সাদা’কে সাদা এবং কালো’কে কালো বলতে শিখুন

প্রকাশ:| মঙ্গলবার, ১৯ মে , ২০১৫ সময় ০৮:২৩ অপরাহ্ণ

বান্দরবানে মতবিনিময় সভায় বাংলাদেশ হিসাব মহা নিয়ন্ত্রক

বান্দরবান প্রতিনিধি॥
বাংলাদেশ হিসাব মহা নিয়ন্ত্রক মো আবুল কাশেমবাংলাদেশ হিসাব মহা নিয়ন্ত্রক মো: আবুল কাশেম বলেন, অন্যদের মত হিসাব নিয়ন্ত্রক দপ্তরেরর ইমেজ সংকট রয়েছে। অস্বীকার করবো না। তবে আমি সাদাকে সাদা এবং কালোকে বলতে পছন্দ করি। সকলকেই জবাব দিহিতার আওতায় আসতে হবে। সেবার মানুষিকতা নিয়ে সকলকেই কাজ করতে হবে। তিনি বলেন, প্রজাতন্ত্রের কর্মচারী সকলেই অবসরে যাবো, অবসরপ্রাপ্তদের বিষয়ে সবার আন্তরিক হওয়া প্রয়োজন। অফিসগুলো পেনশন বিল দেড়িতে পাঠায়, কিন্তু বদনাম হয় হিসাব অফিসের। আমরা এই অপবাদ নিবোনা, যারা দেড়িতে বিল পাঠাচ্ছে ব্যর্থতা তাদের। আজ মঙ্গলবার দুপুরে বান্দরবানে জেলা প্রশাসন সম্মেলনকক্ষে আয়োজিত জেলার আয়ন ব্যয়ন কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেছেন। জেলা প্রশাসক মিজানুল হক চৌধুরীর সভাপতিত্বে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম বিভাগের ডিভিশন কন্ট্রোলার অব একাউন্টস মোস্তফা কামাল, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট হারুনুর রশীদ, এলজিইডি নির্বাহী প্রকৌশলী ক্যহ্লাখয়, জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পচিালক আলতাফ হোসেন, জেলা হর্টিকালচার সেন্টারের পরিচালক রফিকুল ইসলাম, জেলা পরিসংখ্যান কর্মকর্তা ওয়াহিদুর রহমান’সহ সরকারী প্রতিষ্ঠানের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
অনুষ্ঠানে হিসাব মহা নিয়ন্ত্রক মো: আবুল কাশেম আরো বলেন, জনসাধারণের দৌড় ঘোড়ায় সেবা পৌছাতে হবে। বিল এবং চেক পাশ করানোর জন্য কোনো পয়সা দিবেন না। আগামী ছয় মাসের মধ্যে জেলা পর্যায়ে বিলের হিসাব অনলাইনে দেখা যাবে। হিসাব নিয়ন্ত্রক দপ্তরের হেলফ ডেস্ক আছে। প্রয়োজনে যোগাযোগ করুন, যে কোনো অভিযোগ জানাতে পারেন। নিশ্চয়তা দিতে পারি অভিযোগ সত্যতা পেলেই ব্যবস্থা নেয়া হবে। বিল/চেক পাশ হলে ফোন করে অফিস থেকে বিষয়টি নিশ্চিত করা হবে।
হর্টিকালচার সেন্টারের পরিচালক রফিকুল ইসলাম বলেন, বিদ্যুতের লোডশেডিংয়ের কারণে মানুষের ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। জেলা হিসাব নিয়ন্ত্রক অফিসের কর্মচারী সংকট থাকার পরও কাজের আন্তরিকতা দেখা যায়। তবে শূন্য পদগুলোতে কর্মচারী নিয়োগ দেয়া হলে কাজের গতি বাড়বে। জেলা পরিসংখ্যান কর্মকর্তা ওয়াহিদুর রহমান বলেন, ১৫% করে ভ্যাট নেয়ার পর দীর্ঘ ১১ বছর পর এসে বলে আপনার ভ্যাট ৯%। এই সমন্বয়হীনতার কারণে নানা সমস্যায় পড়তে হচ্ছে সরকারী অফিসগুলোকে।


আরোও সংবাদ