সারাদেশে সন্ত্রাস নৈরাজ্য ও পুড়িয়ে মানুষ হত্যার প্রতিবাদে মানববন্ধন

প্রকাশ:| সোমবার, ২ ডিসেম্বর , ২০১৩ সময় ১১:৪৩ অপরাহ্ণ

সারাদেশে সন্ত্রাস নৈরাজ্য ও পুড়িয়ে মানুষ হত্যার প্রতিবাদে মানববন্ধন করেছে পেশাজীবী সমন্বয় পরিষদ
অবরোধ বিরোধীআন্দোলনের নামে নৈরাজ্য-হত্যার প্রতিবাদে চট্টগ্রাম বিশাল মানববন্ধন সমাবেশ / (৭১’র মতই রাজনৈতিক ও সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহবান ) ৭১’র মতই রাজনৈতিক ও সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলার মধ্যে দিয়েই আন্দোলনের নামে চোরাগুপ্তা হামলাকারী রাজনৈতিক অপশক্তিকে মোকাবেলার তাগিদ দেয়া হয়েছে চট্টগ্রামে অনুষ্টিত বিশাল এক মানববন্ধন ও সমাবেশে। সোমবার( ০২.১২.১৩) বিকেলে চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধন ও সমাবেশে বিভিন্ন শ্রেণির পেশাজীবী ও সামাজিক সংগঠক, প্রতিনিধিত্বশীলরা এ আহ্বান জানান। দেশব্যাপী নৈরাজ্য ও পুড়িয়ে মানুষ হত্যার প্রতিবাদে পেশাজীবী সমন্বয় পরিষদ,চট্টগ্রাম এবং সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি পরিষদ যৌথভাবে এ কর্মসূচির আয়োজন করে। বিশিষ্ট সমাজ বিজ্ঞানী ও প্রিমিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়ে ভিসি প্রফেসর ড. অনুপম সেনের সভাপতিত্বে ও পেশাজীবী সমন্বয় পরিষদ ও চট্টগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়ন (সিইউজে) সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক রিয়াজ হায়দার চৌধুরীর সঞ্চালনায় এতে বক্তব্য রাখেন সংসদ সদস্য নুরুল ইসলাম বিএসসি, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় চবি’র প্রো. ভিসি প্রফেসর ড. ইফতেখার উদ্দিন চৌধুরী, পেশাজীবী সমন্বয় পরিষদ চট্টগ্রাম সভাপতি ড. একিউএম সিরাজুল ইসলাম, বাংলাদেশ কলেজ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি (বাকবিশিস) কেন্দ্রীয় মহাসচিব অধ্যক্ষ মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর, বাংলাদেশ মেডিকেল এসোশিয়েশন (বিএমএ) চট্টগ্রাম সভাপতি ডা. মুজিবুল হক খান, চবি সমাজবিজ্ঞান অনুষদের ডীন হোসাইন কবির, চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাব সাবেক সভাপতি আবু সুফিয়ান, চট্টগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়নের প্রাক্তন সভাপতি এম নাসিরুল হক, নারী নেত্রী নুর জাহান খান, চবি শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক ড. মোহাম্মদ সেকান্দর চৌধুরী ও অর্থ সম্পাদক সুকান্ত ভট্টচার্য্য, পেশাজীবী সমন্বয় পরিষদের সহ-সভাপতি আবদুল ওহাব চৌধুরী, যুগ্ম-সম্পাদক রাশেদ হাসান, অর্থসম্পাদক মেজবাহ উদ্দিন চৌধুরী, পেশাজীবী নেতা অঞ্চল চৌধুরী, সাম্প্রদায়িক সমপ্রীতি পরিষদ সদস্য সচিব সীমান্ত তালুকদার, প্রধান সমন্বয়কারী শওকত বাঙালী, প্রেস ক্লাব সাধারণ সম্পাদক মহসীন চৌধুরী, কাউন্সিলর গিয়াস উদ্দিন ও রেহেনা কবির রানু, চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক ডা. নুর হোসেন শাহীন, বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতির চট্টগ্রাম অঞ্চলের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ লকিত উল্লাহ, আবৃত্তিকার মিলি চৌধুরী, শিক্ষক নেতা অধ্যাপক কানাই দাশ, ড. বীনু কুমার দে, প্রদীপ কানুনগো, শান্তি রঞ্জন চক্রবর্তী, রতন কুমার পাল। