স্বামী-শ্বাশুড়ী ও জাঁর নির্যাতনের শিকার রিনা সুষ্ঠু বিচার প্রত্যাশী

নিউজচিটাগাং২৪/ এক্স প্রকাশ:| রবিবার, ২১ অক্টোবর , ২০১৮ সময় ১১:৪৯ অপরাহ্ণ

শফিউল আলম, রাউজান প্রতিনিধিঃ রাউজান উপজেলার ১নং হলদিয়া ইউনিয়নের এয়াসিন নগর এলাকার নুরুল ইসলাম সওদাগেরর বাড়ীর সোনা মিয়ার কন্যা রিনা আকতার । রিনা আকতারকে গত সালে রাউজান পৌরসভার ৯নং ওয়ার্ডের পশ্চিম রাউজান আবাসন প্রকল্পের পার্শ্বের ুুুু বাসিন্দ্বা সাবেক চৌকিদার আবদুল মন্নানের পুত্র মোঃ হাসানের সাথে বিয়ে দেওয়া হয় আনুষ্টানিক ভাবে । ুুুুু বিয়ের সময়ে রিনা আকতারের পিতা সোনা মিয়ার কাছ থেকে যৌতুক হিসাবে দেড় লাখ টাকা ফার্নিচার ও একভড়ি ওজনের স্বর্ণঅলংকার নেয় রিনার স্বামী হাসান ও শ্বাশুড় । বিয়ের অনুষ্টানে ২ শত জন বরযাত্রীকে খাওয়ানো হয় । বিয়ের পর থেকে প্রতিনিয়িত রিনা আকতারকে স্বামী হাসান, শ্বাশুড়ী লায়লা বেগম, জাঁ বেবী আকতার নির্যাতন করতো । নির্যাতন সহ্য করে রিনা আকতার স্বামীর সংসার করার চেষ্টা চালায় । রিনা আকতার অভিযোগ করে বলেন, গত ২২ সেপ্টেম্বর আমাকে গর্ভবর্তী অবস্থায় স্বামী হাসান, শ্বাশুড়ী লায়লা বেগম, জাঁ বেবী আকতার বেদম প্রহার করে ঘর থেকে তাড়িয়ে দেয় । আমি মারাত্বক আহত অবস্থায় রাউজান জলিল নগর বাস ষ্টেশনের সুপার ল্যাবে এসে চিকিৎসা করে আমার পিতার বাড়ীতে চলে যায় । গত ১২ অক্টোবর আমাকে রাউজানের গহিরা জেকে মেমেরিয়াল হাসপাতালে ভর্তি করা হয় । আমার গর্ভ থেকে এক শিশু সন্তান জম্মলাভ করে । শিশু সন্তানের জম্মলাভ করার সময়ে একাধিকবার ফোন করে আমার স্বাশী হাসান ও শ্বাশুড়, শ্বাশুড়ীকে জানালে ও তারা হাসপতালে আসেনি । স্বামী হাসান, শ্বাশুড়ী লায়লা বেগম, জাঁ বেবী আকতার নির্যাতন কওে তাড়িয়ে দেওয়ার বিষয়ে হলদিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শফিকুল ইসলাম বলেন ঘটনার বিষয়ে আমাকে জানানোর পর আমি রিনার স্বামী হাসান, শ্বাশুড়, শ্বাশুড়ী, জাঁ কে ফোন করে বিষয়টি নিরসন করার প্রচেষ্টা নিলে ও আমার ডাকে সাড়া দেয়নি রিনার স্বামী হাসান, শ্বাশুড়, শ্বাশুড়ী, জাঁ । নির্যাতনের শিকার রিনা আকতার গতকাল অক্টোবর রবিবার তাকে নির্যাতন করে তাড়িয়ে দেওয়ার ঘটনার বিষয়ে রাউজান উপজেলা নির্বাহী অফিসার শামীম হোসেনের আদালতে অভিযোগ করে ।


আরোও সংবাদ