সাত কর্মকর্তাকে দুর্নীতির মামলায় যাবজ্জীবনসহ বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড

প্রকাশ:| মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট , ২০১৫ সময় ১১:২০ অপরাহ্ণ

সাবেক ওরিয়েন্টাল ব্যাংক বর্তমানে আইসিবি ইসলামী ব্যাংকের সাত কর্মকর্তাকে দুর্নীতির মামলায় যাবজ্জীবনসহ বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

আইসিবি ইসলামী ব্যাংকমঙ্গলবার ঢাকার ৫ নম্বর বিশেষ জজ ড. মো. আখতারুজ্জামান পলাতক আসামিদের বিরুদ্ধে এ রায় ঘোষণা করে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন।

আদালত রায়ে আসামিদের দণ্ডবিধির ৪০৯ ধারায় প্রত্যেককে যাবজ্জীবন এবং ১ লাখ টাকা করে জারিমানা ও ৪২০ ধারায় ৭ বছর করে কারাদণ্ড এবং ২০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড দেয়।

এছাড়াও রায়ে আসামিদের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারায় ৭ বছর করে কারাদণ্ডের পাশাপাশি ১ কোটি ৭ লাখ ৯৫ হাজার ৮১৮ দশমিক ৪৮ টাকা জরিমানা করেছেন।

দণ্ডিতরা হলেন, ওরিয়েন্টাল ব্যাংকের সাবেক সিনিয়ার ভাইস প্রেসিডেন্ট শাহ মো. হারুন, সাবেক সিনিয়র অ্যাসিস্ট্যান্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট আবুল কাশেম মাহমুদ উল্লাহ, সাবেব এভিপি ভাইস প্রেসিডেন্ট ফজলুর রহমান, সাবেক ইও ভাইস প্রেসিডেন্ট মো. তরিকুল আলম, সাবেক এসইভিপি ভাইস প্রেসিডেন্ট মাহমুদ হোসেন, সাবেক ইভিপি কামরুল ইসলাম ও সাবেক ডিজিএম ইমামুল হক। তবে সব আসামিই পলাতক।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, ২০০৫ সালের ৩ আগস্ট থেকে ২০০৬ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত আসামিরা পরস্পর যোগসাজসে ওরিয়েন্টাল ব্যাংক প্রধান কার্যালয় থেকে বেনামী প্রতিষ্ঠান মেসার্স মর্ডান বিল্ডার্স নামক প্রতিষ্ঠানের নামে থেকে ১ কোটি ঋণ মঞ্জুর করে তুলে নেয়। পরবর্তীতে তদন্তের ওই প্রতিষ্ঠানের কোনো অস্তিত্ব না থাকায় ২০০৬ সালের ২৯ ডিসেম্বর দুদকের সহকারী পরিচালক সৈয়দ আহমেদ মতিঝিল থানায় মামলাটি দায়ের করেন।

২০১২ সালের ৩১ ডিসেম্বর মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা দুদকের উপপরিচালক গোলাম মোস্তফা আদালতে আসামিদের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করেন। আদালত মামলাটির বিচারকালে সাতজনের সাক্ষ্যগ্রহণ করেন।

মামলাটির দুদকের স্পেশাল পিপি কবির হোসাইন জানান, ওরিয়েন্টাল ব্যাংকের একইভাবে ৬৯৫ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে মোট ২৯টি মামলা হয়। ওই মামলাগুলোর মধ্যে চারটি মামলায় রায় হলো।


আরোও সংবাদ