হাওরে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের ব্যতিক্রমী উদ্যোগ

প্রকাশ:| সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর , ২০১৫ সময় ১০:০২ অপরাহ্ণ

ভাসমান সবজিহবিগঞ্জের বানিয়াচং উপজেলার হাওর অঞ্চলে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর নিয়েছে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ। বিভিন্ন পুকুর, জলাশয় ও সড়কের কাছাকাছি হাওরে চাষ করা হয়েছে ভাসমান সবজি। ভাসমান সবজি ও মশলা উৎপাদন প্রকল্পের অধীনে ২০১৪ থেকে এ পর্যন্ত দেড় শতাধিক কৃষককে ট্রেনিং দেয়া হয়েছে। দেড় বছরে ১২০টি ভাসমান সবজি চাষের প্রদর্শনী করেছে কৃষি বিভাগ। এসব প্রদর্শনী দেখে ব্যক্তিগত উদ্যোগে চাষাবাদ শুরু করেছেন কৃষক। এতে লাভের টাকা গুনছেন কৃষক।

প্রকল্পটি এরই মধ্যে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। সরেজমিন দেখা যায়, বানিয়াচং-হবিগঞ্জ আঞ্চলিক মহাসড়কের পাশে হাওরের থৈ থৈ পানির ওপর কচুরিপানার স্তূপ। আর এর ওপর লালশাক, পুঁইশাক, কলমিশাক, চিচিঙ্গা, ঢ্যাঁড়স, লতিরাজ কচু, মরিচ, টমেটোসহ নানা রকমের সবজি চাষ করা হয়েছে। এছাড়া নন্দিপাড়া, কালিদাশঠেকা, তকবাজখানী, কাষ্ঠগড়, দত্তপাড়ায় বিভিন্ন পুকুর ও জলাশয়ে সরকারি উদ্যোগে ভাসমান সবজি চাষ করা হচ্ছে। কৃষক ছবিল মিয়া, রমজান আলী, আবদুল হক, কনর মিয়া, মনু মিয়া জানান, তারা সরকারি সহায়তায় সবজি চাষ করে নিজের পরিবারের চাহিদা মিটিয়েও বাজারে বিক্রি করে আর্থিকভাবে সচ্ছল হচ্ছেন। এছাড়া ভাসমান পদ্ধতিতে উৎপাদিত সবজি খেতে বেশ সুস্বাদু। তাই বাজারে এর চাহিদা বেশি। দৌলতপুরের ইউপি সদস্য সায়েরা খাতুন, নন্দিপাড়ার মফিজুর, আবদুর রাজ্জাকসহ অনেকেই ব্যক্তিগত উদ্যোগে ভাসমান সবজি চাষ শুরু করেছেন। সায়েরা খাতুন জানান, কচুরিপানা স্তূপে সহজেই সবজিগুলো চাষ করা যায়। তাই তিনি নিজে করছেন এবং অন্যদের উৎসাহ দিচ্ছেন।