স্কুলছাত্র অপহরণ: জরিমানা ও কারাদণ্ড

প্রকাশ:| সোমবার, ৬ জুন , ২০১৬ সময় ১১:১০ অপরাহ্ণ

প্রতীকী

প্রতীকী

স্কুলছাত্রীকে অপহরণের দায়ে এক আসামীকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড ও ২০ হাজার টাকা জরিমানা দেয়ার আদেশ দিয়েছেন চট্টগ্রামের একটি আদালত। একই রায়ে আদালত আরও চার আসামির প্রত্যেককে ১৪ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও ২০ হাজার টাকা করে জরিমানা দেয়ার আদেশ দিয়েছেন।

সোমবার (০৬ জুন) চট্টগ্রামের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-২ এর বিচারক মো.সেলিম মিয়া এ রায় দিয়েছেন। যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি হল মো.রণি। দণ্ডপ্রাপ্ত বাকি আসামিরা হল মো.করিম, কিরণ, নাজমুল ইসলাম ও শাহজাহান।

ট্রাইব্যুনালের পিপি অ্যাডভোকেট এম এ নাসের বলেন, প্রত্যেক আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগপত্রে আনা অভিযোগ রাষ্ট্রপক্ষ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণ করতে পেরেছে। আসামিরা সাজা পেয়েছে। তবে অভিযোগ গঠনের পর থেকে জামিনে থাকা আসামিরা সবাই পালিয়ে গেছে।

মামলায় বাদিপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট বিবেকানন্দ চৌধুরী জানান, ২০০১ সালের ১১ নভেম্বর নগরীর ডবলমুরিং থানার দক্ষিণ আগ্রাবাদ আবিদার পাড়া এলাকার বাসিন্দা ১২ বছর বয়সী এক স্কুলছাত্রীকে কোচিং থেকে ফেরার পথে নিজ বাসার সামনে থেকে রণিসহ আসামিরা মিলে অপহরণ করে নিয়ে যায়। ওই ছাত্রীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক আছে দাবি করে রণি তাকে বন্ধুদের সহযোগিতায় তুলে নিয়ে যায়। এ ঘটনায় ১২ নভেম্বর স্কুলছাত্রীর বাবা বাদি হয়ে ডবলমুরিং থানায় রণিসহ পাঁচজনকে আসামি করে একটি মামলা দায়ের করেন। ওইদিনই পুলিশ স্কুলছাত্রীকে উদ্ধার করতে সক্ষম হয় এবং রণিসহ পাঁচজনকে আটক করে। তদন্ত শেষে পাঁচজনের বিরুদ্ধে ২০০২ সালের ৯ মার্চ আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন তদন্তকারী কর্মকর্তা। ২০০৩ সালের ৫ আগস্ট আদালত আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন।

অভিযোগপত্রে থাকা ১০জন সাক্ষীর মধ্যে তিনজনকে রাষ্ট্রপক্ষ সাক্ষী হিসেবে আদালতে উপস্থাপন করে। সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে চলতি বছরের ২৮ জানুয়ারি আসামিদের পরীক্ষা সম্পন্ন হয়। ২৭ এপ্রিল যুক্তিতর্ক সম্পন্ন হওয়ার পর আদালত সোমবার এ রায় দিয়েছেন।