সালিশী বৈঠকে বাদিকে মারধর, বসতবাড়ি ভাংচুর

প্রকাশ:| রবিবার, ১৪ মে , ২০১৭ সময় ১২:১৬ পূর্বাহ্ণ

পেকুয়া প্রতিনিধি
পেকুয়া উপজেলার টইটং ইউনিয়নের সোনাইছড়ি হাজির বাড়িতে সালিশী বৈঠক চলাকালে বাদিকে পিটিয়ে আহত করেছে বিবাদী পক্ষ ও তার ভাড়াটে লোকজন। এ সময় তার বসতবাড়িতে গিয়েও হামলা চালায় তারা। আহত ব্যক্তি আহমদ কবির ওই এলাকার মৃত আমির হামজার পুত্র। এ নিয়ে দু’পক্ষ ব্যাপক উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে, শুক্রবার রাত ৯টার দিকে এমইউপি শাহাব উদ্দিনের উঠানে এক সালিশী বৈঠকে। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে পেকুয়া হাসপাতালে ভর্তি করে।

আহত আহমদ কবিরের পুত্র নাজেম উদ্দিন জানান, আমার পিতার সাথে আমার চাঁচা আবু ছৈয়দের বসতবাড়ির জমি নিয়ে বিরোধ রয়েছে। এ ঘটনায় আমার পিতা বাদি হয়ে একে একে তিনবার সালিশী বিচার দিলেও তারা বৈঠকগুলো প্রত্যাখান করেন। সর্বশেষ গত শুক্রবার রাতে এমইউপি শাহাব উদ্দিন, জাহাঙ্গীর আলম (অব:বিডিআর), সাবেক এমইউপি কবির আহমদ, আওয়ামীলীগ সভাপতি সরওয়ার আলম এর যৌথ বিচারক প্যালেন দু’পক্ষকে নিয়ে বৈঠকে বসেন। এ সময় আমার পিতা সালিশকারগনের সামনে তার কথা শুরু করলে আবু ছৈয়দের ভাড়াটি স্থানীয় বিএনপি নেতা মাষ্টার মিজানুল করিম পিতাকে মারধর করতে করতে আহত করে। এক পর্যায়ে উপস্থিত সালিশকারগন ও আমরা এগিয়ে এসে তার কবল থেকে পিতাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে আসি। এ সুযোগে তার নেতৃত্বে আবু ছৈয়দ, আবু ছালেক, আবু ওমর ও আবদুল গফুর আমাদের বসতবাড়িতে গিয়ে হামলা ও ভাংচুর চালায়। এ সময় তারা লক্ষাধিক টাকার ক্ষয়ক্ষতি করে। এ ব্যাপারে আমরা আইনগত ব্যবস্থা নিব।

সাবেক এমইউপি কবির আহমদ কাছে এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আহমদ কবির বাদি হয়ে আবু ছৈয়দকে বিবাদী করে সালিশী বিচার দিলে আমরা দু’পক্ষকে নিয়ে বৈঠকে বসি। এ সময় ৩য় পক্ষ হয়ে মাষ্টার মিজান আহমদ কবিরকে মারধর করে। পরে সবার হস্তক্ষেপে দু’পক্ষকে আমরা নিভৃত করি।

এমইউপি শাহাব উদ্দিন জানান, ভাইয়ে ভাইয়ে বিরোধীয় বসতবাড়ি নিয়ে সালিশ চলছিল। এ সময় দু’পক্ষে হাতাহাতি হয়েছে। পরে আমরা সমাধা করে দিয়েছি। মাষ্টার মিজান ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিল কিনা জিজ্ঞেস করলে উপস্থিত ছিল বলে নিশ্চিত করেন।


আরোও সংবাদ