হাটহাজারীতে সিএনজি – তরী মুখোমুখি সংঘর্ষে ব্যাংক ম্যানেজারসহ ৩জনের মৃত্যু,আহত পাঁচ

প্রকাশ:| রবিবার, ২৯ ডিসেম্বর , ২০১৩ সময় ০৮:১৭ অপরাহ্ণ

হাটহাজারী সংবাদদাতা ঃ চট্টগ্রাম- হাটহাজারী মহাসড়কের এগার মাইল এলাকায় রোববার (২৯ ডিসেম্বর) সি.এন.জি -তরী মুখোমুখী সংঘর্ষে ব্যাংক এক ম্যানেজারসহ দুইজন ঘটনাস্থলে মারা গেছে। বিকেলে সংঘঠিত এ দুর্ঘটনায় আরো পাঁচজন গুরুত্বর আহত হয়েছে। দুর্ঘটনায় সি.এন.জি ট্রেক্সিটি দুমড়ে মুছরে গেছে।
স্থানীয় ,প্রতক্ষদর্শী ,কর্তব্যরত চিকিৎসক ও পুলিশ সূত্রে জানা য়ায়, রোববার বিকাল চারটায় চট্টগ্রাম মুখী তরী (চট্টমেট্রো-ব-১১-১৪৪৮) এর সাথে বিপরীত দিক থেকে আসা সি.এন.জি ফোরস্ট্রোক (চট্টগ্রাম -থ ১১-৯৬৬৪) মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলে দি ঢাকা মার্কেন্টাইল ব্যাংক লি: হাটহাজারী শাখার ম্যানেজার আব্দুর সবুর(৪৫)ও মুরগি ফার্ম ব্যবসায়ী মো: হাছান(৩৫) মারা য়ায়। প্রথমোক্তো জনের বাড়ী ফটিকছড়ির কাঞ্চন নগর ও দ্বিতীয় জনের বাড়ী রাউজানের গহিরা মাইজ পাড়া বলে জানা গেছে।
দুর্ঘটনায় নিহত ব্যাংক ম্যানেজারের পুত্র মো: রাহি(৮),সি.এন.জি চালক,চল্লিশউর্ধ্ব মহিলা ও দুই শিশু আহত হয়েছে। আহতদের তাৎক্ষনিক পরিচয় পাওয়া য়ায়নি। আহতদের অবস্থা আশংকা জনক বলে স্থানীয় ক্লিনিকের চিকিৎসক ডা: হানিফ জানান। দুঘটনার পরপর উপস্থিত লোকজন আহতদের উদ্ধার করে স্থানীয় ক্লিনিকে নিয়ে আসলে কতব্যরত উল্লেখিত চিকিৎসক দুইজন মারা যাওয়ার বিষয় নিশ্চিত করেন এবং আহতদের অবস্থা আশংকা মুক্তনয় বলে জানান। আহতদের আঘাত গুরুতর হওয়ায় তাদের চমেক হাসপাতালে প্রেরন করা হয়েছে বলে সাংবাদিকদের জানান। নিহত ও আহতরা সি.এন.জি’র যাত্রী । দুঘটনার পরপর তরী পলিয়ে য়ায়। থানা পুলিম সংবাদ পেয়ে দুঘটনাস্থলে গিয়ে দুমড়ে মুছরে যাওয়া সিএনজি গাড়ীটি উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে।
তাছাড়া চট্টগ্রাম-খাগড়াছড়ি ও চট্টগ্রাম-রাঙ্গামাটি মহাসড়কে নিত্যদিন সড়ক দূর্ঘটনা লেগে রয়েছে। গত ২৮ ডিসেম্বর চট্টগ্রাম-রাঙ্ড়ামাটি মহাসড়কের জ্বালানী চৌধুরী বাড়ী এলাকায় রাউজান হতে চট্টগ্রাম গামী একটি বাস খাদে পড়ে যায়। এতে প্রায় ২০জন আহত হন। সড়কের দুই পাশে ধেবে যাওয়াকে এ দূর্ঘটনার মূল কারন বলে উল্লেখ করেছেন।
এ ঘটনায় থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছে বলে ওসি ইসমাইল সাংবাদিকদরে জানান ।
এ ব্যাপারে মেখল ইউপি চেয়ারম্যান মো.গিয়াস উদ্দিন বলেন,আমি অনেকবার সওজ কর্মকর্তাকে সড়ক ধেবে যাওয়ার বিষয়টি অবহিত করেছি। কিন্তু তারা কোন কার্যকতর ব্যবস্থা গ্রহন করেনি।
হাটহাজারী উপজেলার সওজ কর্মকর্তা এসও মুজিবকে ফোনে বারবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করেও পাওয়া যায়নি।