স্বামীকে ছয় বছর পর রাউজানে পেলেন হোসেন আরা

প্রকাশ:| সোমবার, ১৪ আগস্ট , ২০১৭ সময় ০৪:১৯ অপরাহ্ণ

শফিউল আলম, রাউজান । নোয়াখালী জেলার মাইজদি সদর থানার কাজীর চর এলাকার হোসেন আরা বেগম (৩২) এর সাথে বিয়ে হয় একই এলাকার সাহালমের । হোসেন আরা বেগমের ১৭ বৎসর বয়সী এক কন্য সন্তান বিউটি বেগম,তিন ছেলে সন্তান মেহেরাজ (১৩) মিরাজ (৮) ফিরোজ (৭) । হোসেন আরার গর্ভে ফিরোজ থাকাবস্থায় হোসেন আরার স্বামী (৪৫) তাকে বাড়ীতে ফেলে চলে যায় । সাহালম তার স্ত্রী হোসেন আরা ও তার চার সন্তানকে নোয়াখালীতে রেখে রাউজানে এসে ইটের ভাটায় চাকুরী করে । সাহালম ইটের ভাটায় চাকুরী করার ফাকে নোয়াখালীর কবির হাট এলাকার খদিজা বেগম সাথী নামের এক মহিলাকে বিয়ে করে রাউজানের আইলী খীল দাওয়াত খোলার উত্তরে ডাবুয়া রাবার বাগানের ছয়শতক পাহাড়ী জমি হোসেন নামে এক ব্যক্তির কাছ থেকে ৭৫ হাজার টাকা দিয়ে ক্রয় করে ঐ পাহাড়ী জমিতে ঘর বেধে ২য় স্ত্রী সাথীকে নিয়ে বসবাস করে আসছে । সাহালমের প্রথম স্ত্রী হোসেন আরা চার সন্তান নিয়ে নোয়াখালীতে অর্ধাহারে অনাহারে দিনযাপন করলে ও স্বামী সাহালম স্ত্রী হোসেন আরার সাথে কোন সর্ম্পক রাখেনি । সাহালমের প্রথম স্ত্রী হোসেন আরা বেগম তাদের আত্বিয় জয়নালের মাধ্যমে সংবাদ পায় তার স্বামী সাহালম আর একটি বিয়ে করে রাউজানের আইলী খীল এলাকার পাহাড়ে বসবাস করছেন । সংবাদ পেয়ে গত ১৩ জুলাই রবিবার সকালে হোসেন আরা তার চার সন্তানকে নিয়ে নোয়াখালী থেকে রাউজানে এসে এলাকার লোকজনকে বিষয়টি জানালে এলাকার লোকজন হোসেন আরা বেগমের স্বামী সাহালমকে ধরে তার প্রথম স্ত্রী হোসেন আরা বেগম ও তার চার সন্তানের মুখোমুখি করলে সাহালমকে দেখে তার চার সন্তান সাহালমকে জড়িয়ে ধরে কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন । পরে হোসেন আরা বেগম তার চার সন্তান সহ স্বামী সাহালমকে নিয়ে নোয়াখালীতে চলে যায় । হোসেন আরা বেগম বলেন তার স্বামী তাকে ও তার চার সন্তানকে নোয়াখালীতে ফেলে রেখে রাউজানের আইলী খীল এলাকায় এসে আরো একটি বিয়ে করে । হোসেন আরা বেগমের ও তার চার সন্তানের কোন খোজঁ নেয়নি গত ছয় বৎসর ধরে । সাহালম ও হোসেন আরা বেগম তার স্ত্রী তার সাথে থাকা চার সন্তান সাহালমের বলে এলাকার লোকজনের কাছে স্বীকার করে ।


আরোও সংবাদ