সিটি মেয়রের উদ্যোগে ঐতিহাসিক বদর দিবস পালিত

প্রকাশ:| বুধবার, ১৬ জুলাই , ২০১৪ সময় ১০:৩৩ অপরাহ্ণ

খত্মে কোরআন, খত্মে বোখারী, মুজমায়ে সালাতে রাসুল (স.),দোয়া, মিলাদ, আলোচনা ও ইফতার

সিটি মেয়রের উদ্যোগে ঐতিহাসিক বদর দিবস পালিতচট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আলহাজ্ব মোহাম্মদ মনজুর আলমের আয়োজনে তার মোস্তফা-হাকিম বাসভবনে ঐতিহাসিক বদর যুদ্ধ দিবস স্মরণে ১৭ রমজান ১৪৩৫ হিজরী, ১৬ জুলাই ২০১৪খ্রি. বুধবার বিকেলে আলহাজ্ব মোস্তফা-হাকিম ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশনের ব্যবস্থাপনায় খত্মে কোরআন, খত্মে বোখারী শরীফ, মুজমায়ে সালাতে রাসুল (স.), দোয়া, মিলাদ, আলোচনা ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। মোনাজাতে দেশ ও জাতির উন্নতি, শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করা হয়।
চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আলহাজ্ব মোহাম্মদ মনজুর আলম ধর্মীয় এ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন। সভাপতির বক্তব্যে মেয়র ইসলামের ইতিহাসে পবিত্র রমজানে বদর যুদ্ধকে একটি অবিস্মরণীয় ঘটনা বলে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, এ যুদ্ধে মুসলমানদের বিজয় এবং কাাফিরদের শোচনীয় পরাজয় ঘটে। ৬২৪ খ্রি. ১৭ মার্চ, দ্বিতীয় হিজরীর ১৭ রমজান শুক্রবার মদিনার উপকণ্ঠ হতে ৮০ মাইল দক্ষিণে বদর প্রাঙ্গণে সংঘটিত হয় ঐতিহাসিক এ যুদ্ধ। মদিনায় ইসলামের সমৃদ্ধি ও গণজাগরণে ভীত হয়ে কাফিররা প্রতিহিংসাপরায়ণ হয়ে রহমত, মাগফেরাত ও নাজাতের পবিত্র মাসে এ যুদ্ধে লিপ্ত হয়। মেয়র বলেন, মহানবী হযরত মুহাম্মদ (স.) মাত্র ৩১৩ জন সাহাবী সহ যুদ্ধক্ষেত্রে বদর স্থানে হাজির হন। যুদ্ধে কুরাইশ বাহিনীর সৈন্য ছিল হাজারের অধিক। আল্লাহর উপর অকৃত্রিম বিশ্বাস ও ভরসার ফল এ যুদ্ধে মুসলমানদের বিজয়। যদি মহানবীর সাহাবীগণ জয়ী না হতেন, তবে সেদিনই পবিত্র ইসলামের জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়াতো। মেয়র আলহাজ্ব মোহাম্মদ মনজুর আলম বলেন, বদর যুদ্ধে কুরাইশ নেতা আবু জাহর, ওলীদ, উৎবা এবং শায়বা সহ ৭০ জন নিহত হয়। হযরতের সৈন্যদের হাতে বন্দী হয় আরো ৭০ জন। মহানবী হযরত মুহাম্মদ (স.) পক্ষে এ যুদ্ধে শহীদ হন ১৪ জন তবে কেউ বন্দী হননি। মেয়র বলেন, বদর যুদ্ধের বন্দীদের মুক্তির বিষয়ে হযরতের সিদ্ধান্ত ছিল ঐতিহাসিক। প্রিয় নবীজী শিক্ষিত বন্দী মুক্তির শর্ত ছিল প্রতিজন শিক্ষিত বন্দী ১০ জন মুসলিম ছেলে-মেয়েকে শিক্ষিত করে দিলেই মুক্তি। হযরতের এ সিদ্ধান্তে মুসলমানদের শিক্ষা বিস্তারে সহায়ক হয়। জনাব মোহাম্মদ মনজুর আলম বদরের যুদ্ধের শিক্ষা থেকে মুসলমানদের জীবনযাপনে এবং আল্লাহর নৈকট্য লাভে বেশী বেশী ইবাদত-বন্দেগী, সত্য ও ন্যায়ের পথে জীবনযাপনের জন্য তৈরী থাকতে হবে। এ ধর্মীয় অনুষ্ঠানে আলেম ওলামা, এতিম ও মাদ্রাসার ছাত্র ছাড়াও সিটি মেয়রের ছেলে ও পরিবারের অন্যান্য সদস্যসহ আলহাজ্ব মোস্তফা-হাকিম ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশনের পরিচালকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।


আরোও সংবাদ