স্বল্প মূল্যে ‘তালপাতা’ ল্যাপটপ

নিউজচিটাগাং২৪/ এক্স প্রকাশ:| সোমবার, ৬ আগস্ট , ২০১৮ সময় ১০:৪৮ অপরাহ্ণ

দেশে নতুন ব্র্যান্ডের স্বল্প মূল্যের কম্পিউটার তৈরি করছে ডেটাসফট সিস্টেম লিমিটেড। ব্র্যান্ড নাম ‘তালপাতা’ দিয়ে প্রতিষ্ঠানটি গাজিপুরের কালিয়াকৈর বঙ্গবন্ধু হাইটেক সিটিতে তৈরি করেছে কম্পিউটারটি। ‘তালপাতা ক’ ও ‘তালপাতা ব’ নামের দুটি ল্যাপটপ পরীক্ষামূলক তৈরি ও ব্যবহার করছে প্রতিষ্ঠানটি। সফল হলে বছরের শেষেই চূড়ান্ত ও বাণিজ্যিক উৎপাদনে যাবে প্রতিষ্ঠানটি।প্রতিষ্ঠানটির ম্যানুফ্যাকচারিং ও অ্যাসেম্বিং ব্যবস্থাপন পরিচালক রতন হাসান রহমান বলেন, ডেটাসফট আরএনডি করে একটি কম্পিউটার ব্র্যান্ড দাঁড় করাতে শুরু করেছে। যেখানে ইতোমধ্যে দুটি মডেলের ল্যাপটপ তৈরি করা হয়েছে।এই দুটি মডেলের একটি শিক্ষার্থীদের জন্য। আরেকটি ব্যবসায়িক কাজে ব্যবহারের জন্য।‘তালপাতা ক’ ডিভাইসটি তৈরি করা হয়েছে শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্য করে। এ জন্য এর দামও রাখা হবে একেবারে হাতের নাগালে। ‘তালপাতা ব’ ব্যবসায়িক ব্যবহারের জন্য উপযোগী হবে বলে জানান রতন হাসান।রতন হাসান বলেন, আমাদের টার্গেট গ্রামবাংলার লোকজন। যারা একটি স্মার্টফোনের দামে কম্পিউটার কিনতে পারেন, তবে সুবিধা পান তার কয়েকগুণ বেশি। এজন্য তালপাতা যেন সৌর বিদ্যুতে চলে সে চেষ্টা করা হয়েছে। ধুলাবালি এবং পানি নিরোধী রাখার চেষ্টা করা হয়েছে। আর এটি নির্দিষ্ট উচ্চতা থেকে পড়লেও ভাঙবে না।ডিভাইসটি তৈরিতে অনেকদিনই সময় নিয়েছে ডেটাসফট। তাদের লক্ষ্য ছিল স্বল্প মূল্যের কিন্তু শক্তিশালী ডিভাইস তৈরি করা।এখন যে ডিভাইসগুলো পরীক্ষামূলক চলছে সেগুলো তিন থেকে চার ঘণ্টা পর্যন্ত ব্যাটারি ব্যাকআপ দেয়। আমরা বেশকিছু প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞদের এটি ব্যবহার করতে দিয়েছি। তাদের বলা হয়েছে এর ল্যাকিংসগুলো জানাতে। সেগুলো আমরা দ্বিতীয় ধাপে উন্নয়ন করবো। তখন এর ব্যাটারি ব্যাকআপ ৬ থেকে ৮ ঘণ্টা পর্যন্ত বাড়ানো যাবে। বলেন রতন হাসান।নতুন এই কম্পিউটার ব্র্যান্ডটি চলতি বছরেই বাণিজ্যিক উৎপাদন করার কথা জানিয়ে রতন হাসান বলেন, আমরা ব্যবহারকারীদের থেকে যে ফিডব্যাপ পাবো সেগুলো নিয়ে চলতি বছরের শেষ দিকেই বাণিজ্যিক উৎপাদনে যাবো। আশা করছি চলতি বছরের বিজয় দিবসে এটি উদ্বোধন করা যাবে।বাণিজ্যিক উৎপাদনে গেলে ‘তালপাতা ক’ শিক্ষার্থীদের হাতে ১০ থেকে ১৫ হাজার টাকার মধ্যে দেয়া সম্ভব হবে। এছাড়াও ‘তালপাতা ব’ একই দামে বিক্রি করা যাবে বলে জানান রতন হাসান।রতন হাসান বলেন, এমন একটি প্রকল্পে সরকারের সহায়তা দরকার। শুধু একটি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে এমন বড় প্রকল্প নিয়ে এগুনো সম্ভব হয় না। আমরা অবশ্য সরকারের কাছ থেকে সহায়তার আশ্বাস পেয়েছি।