সিলিমপুর আবাসিক প্রকল্পে (বর্ধিতাংশ পূর্ব) লটারির মাধ্যমে ১৫ শ্রেণীতে ৭০টি প্লট বরাদ্দ

প্রকাশ:| বুধবার, ২৩ জুলাই , ২০১৪ সময় ১১:০০ অপরাহ্ণ

সিলিমপুর আবাসিক১সিলিমপুর আবাসিক প্রকল্পে(বর্ধিতাংশ পূর্ব) লটারির মাধ্যমে ১৫ শ্রেণীতে ৭০টি প্লট বরাদ্দ দিয়েছে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ(সিডিএ)। বুধবার দুপুরে সিডিএ’র হলরুমে লটারি অনুষ্ঠিত হয়।

এসময় সিডিএ চেয়ারম্যান আবদুচ ছালাম, বোর্ড সদস্য, সাংবাদিক ও আবেদনকারীরা উপস্থিত ছিলেন। চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের উপ সচিব অমল গুহ বলেন,‘১৫টি শ্রেণীতে ৭০টি প্লট বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। সিলিমপুর আবাসিক এলাকার পূর্ব অংশে প্লটগুলো তৈরি করা হয়েছে।’

সিডিএ সূত্রে জানা যায়, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের পাশে ভাটিয়ারি ও জঙ্গল ভাটিয়ারি মৌজায় সিডিএ’র সিলিমপুর আবাসিক প্রকল্প অবস্থিত। ১৯৬০-৬১ এবং ১৯৮০-৮১ সালে দুই দফায় সিলিমপুর প্রকল্পের জন্য ১৯৬ একর জমি অধিগ্রহণ করা হয়। এ প্রকল্পে প্লট বরাদ্দ দেওয়া শুরু হয় আশির দশকে। দু’দফায় প্রায় এক হাজার ২০০ প্লট বরাদ্দ দেওয়া হয়।

সিলিমপুর আবাসিক২০১৩ সালে ৫ আগস্ট প্রকল্পটির নকশা পরিবর্তন করে আরো ২৭০টি প্লট বরাদ্দের জন্য সিডিএ বোর্ড সভায় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পরে একই বছরের সেপ্টেম্বরে বিভিন্ন জটিলতার কারণে ২০০টি প্লট কমিয়ে এনে ৭০টি প্লট বরাদ্দের জন্য পত্রিকায় সংশোধনী বিজ্ঞপ্তি দেয়।

৭০টি প্লটের বিপরীতে মুক্তিযোদ্ধা, বিচারক, প্রতিরক্ষা, চাকুরিরত, অবসরপ্রাপ্ত, সরকারি কর্মকর্তা, সরকারি শিক্ষক (প্রাথমিক), কলেজ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক, বেসরকারি প্রাথমিক শিক্ষক, চিকিৎসক, প্রকৌশলী, সাংবাদিক, আইনজীবী, প্রবাসী, আবাসিক প্রকল্পে ক্ষতিগ্রস্থ, বেসরকারি ব্যাংক, বীমা ও ব্যবসায়ী ও শিল্পপতি শ্রেণীতে প্রায় সাড়ে ৩৫০ জন আবেদন করেছিলেন।

৭০টি অতিরিক্ত প্লট তৈরি করতে সিলিমপুর আবাসিক এলাকায় পাহাড় কেটে আবাসিক এলাকার বর্ধিতাংশ পূর্বে বয়ে যাওয়া খাল এবং পুকুর ভরাট করেছে সিডিএ। এমনকি মসজিদ, কবরস্থান ও শিশুপার্কের জন্য রাখা জায়গাও নকশা পরিবর্তন করে প্লট তৈরি করা হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠে।

পরে পরিবেশ অধিদপ্তর ওই প্রকল্পে কাজ বন্ধ রাখতে নির্দেশনা দেয়।