সিলেটের প্রথম জয় কুমিল্লাকে হারিয়ে

প্রকাশ:| সোমবার, ৩০ নভেম্বর , ২০১৫ সময় ১১:২১ অপরাহ্ণ

কুমিল্লাকে হারিয়ে সিলেটের প্রথম জয়পয়েন্ট তালিকায় ব্যবধানের কারণে আবহ ছিল ভিন্ন। সবার উপরে কুমিল্লা, নিচে সিলেট। লড়াইটা হবে একপেশে, এমন ধারণা ছিল সবার। তবে না, টানা চার হারের বৃত্ত ভেঙ্গে বের হয়ে আসতে পেরেছে সিলেট সুপার স্টার্স। সোমবার চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে মাশরাফির কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সকে ৪ উইকেটে হারিয়ে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে প্রথম জয় তুলে নিয়েছে মুশফিকের সিলেট সুপার স্টার্স। পাঁচ ম্যাচে কুমিল্লার এটি দ্বিতীয় হার। অন্যদিকে সমান ম্যাচে সিলেটের প্রথম জয়।

টসের প্রতিকূলে আগে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেটে ১৬৪ রান সংগ্রহ করে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স। জবাবে ১৯.৪ ওভারে ৬ উইকেটে লক্ষ্যে পৌছে যায় সিলেট।

সিলেটের হয়ে শুরুটা ভালোই করেন লংকান ব্যাটসম্যান মুনাবীরা। তবে ওপেনিংয়ে নামা মুমিনুল ছিলেন ছন্দহারা। দলীয় ৩২ রানের মাথায় হায়দারের বলে লিটন দাসের হাতে ক্যাচ দিয়ে বিদায় নেন মুমিনুল (৯)। তবে এরপর রবি বোপরাকে সঙ্গে নিয়ে আগাতে থাকেন মুনাবীরা।

দলীয় ৫২ রানে সাজঘরে ফেরেন মুনাবীরা। আবু হায়দারের বলে আউট করার আগে ২৬ বলে ৩৬ রান করে যান তিনি। তবে তৃতীয় উইকেট জুটিতে বোপারা ও অধিনায়ক মুশফিকুর রহীম জয়ের আশা দেখায় দলকে। এই জুটিতে রান আসে ৮৭। ৪৭ রান করে কুলাসেকারার বলে বোল্ড হন মুশফিকুর রহীম। দলীয় রান তখন ১৩৯।

কিছুটা চিন্তায় তখন সিলেট শিবির। তবে হাম্মাদ আজমকে সঙ্গে নিয়ে সতর্কতার সঙ্গে ব্যাট করতে থাকেন রবি বোপারা। ১৫৭ রানের মাথায় হাম্মাদ আজমকে বিদায় করেন কুলাসেকারা। তবে যাওয়ার আগে ৬ বলে ১৩ রান করে যান হাম্মাদ।

শেষ ওভারে জমে উঠে নাটক। এরই মধ্যে ফিফটি করেন বোপারা। শেষ ওভারের দ্বিতীয় ও তৃতীয় বলে বোপারা ও সেহান জয়াসুরিয়াকে আউট করে ম্যাচে উত্তেজনা ফিরিয়ে আনেন কুমিল্লার পেসার আবু হায়দার। শেষ তিন বলে জয়ের জন্য সিলেটের দরকার তখন তিন রান। ক্রিজে নেমে চতুর্থ বলেই ছক্কা হাঁকিয়ে সিলেটের জয় নিশ্চিত করেন নাজমুল হোসেন মিলন। শেষ পর্যন্ত দারুণ এক জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে সিলেট। কুমিল্লার হয়ে সর্বোচ্চ চারটি উইকেট নেন আবু হায়দার। দুটি উইকেট নেন নুয়ান কুলাসেকারা।

অলরাউন্ডিং পারফরমেন্সের জন্য ম্যাচ সেরার পুরস্কার পান সিলেটের ইংলিশ ক্রিকেটার রবি বোপারা। বল হাতে চারটি উইকেট ও ব্যাট হাতে ৫০ রান করেন বোপারা।