স্বাধিকার আন্দোলনের মাধ্যমে কাঙ্খিত বিজয় অর্জন

প্রকাশ:| রবিবার, ৯ আগস্ট , ২০১৫ সময় ১১:১৯ অপরাহ্ণ

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাঙালী জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করেই স্বাধিকার আন্দোলনের মাধ্যমে কাঙ্খিত বিজয় অর্জন করেছিলেন। ইতিহাস স্বাক্ষ্য দেয় যুগে যুগে বহু বরেণ্য রাজনীতিবিদ বাঙালীর স্বতন্ত্র জাতিসত্ত্বার স্বপ্ন দেখেছিলেন। কিন্তু জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সকল বাঙালীকে একসূতায় বাঁধতে পেরেছিলেন বলেই বাঙালী জাতির মুক্তির পথ দেখিয়ে তিনিই একমাত্র সফল হয়েছিলেন।
স্বাধিকার আন্দোলনের মাধ্যমে কাঙ্খিত বিজয় অর্জন
জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে মাসব্যাপী কর্মসূচির অংশ হিসেবে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ কোতোয়ালী,সদরঘাট, ডবলমুরিং থানা শাখা আয়োজিত সমাবেশে এসব কথা বলেন বক্তারা। রোববার নগরীর দেওয়ানহাট চত্বরে এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

সমাবেশে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. সেকান্দর চৌধুরী বলেন, স্বাধীনতা অর্জনের পর খুব অল্প সময়ের ব্যবধানে একটি নতুন জাতিকে তার দেশের সংবিধান প্রণয়নের মাধ্যমে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান প্রমাণ করে দিয়েছিলেন বাঙালী তার এই মহান মুক্তির আন্দোলনের স্বপ্ন বহু যুগের পুরোনো। স্বাধীনতার অল্প সময়ের মধ্যে এদেশ থেকে ভারতীয় মিত্রবাহিনীর প্রত্যাহার তার দূরদর্শী এবং প্রতিবেশী রাষ্ট্রের সাথে সৌহার্দ্যপূর্ণ রাজনীতির কথা স্মরণ করিয়ে দেয়।

ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন,‘তোমাদের শিক্ষিত হতে হবে। কিন্তু ধর্মান্ধ হওয়া চলবে না। ’

নগর ছাত্রলীগের সভাপতি ইমরান আহমেদ ইমু বলেন,‘ছাত্রলীগ যদি সঠিক পথে এগিয়ে যায় তবে দেশরত্ন শেখ হাসিনার হাত ধরে এই জাতি বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলাদেশ গড়ে তুলতে পারবে। ঐক্যবদ্ধ ছাত্রলীগ পাশে থাকলে এই বাংলাদেশকে কেউই দাবিয়ে রাখতে পারবে না। ’

নগর ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক নরুল আজিম রনি বলেন,‘খালেদা জিয়া জাতীয় শোক দিবসে মিথ্যা জন্মদিন পালনের নামে কেক কেটে বাঙালী জাতির হৃদয়ে রক্ত ক্ষরণ করেছে। ইতিহাসের সেই খুনী যুদ্ধাপরাধী, জাতির জনকের হত্যাকারীদের যদি বাঙালী জাতি ফাঁসির কাষ্টে ঝুলাতে পারে, তবে খালেদা জিয়াকে অদূর ভবিষ্যতে এই কুকর্মের কারণে বিচারের মুখোমুখী হতে হবে।’

নগর ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি আবদুল খালেকের সভাপতিত্বে ও সহ-সভাপতি একরামুল হক রাসেলের সঞ্চালনায় সমাবেশে বক্তব্য রাখেন নগর ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি জয়নাল উদ্দিন জাহেদ, শাহীন জোবায়ের বাপ্পী, মো. নাঈম রনি, আ ফ ম সাইফুদ্দিন, শাহীন মোল্লা, ফারুক ইসলাম পাভেল, সৌমেন বড়ুয়া, ওমর ফারুক, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাকারিয়া দস্তগীর, অমিতাভ চৌধুরী বাবু, গোলাম সামদানী জনি, সাংগঠনিক সম্পাদক খোরশেদ আলম মানিক, খোরশেদ আলম, সাইফুল ইসলাম, সম্পাদক মন্ডলীর সদস্য আরিফুল ইসলাম, আবুল মনসুর টিটু, তপু বড়ুয়া, উপ-সম্পাদক আবু হানিফ রিয়াদ, তুষার ধর, মোহাম্মদ বিন ফয়সাল, ইমরান কামাল বনি, কাজী মাহমুদুল হাসান রনি, সহ-সম্পাদক সাব্বির সাকির, শাহজাহানা সাজু, সদস্য আরফাত রুবেল, আবদুল গণি রিপন, শেখর দাশ পাভেল, আরমান হোসেন সুজন, জিকু ঘোষ, সালাউদ্দিন বাবু, মিজানুর রহমান, ইমরান আহমেদ শাওন, ইফতেখার রউফ, আসিফ খান আরাফাত, অভিউর রহমান কামাল, অনিক তমাল বড়ুয়া, শামসুল আজিম জীবন, সৈয়দ আনিসুর রহমান, আশিকুন্নবী, এ কে করিম, রাকিব হায়দার, আবদুল্লাহ আল জোবায়ার হিমু ও ইমাম হোসেন ইমন।


আরোও সংবাদ