স্বাভাবিক ও নিরাপদ প্রসব সেবা নিশ্চিত করতে হবে

নিউজচিটাগাং২৪/ এক্স প্রকাশ:| বৃহস্পতিবার, ২৯ মার্চ , ২০১৮ সময় ০৮:২৯ অপরাহ্ণ

স্বাভাবিক ও নিরাপদ প্রসব সেবা নিশ্চিত করা না গেলে প্রসবকালীন মা ও শিশু উভয়ের মৃত্যুর ঝুঁকি বেড়ে যায়। নাম সর্বস্ব বেসরকারি ক্লিনিকে অনভিজ্ঞ চিকিৎসক ও ধাত্রী দ্বারা প্রসব,  সিজারিয়ান করানোর ফলে প্রতিবছর অসংখ্য মা ও শিশুর মৃত্যু ঘটছে।এই মৃত্যুর হার কমাতে হলে প্রাতিষ্ঠানিক সরকারি হাসপাতাল এবং ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রে চিকিৎসা নেওয়ার বিকল্প নেই।গতকাল বৃহস্পতিবার কাপ্তাই উপজেলা মিলনায়তনে ‘ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রে ২৪/৭ (সার্বক্ষনিক) স্বাভাবিক প্রসব সেবা জোরদার করন বিষয়ক ” অবহিতকরন কর্মশালা”য় প্রধান অতিথির বক্তব্যে রাঙামাটি জেলা পরিষদ সদস্য প্রকৌশলী থোয়াইচিং মং মারমা একথা বলেন। এমসিএইচ সার্ভিসেস ইউনিট, পরিবার -পরিকল্পনা অধিদপ্তরের আয়োজনে অবহিতকরন কর্মশালায় সভাপতিত্ব করেন ইউএনও তারিকুল আলম।এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন এমসিএইচ, ঢাকা’র পরিচালক ডা: মো: শরীফ, উপ-পরিচালক ডা: ফাহমিদা সুলতানা, এমসিএইচ রাঙামাটির উপ-পরিচালক ডা: বেগম শাহনেওয়াজ, সহকারি পরিচালক ডা: শেখ রোকন উদ্দিন, ডা: বেবি তনচংগ্যা, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান নুর নাহার বেগম, সুব্রত বিকাশ তনচংগ্যা জটিল।এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন চন্দ্রঘোনা ইউপি চেয়ারম্যান আনোয়ারুল ইসলাম চৌধুরী বেবী, রাইখালী ইউপি চেয়ারম্যান সায়া মং মারমা, কাপ্তাই ইউপি চেয়ারম্যান প্রকৌশলী আবদুল লতিফ, চিৎমরম ইউপি চেয়ারম্যান খ্যাইসা অং মারমা, ওয়াগ্গা ইউপি চেয়ারম্যান চিরনজিত তনচংগ্যাসহ সাংবাদিক, স্বাস্থ্যকর্মী ও স্থানীয় জনসাধারণ। এমসিএইচের উপ-পরিচালক ডা: ফাহমিদা সুলতানা মাতৃ মৃত্যু, শিশু মৃত্যুর হার কমিয়ে জনসংখ্যাকে  স্থিতিশীল পর্যায়ে রাখতে জনপ্রতিনিধিদের গুরুত্ব তুলে ধরেন। ডা: মো: শরীফ কাপ্তাই উপজেলার পাঁচটি ইউনিয়নে ‘এ’ ক্যাটাগরির একটি মাত্র ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র থাকার বিষয়টি জেনে হতবাক হয়ে পড়েন।সারাদেশে যেখানে প্রতিটি ইউনিয়নে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র গড়ে উঠছে, সেখানে এ উপজেলার অনেক জায়গা অত্যন্ত দূর্গম হওয়া সত্ত্বেও এখানে মাত্র একটি কেন্দ্র রয়েছে। তিনি কাপ্তাই উপজেলার ইউনিয়ন পর্যায় আরো স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র বাড়ানোর আশ্বাস দেন। ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানগণ স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রের কার্যক্রম এবং এর সাথে জনপ্রতিনিধিদের যে একটা সর্ম্পক রয়েছে, তা তাদেরকে কেউ কোনদিন না জানানোর বিষয়টি তুলে ধরেন। এছাড়া,  দুর্গম এসব এলাকায় এখনো অধিকহারে বাল্য বিবাহ প্রথার প্রচলনের কথা তুলে ধরে এর প্রতিকার, কমিউনিটি ক্লিনিক ও স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র স্থাপন এবং পাহাড়ি এলাকার জনসাধারণের মাঝে এবিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধির গুরুত্ব তুলে ধরেন।