সড়ক সম্প্রসারনের জন্য মাইকিং করেছে সওজ

প্রকাশ:| রবিবার, ৪ ডিসেম্বর , ২০১৬ সময় ১১:০৩ অপরাহ্ণ

পেকুয়ায় প্রধান সড়কের দুই পাশে সওজের জায়গায় গড়ে উঠছে শত শত অবৈধ স্থাপনা
গিয়াস উদ্দিন, পেকুয়া
পেকুয়া উপজেলায় সড়ক সম্প্রসারনের জন্য মাইকিং করেছে সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগ। কোন ধরনের নোটিশ কিংবা অবহিতকরন পত্র প্রেরন করা হয়নি ব্যবসায়ী ও দোকান মালিকদের অনুকুলে। সওজ বিভাগ পেকুয়ায় সড়ক সম্প্রাসারনের কোন ধরনের ব্যবসায়ীদের পুর্ব প্রস্তুতি ছাড়া গতকাল ৪ ডিসেম্বর রবিবার সকাল ১১টার দিকে পেকুয়ায় এ মাইকিং ও প্রচারনা চালায়। মাইকিংয়ে জানানো হয়েছে পেকুয়া-মগনামা বরইতলী সড়ক সম্প্রাসারন কাজ চলবে।

উল্লেখ্য যে, দীর্ঘদিন ধরে মগনামা বানিয়ার ছাড়া সড়কের পেকুয়া চৌমুহুনী থেকে মগনামা লঞ্চঘাট পর্যন্ত সওজের াধিগ্রহনকৃত জায়গায় কতিপয় প্রভাবশালীরা সওজের জায়গা দখল করে বহুতল স্থাপনাসহ নানান ধরনের স্থাপনা তৈরী করে ব্যবসা চালাচ্ছেন। দীর্ঘদিন পর হলেও সওজের জায়গা দখল মুক্ত করতে মাইকিং করায় এলাকাবাসী সড়ক ও জনপথ বিভাগকে আন্তরিকভাবে সাধুবাদ জানিয়েছৈন এবং দ্রুত সময়ের মধ্যে পেকুয়া চৌমুহুনী থেকে মগনামা ঘটা পর্যন্দ সওজের জায়গা জবরদখলমুক্ত কর্তৃপক্ষের কাছে জোর দাবী জানান।

জানা গেছে, সড়ক সম্প্রসারনের জন্য আগামী শনিবারের মধ্যে সড়কের দু’পাশে অধিগ্রহণকৃত স্থান থেকে স্থাপনা ও ব্যবসা প্রতিষ্টান অপসারন করতে হবে। এদিকে সড়ক ও জনপথ বিভাগ বরইতলী পেকুয়া-মগনামা সড়কের সম্প্রসারনের উদ্যেগ গ্রহন করেছে। সড়ক প্রশ্বস্থকরনের জন্য কর্তৃপক্ষ প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মসূচীর উদ্যেগ নিয়েছেন।

তবে পেকুয়া-মগনামা-বরইতলী সড়কের পেকুয়া কবির আহমদ চৌধুরী বাজারের (পেকুয়াবাজার) দু’পাশে সড়ক প্রশ^স্থকরন কাজ বাস্তবায়ন করার ঘোষনা দিয়েছেন। জানা গেছে, সম্প্রতি সড়ক ও জনপথ বিভাগ ওই সড়ক সংস্কার করতে কিছুদিন আগে পেকুয়ায় সমীক্ষা শেষ করেছে।

গতকাল রবিবার সওজ বিভাগ তাদের অধিগ্রহনকৃত জায়গা থেকে স্থাপনা ও ব্যবসায়ীক কার্যক্রম গুঠিয়ে নিতে মাইকিং করেছে। কবির আহমদ চৌধুরীর বাজার (পেকুয়াবাজার) এ সড়কের নিকটতম স্থানে প্রতিষ্টিত। বাজারের মুল আয়তন হবে প্রায় এক কিলোমিটার। এর মধ্যে ডা.মুজিববুর রহমানের মালিকানাধীন নুর ক্লিনিক থেকে ভোলাইয়াঘোনা পুর্বগোয়াখালী সড়ক পর্যন্ত এক কিলোমিটারে প্রায় দুই হাজারেরও অধিক স্থাপনা ও ব্যবসা প্রতিষ্টান রয়েছে। এগুলো সব ব্যক্তি মালিকানাধীন জায়গার উপর গড়ে উঠেছে। সওজ বিভাগ মাইকিং করলেও এর পুর্বে কোন ধরনের নোটিশ কিংবা পরিপত্র জমি ও স্থাপনার মালিকদের অনুকুলে প্রেরন করেনি।

এ ব্যাপারে পেকুয়াবাজার ব্যবসায়ী কো-অপারেটিভ ক্রেডিট ইউনিয়ন লিঃ এর সাধারন সম্পাদক মিনহাজ উদ্দিন জানিয়েছেন, হঠাৎ মাইকিং করা হয়েছে। অথচ আগে কর্তৃপক্ষ কোন ধরনের নোটিশ জারি করেননি। নোটিশ না পেলে আমরা কিভাবে জানব কতটুকু জায়গা অধিগ্রহণ করা হয়েছে। কি পরিমাণ জায়গা ছেড়ে দিতে হচ্ছে। বাজারের দু’পাশের জায়গা ব্যক্তি মালিকানাধীন। মাইকিং করলে এগুলো শেষ হয়ে যায় না। উচ্ছেদের পুর্বে নোটিশ দিতে হবে এবং উপযুক্ত ক্ষতিপুরন নিশ্চিত করতে হবে।

এবিষয়ে জানতে সড়ক ও জনপথ বিভাগের (চকরিয়া-পেকুয়ার) উপ-সহকারি প্রকৌশলী মো.আলীর মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হয়। তিনি ফোন ধরেননি। বাসায় ছোট্ট একজন শিশু ফোনটি রিসিভ করেন। তবে এ বিষয়ে তার কোন মতামত পাওয়া যায়নি।

কক্সবাজার সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী রানা প্রিয় বড়ুয়া বলেন, আমরা যখন সড়কটি সংস্কার কাজ হয়েছে সে সময় এ সড়কের জায়গা অধিগ্রহণ করা হয়েছে। যারা বৈধভাবে আছেন তাদেরকে একটি আঁছড়ও দেওয়া হবেনা। যেসব অবৈধভাবে করা হয়েছে সেগুলো উচ্ছেদ হবে। আমরা প্রত্যেককে নোটিশ দিতে পারবনা তাই মাইকিং করে জানানো হয়েছে।


আরোও সংবাদ