হাটহাজারী আসন থেকে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন নিলেন ৬ জন

প্রকাশ:| মঙ্গলবার, ১২ নভেম্বর , ২০১৩ সময় ০৮:৩২ অপরাহ্ণ

বিপ্লব দে>> আসন্ন দশম জাতীয় নির্বাচনে মনোনয়নের জন্য তরুন ও প্রবীন মিলে চট্টগ্রাম-৫ (হাটহাজারী) আসন থেকে মনোনয়ন ফরম নিলেন ছয়জন। মনোনয়ন ফরম বিতরনের দ্বিতীয় ও তৃতীয় দিন তারা এ ফরম ক্রয় করেন। সোমবার

ছবি-হাটহাজারীনিউজ২৪.কম

ছবি-হাটহাজারীনিউজ২৪.কম

হাটহাজারী আসন থেকে প্রথম ফরন ক্রয় করেন উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ন সম্পাদক ও সিডিএ বোর্ড সদস্য ইউনুস গনি চৌধুরী। অন্যদিকে মঙ্গলবার (১২ নভেম্বর) এ আসন থেকে আরো চারজন আওয়ামী লীগ নেতা। এর মধ্যে মঙ্গলবার সকালে মনোনয়ন ফরম ক্রয় করেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় উপ কমিটির সহ সম্পাদক ও সাবেক কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ নেতা মাহমুদ সালাউদ্দিন চৌধুরী।
তিনি বলেন,বন্দর নগরী চট্টগ্রামের সাথে লাগোয়া হাটহাজারী একটি শান্তিপ্রিয় উপ শহর। শহরতলী হওয়া সত্ত্বেও হাটহাজারীর যে কাঙ্খিত উন্নয়ন হওয়ার কথা ছিল তা হয়নি। শান্তিপ্রিয় জনপদ হওয়ায় পাশ্ববর্তী উপজেলা রাউজান ও ফটিকছড়ি থেকে লোকজন এসে এ উপজেলায় বসবাস করে। তরুনদের পক্ষে আমি হাটহাজারী থেকে মনোনয়ন ফরম নিয়েছে। আশাকরি দল আমার অতীত রাজনৈতিক কর্মকান্ড পর্যবেক্ষন করে মনোনয়ন দিবে। আমি জনগনের জন্য কাজ করতে চাই।
অন্যদিকে দুপুরে হাটহাজারী আসন থেকে মনোনয়ন ফরম গ্রহন করেন উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি অধ্যাপক মঈনুদ্দিন,উত্তর জেলা যুবলীগের সাধারন সম্পাদক এস.এম.রাশেদুল আলম,উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক সোহরাব হোসেন নোমান এবং সর্বশেষ উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যানের পক্ষে মনোনয়ন ফরম ক্রয় করেন উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারন সম্পাদক মঞ্জুরুল আলম মাসুদ।
সোহরাব হোসেন নোমান বলেন,গনতান্ত্রিক অধিকার অনুযায়ী দলের যেকোন নেতা মনোনয়ন ফরম ক্রয় করার। আমিও ক্রয় করেছি। আশাকরি দলীয় হাই কমান্ড আমার রাজনৈতিক সবদিক বিবেচনা করে মনোনয়ন দিবে।
যুবলীগ নেতা রাশেদুল আলম রাশেদ সাংবাদিকদের জানান,রাজনৈতিক সম্প্রীতির উপজেলা হাটহাজারীর কাঙ্খিত উন্নয়নের জন্য আমি মনোনয়ন প্রত্যাশী। বাকীটুকু মনোনয়ন বোর্ড নির্ধারন করবে।
উপজেলা চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ মো.ইসমাইল বলেছেন,অসুস্থতার কারনে আমি ঢাকা যেতে পারিনি। কিন্তু আমার পক্ষ থেকে ছাত্রলীগ নেতা মাসুদ মনোনয়ন ক্রয় করেছে। আমি তিন দশক ধরে রাজনীতির মাঠে আছি এবং জনগনের প্রত্যক্স ভোটে উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যানও নির্বাচিত হয়েছি। মনোনয়নের ব্যাপারে আমি আশাবাদী।
ইউনুস গনি চৌধুরী বলেন মনোনয়নের ব্যাপারে আমি শতভাগ আশাবাদি। হাটহাজারীর গ্রামে গঞ্জে আমি আওয়ামী পরিবারের সুখে দুখে ছুটে গেছি। জনগনের জন্য কাজ করার চেষ্টা করেছি। বাকী সব নেত্রীর ইচ্ছার উপর।
তবে প্রত্যেক নেতা নিজের মনোনয়নের ব্যাপারে আশাবাদী হলেও নেত্রী যাকে মনোনয়ন দিবে তার পক্ষে কাজ করার আশা পোষন করেন। এদিকে জাপানে থাকায় উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক ও চট্টগ্রাম জেলা পরিষদ প্রশাসক এম.এ.সালাম মনোনয়ন ফরম ক্রয় করেননি। তবে তিনি কালকের মধ্যে দেশে এসে মনোনয়ন ক্রয় করবেন বলে জানা গেছে। অন্যদিকে ২০০১ সালের আওয়ামী লীগের প্রার্থী এ্যাডভোকেট ইব্রাহিম হোসেন চৌধুরী বাবুল হাটহাজারী থেকে মনোনয়ন ক্রয় করেননি। তিনি নগরীর কতোয়ালী আসন থেকে রবিবার মনোনয়ন ক্রয় করেছেন।


আরোও সংবাদ