হাটহাজারীতে যথাযোগ্য ধর্মীয় মর্যাদায় উদযাপিত হয়েছে শ্রীকৃষ্ণের আর্বিভাব দিবস শ্রী শ্রী জম্মাষ্টমী

প্রকাশ:| বৃহস্পতিবার, ২৯ আগস্ট , ২০১৩ সময় ০২:৫৯ অপরাহ্ণ

hat jonmaদেশের অন্যান্য স্থানের ন্যায় হাটহাজারীতে যথাযোগ্য ধর্মীয় মর্যাদায় উদযাপিত হয়েছে শ্রীকৃষ্ণের আর্বিভাব দিবস শ্রী শ্রী জম্মাষ্টমী। জম্মাষ্টমী উপলক্ষে জম্মাষ্টমী উদযাপন পরিষদ বাংলাদেশ হাটহাজারী উপজেলা শাখা বুধবার (২৮ আগষ্ট) ব্যাপক কর্মসূচীর আয়োজন করে। কর্মসূচীর মধ্যে ছিল সকালে মঙ্গলারতি,শ্রীমদ্ভগবদগীতা,সকাল নয়টায় ধর্মীয় সভা ও বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা। সকালে বৃষ্টিকে উপেক্ষা করে বিভিন্ন শ্রেনীপেশার নরনারী শোভাযাত্রায় অংশগ্রহন করেন। বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রার উদ্বোধন করেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় রসায়ন বিভাগের প্রফেসর ড.তাপসী ঘোষ রায়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন হাটহাজারী উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ মো.ইসমাইল। বিশেষ অতিথি ছিলেন হাটহাজারী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ এ.কে.এম.লিয়াকত আলী। জিলা পরিষদ মিলনায়তনে শোভাযাত্রা পরবর্তী ধর্মীয় আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন জম্মাষ্টমী উপলক্ষে জম্মাষ্টমী উদযাপন পরিষদ বাংলাদেশ হাটহাজারী উপজেলা শাখার সভাপতি ডা.বি.কে.সরকার। সুমন চৌধুরী ও সজীব নাথের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন সংগঠনের সাধারন সম্পাদক উদয় সেন। সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন উত্তর জেলা পূজা উদযাপন পরিষদ নেতা অমৃত লাল দে,শিক্ষক নেতা রনজিৎ নাথ,শিক্ষক সমিতি হাটহাজারী উপজেলা শাখার সভাপতি শিমুল মহাজন,চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সংষ্কৃত বিভাগের সহকারী অধ্যাপক শিপক নাথ,সংগঠনের সাংগঠনিক সম্পাদক ছোটন দাশ, আশীষ দে, তপন পাল, বিপ্লব দে, বাবলু দাশ,উজ্জল নাথ,প্রিয়াশীষ চক্রবর্তী, ঝুলন দাশ,অরুন চৌধুরী,হরি নারায়ন রায়,অর্পন ধর,যীশু শীল,বিশ্বজিৎ দে,প্রনব বরন সেন,টিটন ঘোষ,সুমন বণিক,দিপংকর চৌধুরী,শ্যামসুন্দর বৈষ্ণব,প্রমোদ বরন সেন,সৃজন দাশ,সুজন চক্রবর্তী প্রমুখ।
সভায় বক্তারা বলেন,এদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশ। সংবিধানের মাধ্যমে এদেশে সকল ধর্মাবলম্বীদের ধর্মীয় উৎসব উদযাপনের স্বাধীনতা প্রদান করা হয়েছে। ভগবান শ্রীকৃষ্ণের আর্বিভাব তিথি হিন্দু সমাজের অন্যতম ধর্মীয় উৎসব। এর মাধ্যমে হিন্দু সম্প্রদায়ের মধ্যে ভ্রাতৃত্ববোধ সৃষ্টি হয়।
দুষ্টের দমন,সৃষ্টির পালন ও ধার্মিককে রক্ষার জন্য যুগে যুগে ধর্মীয় অবতাররা পৃথিবীতে আর্বিভূত হন। এ ধারবাহিকতায় ভগবান শ্রীকৃষ্ণ আর্বিভূত হয়ে সনাতনী সমাজকে রক্ষা করেন। তাই তাঁর জম্ম তিথিটি হিন্দু সম্প্রদায় পালনের মধ্য দিয়ে পাপকে দূরীভূত করে এবং পূণ্য সঞ্চার করে। আশাকরি এদিনে সবার মধ্যে হিংসার মনোভাব দূর হয়ে সুন্দর সমাজ বিনির্মাণে সকলে ঐক্যবদ্ধ হবে। শ্রীকৃষ্ণের বানী অনুসরন করলে সমাজে এত অশান্তি,কলহ থাকত না।