হাইব্রিড নয়, বঙ্গবন্ধুর আদি আওয়ামী লীগ চাই

প্রকাশ:| বুধবার, ২৬ জুলাই , ২০১৭ সময় ০৮:২০ অপরাহ্ণ

নির্মূল কমিটির গো. আযম প্রতিরোধ দিবসে শহীদদের স্মরণায়োজনে শওকত বাঙালি

রাজাকারকূল শিরোমণি নরঘাতক গো. আযম প্রতিরোধ দিবসে একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির উদ্যোগে ২৬ জুলাই বুধবার বিকেল ৫টায় শহীদদের প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ এবং নগরীর চেরাগী পাহাড়স্থ বঙ্গবন্ধু ভবনের ৩য় তলায় চট্টলবন্ধু এস.এম জামাল উদ্দিন মিলনায়তনে “আওয়ামী রাজনীতিতে মুক্তিযুদ্ধের বিপক্ষ শক্তির সংযুক্তি বিনাশে পক্ষ শক্তির করণীয়” শীর্ষক আলোচনা সভায় সংগঠনের কেন্দ্রীয় সহ-সাধারণ সম্পাদক ও চট্টগ্রাম বিভাগীয় সমন্বয়ক লেখক-সাংবাদিক শওকত বাঙালি প্রকৃত আওয়ামী লীগারদের প্রতি প্রশ্ন ছুড়ে দিয়ে বলেন, দিনে দিনে বেড়েছে দেনা। যারা জীবনে আওয়ামী লীগকে সমর্থন করা দূরের কথা, আওয়ামী বিরোধীতায় নিজেদের জীবন-যৌবন বিকিয়েছেন সেই তাদের যখন এমপি বানানো হয়, নেতা সাজানো হয় সেসময় প্রকৃত আওয়ামী লীগাররা কোথায় ছিলেন? কই কখনো তো শুনিনি কেউ পদত্যাগ করেছেন। প্রতিবাদে আওয়ামী লীগ ছেড়েছেন!
আজ যখন রিজিয়া রেজা মহিলা আওয়ামী লীগের নেত্রী তখনই অনেকের চোখে পড়ে কিন্তু কেনো সে আসার জন্য যখন পথ তৈরী করছিলো সে পথ রুদ্ধ করা হয়নি। দলের সাধারণ সম্পাদক কিভাবে নির্লজ্জ্ব বেহায়ার মতো রাজাকার কন্যা কিংবা গো. আযমের শিষ্যের সাথে ছবি তোলেন?
সভাপতির বক্তব্যে তিনি আরো বলেন, বঙ্গবন্ধুর আদি ও অকৃত্রিম আওয়ামী লীগকে ফেরত পেতে শুধু হাইব্রিডদের বিদায় করলে হবে না তাদের আশ্রয়-প্রশ্রয় দাতাদেরও ঝেটিয়ে বিদায় করতে হবে, চিহ্নিত করতে হবে। তবেই গোলাম আযম প্রতিরোধ আন্দোলনে শহীদদের আত্মা শান্তি পাবে নতুবা আওয়ামী লীগ অভিশপ্ত দলে পরিগণিত হবে।
জেলা নির্মূল কমিটি নেতা মাউসুফ উদ্দিন মাসুমের সঞ্চালনায় অন্যদের মধ্যে আলোচনায় অংশ নেন-সাতকানিয়া পৌরসভা মেয়র মোহাম্মদ জোবায়ের, ১৪ দলীয় জোট নেতা রাজনীতিক স্বপন সেন, সাবেক ছাত্রনেতা ও জেলা নির্মূল কমিটি নেতা মো. অলিদ চৌধুরী, মোহাম্মদ এসকান্দার আলী, আবুল হাসনাত মো. বেলাল, রাশেদ খান মেনন, মোহাম্মদ রাশেদ, শেখ মহিউদ্দিন বাবু, এম.এ নেওয়াজ, চৌধুরী জসীনুল হক, মো. শওকত আলী, অ্যাডভোকেট মো. সাহাবুদ্দিন, মোমিনুল হক চৌধুরী মিঠু, সাজিদুল ইসলাম, বেলাল নুরী, বাবুল আচার্য্য শ্রাবণ, দীপু বড়–য়া, তৈয়বুর রহমান সাগর, সুষ্ময় রুদ্র, প্রণব দাশ প্রমুখ।
সভার শুরুতে ২৬ জুলাই শহীদের স্মরণে ১ মিনিট নীরবতা পালন ও তাদের প্রতিকৃতিতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করা হয়।