে কৌশল অবলম্বন করতে চাইলে তা তারা আর পারবে না। এতে করে এলাকায় অপরাধ দমন, নিরাপত্তা ও আইন শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে থাকবে। তবে যেসব স্থানে প্রসস্থ ওই এলাকায় ১৪০-১৮০ ডিগ্রী এ্যাঙ্গেলে মুভ এবল ক্যামেরা এবং যেসব স্থানে প্রসস্থ নয় ওসব স্থানে ষ্ট্যান্ডডিং ক্যামেরা বসানো হয়েছে। আর এসব ক্যামেরা ধারণকৃত তথ্য প্রায় ২ মাস স্থায়ীভাবে কন্টোল রুমের ডিভিআর এর হার্ডডিক্সে সংরক্ষিত থাকবে। এছাড়া জরুরী ডাটা গুলো স্থায়ীভাবে বেকআপ হিসেবে সংরক্ষণ করা যাবে ডিভিডি রম বা ইউএসবি ডিভাউজের মাধ্যমে।


আরোও সংবাদ