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন সিইউজে সাবেক সাধারণ সম্পাদক নির্মল চন্দ্র দাশ ও যুগ্ম-সম্পাদক মাঈনুদ্দিন দুলাল, বর্তমান সাংগঠনিক সম্পাদক ফারুক তাহের, প্রবীণ সাংবাদিক মাখন লাল সরকার, টেলিভিশন সাংবাদিক ফোরামের সাধারণ সম্পাদক চৌধুরী ফরিদ, সাংবাদিক সোহেল রানা, খোরশেদুল আলম শামীম ,সোহেল সরওয়ার, আমিনুল ইসলাম মুন্না, আবুল ফজল বাবুল, চন্দন চক্রবর্তী, কবি আশিষ সেন, কমরেড অশোক সাহা, রাজনীতিবিদ জামশেদুল আলম চৌধুরী, পেশাজীবী নেতা আ ম ম মিনহাজুর রহমান, সংগঠক মনিকা ভট্টচার্য, সালমা জাহান মিলি, প্রাক্তন ছাত্র নেতা জসিম উদ্দিন খোকন, ঘাতক দালাল নিমূল কমিটি নেতা অলি চৌধুরী, মহিউদ্দিন সোহেল, বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশন চট্টগ্রাম মহানগরের সহ-সাধারণ সম্পাদক আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েম, সাংগঠনিক সম্পাদক মাসুদ পারভেজ, ছাত্র নেতা শিবু প্রসাদ চৌধুরী, মিথুন মল্লিক ,আমরা মুক্তিযোদ্ধার সন্তানের কেন্দ্রীয় নেতা সুরজিত দত্ত সৈকত প্রমুখ। মানববন্ধনকালীন সমাবেশে চট্টগ্রাম-৯ আসনের এমপি নূরুল ইসলাম বিএসসি বলেন, ‘দেশের সার্বিক পরিস্থিতিতে মনে হচ্ছে আমরা একাত্তরে ফিরে গেছি, ২০১৪ সালে পা দিতে পারবো না। যে যুদ্ধ শুরু হয়েছে তাতে জয়ী হলেই কেবল আমরা ২০১৪-তে পা দিতে পারবো। আর পরাজিত হলে ফের একাত্তরে ফিরে যেতে হবে।’ নৈরাজ্যৈর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়ে সমাবেশের সভাপতির বক্তব্যে বিশিষ্ট সমাজ বিজ্ঞানী প্রফেসর ড. অনুপম সেন বলেন,‘আন্দোলন সবার সাংবিধানিক অধিকার। তবে গাড়ি ভাঙ্গা, আগুনে পুড়িয়ে মানুষ মারা, রেল লাইন উপড়ে ফেলা কোন আন্দোলন নয়। এটা সন্ত্রাস। এসন্ত্রাস করা হচ্ছে সাধারণ মানুষের বিরুদ্ধে।’ তিনি বলেন,‘জাতি একাত্তরে ফিরে যেতে চায় না। নিজের অস্তিত্বকে টিকিয়ে রাখতে এই যুদ্ধে জয়ী হতেই হবে। আমরা জয়ী হব।’ বক্তারা বলেন,‘একাত্তরে এদেশের নিরীহ মানুষের বিরুদ্ধে পাকিস্তানিরা যুদ্ধ ঘোষণা করেছিল আর এখন সাধারণ মানুষকে জিম্মি করে স্বাধীনতা বিরোধীদের সঙ্গে নিয়ে করা হচ্ছে।’ সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন,‘প্রগতির জয় হবেই। অতীতেও কোন প্রতিক্রিয়া জয়ী হয়নি। এখনও হবে না। এজন্য সবাইকে ঐক্যবদ্ধ ও সচেতন হয়ে তাদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে হবে।’ দেশ এবং মানুষের নিরাপত্তার জন্য রাজনীতির নামে নৈরাজ্য সৃষ্টিকারী সংগঠন ও জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়ার জন্য সরকারের কাছে দাবি জানান পেশাজীবী নেতারা।#— বার্তা প্রেরক অঞ্চল চৌধুরী নিবার্হী সদস্য পেশাজীবী সমন্বয় পরিষদ