হাটহাজারীতে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে কিশোরীকে ধর্ষণ

প্রকাশ:| বুধবার, ৫ ফেব্রুয়ারি , ২০১৪ সময় ০৮:৪১ অপরাহ্ণ

বিপ্লব দে,হাটহাজারী :
হাটহাজারীতে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে রহিমা আকতার(ছদ্মনাম) (১৯) নামে অসহায় কিশোরীকে ধর্ষন করেছে চার সন্তানের জনক টেইর্লাস মালিক আলম রানা(৪৫) নামে এক নরপশু । সে রাউজান উপজেলার গহিরা গ্রামের হামদু মিয়ার বাড়ীর নবীত আলীর পুত্র। এ ঘটনায় ধর্ষিতার পিতা সিরাজ মিস্ত্রি বাদী হয়ে হাটহাজারী থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন ধারায় বুধবার(৫ ফেব্রুয়ারী) মামলা দায়ের করেন। মামলা নং ৯ । পুলিশ ধর্ষক ও ধর্ষিতাকে আটক করেছে।

মামালার বিবরনে জানাযায়, হাটহাজারী পৌরসভার এন.জহুর শফিং সেন্টারে তানিয়া টোইলার্স নামে আলম রানার একটি টেইলারিং দোকান রয়েছে। তার দোকানে বিগত চার বছর যাবত কর্মচারী হিসেবে চাকরি করে আসছে হাটহাজারী পৌরসভার পশ্চিম দেওয়াননগর গ্রামের সিরাজ মিস্ত্রীর কন্যা রহিমা আকতার। দোকানে চাকরির সুবাদে তাদের মধ্যে সর্ম্পক গড়ে উঠে। সর্ম্পকের এক পর্যায়ে চার সন্তানের জনক দোকান মালিক আলম রানা তাকে(রহিমা) বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে বিভিন্ন সময় ধর্ষন করে। ইতিমধ্যে তাদের বিয়ের কথাবার্তাও পাকাপোক্ত হয়। কিন্তু হঠাত করে আলম রানা এ বিয়েতে অস্বীকৃতি জানান। বিষয়টি ধর্ষিতা কিশোরী তার অভিভাবককে জানালে তার পিতা সিরাজমিস্ত্রী বাদী হয়ে থানায় মামলা দায়ের করলে পুলিশ ধর্ষক ও ধর্ষিতা উভয়কে আটক করে। পরে ধর্ষিতাকে পুলিশ ডাক্তারী পরীক্ষার জন্য চমেক হাসপাতালে প্রেরন করে। অপরদিকে ধর্ষক রানাকে কোর্ট হাজতে প্রেরন করা হয়েছে।
এন.জহুর শফিং সেন্টারের স্বত্তাধিকারী সরোয়ার মোর্শেদ ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেন। তারা তাদেরকে সামাজিকভাবে বিয়ের জন্য প্রস্তাবও প্রদান করেন। কিন্তু আলম রানার প্রথম স্ত্রীর বাধার কারনে বিয়ের ব্যবস্থা করতে ব্যর্থ হয়ে আইনের আশ্রয় গ্রহন করেছে বলে জানান।
ধর্ষিতার পিতা সিরাজমিস্ত্রী জানান,মামলা তুলে নেওয়ার জন্য প্রভাবশালী মহলের পক্ষ থেকে তাদেরকে হুমকি দেওয়া হচ্ছে। এতে করে তিনি পরিবার নিয়ে নিরাপত্তাহীনতায় ভূগছে।
হাটহাজারী থানার অফিসার ইনচার্জ মো.ইসমাইল ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন এ ব্যাপারে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।


আরোও সংবাদ