স্টেডিয়ামে আফগানিস্তান-নেদারল্যান্ডের প্রস্তুতি ম্যাচ চলাকালীন দু’দফা বিদ্যুৎ বিভ্রাট

প্রকাশ:| বুধবার, ১২ মার্চ , ২০১৪ সময় ১১:৫৭ অপরাহ্ণ

মন্ত্রীর নির্দেশ, আয়োজকদের সতর্কতা কোন কিছুই কাজে আসেনি। বুধবার চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে আফগানিস্তান-নেদারল্যান্ডের প্রস্তুতি ম্যাচ চলাকালীন দু’দফা বিদ্যুৎ বিভ্রাটের ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে দ্বিতীয় দফায় দিনের আলো কম থাকায় প্রায় বিশ মিনিট খেলা বন্ধ রাখা হয়।

এর আগে ২০১১ সালের ৬ ডিসেম্বর এই স্টেডিয়ামেই বাংলাদেশ-পাকিস্তান ম্যাচ চলাকালীন নজিরবিহীন ‘ব্ল্যাক আউট’ এর ঘটনা ঘটে।

বুধবার বিকাল ৪টা ৪৩ মিনিটে প্রথম দফা বিদ্যুৎ বিভ্রাটের ঘটনা ঘটে। প্রায় বিশ মিনিট পর বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক হয়। দিনের আলো থাকায় খেলায় কোনো বিঘ্ন ঘটেনি। এরপর দ্বিতীয় দফায় ৫টা ১৬মিনিটে আবারো বিদ্যুৎ বিভ্রাটের ঘটনা ঘটে। নিভে যায় ফ্লাড লাইটের আলো। দিনের আলোও ছিল স্বল্প। যার কারণে প্রায় বিশ মিনিট খেলা বন্ধ রাখা হয়। এ কারণে ব্যাটিংয়ে থাকা নেদারল্যান্ড কার্টেল ওভারের ফাঁদে পড়ে।

ম্যাচ হেরে ডাচ অধিনায়ক পিটার বোরেন অনেকটা দুষলেনও এই কার্টেল ওভারকে। ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে এসে বললেন, কার্টেল ওভারে রান একটু বেশি হয়ে গিয়েছিল। যা তাড়া করতে গিয়ে আমরা হেরেছি।

ফেব্রুয়ারীর শেষ সপ্তাহে বিদ্যুৎ বিভাগের এক বৈঠকে বিতরণ কোম্পানিকে খেলা চলাকালে নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ নিশ্চিত করার নির্দেশ দেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বিপু।

এর আগে গত ১১ ফেব্রুয়ারী জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়াম পরিদর্শন শেষে খেলায় যাতে কোনো ধরণের বিঘ্ন না ঘটে এ জন্য বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করতে বিদ্যুৎ বিভাগকে নির্দেশ দেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী বীরেন শিকদার।

বাংলাদেশ উন্নয়ন বোর্ডের বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগ (পাহাড়তলী) নির্বাহী প্রকৌশলী কামাল হোসেন বাংলানিউজকে বলেন, ‘এখানকার সরবরাহে কোনো সমস্যা ছিল না। জাতীয় গ্রিডে সমস্যা হওয়ায় বিদ্যুৎ ছিল না। বিদ্যুৎ সরবরাহ নিরবচ্ছিন্ন রাখতে সব ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। আশা করছি কোনো সমস্যা হবে না।’

বিসিবি পরিচালক আ জ ম নাসির উদ্দিন বাংলানিউজকে বলেন, ‘জাতীয় গ্রিডে ‘টেকনিক্যাল ফল্টে’র কারণে বিদ্যুৎ বিভ্রাটের ঘটনা ঘটেছে। বিশ্বকাপের ম্যাচগুলোতে যাতে বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত থাকে সে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। জাতীয় গ্রিডে ফল্ট হলেও আমরা জেনারেটর রেখেছি। খেলা চলাকালে জেনারেটর দিয়েও আমরা খেলা চালিয়ে নিতে পারবো।’