সাগরে ৪টি ফিশিং ট্রলার ডাকাতি, ২১ জেলে অপহরণ

প্রকাশ:| মঙ্গলবার, ১১ মার্চ , ২০১৪ সময় ০৯:২৫ অপরাহ্ণ

মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন, কুতুবদিয়া থেকে
সাগরে জলদস্যুরা কক্সবাজারের কুতুবদিয়া দ্বীপের ৪টি ফিশিং ট্রলার ও ২১ জেলেকে অপহরণ করে নিয়ে গেছে। জেলে ও ট্রলার ছেড়ে দেয়ার জন্য মোটা অংকের মুক্তিপন দাবী করে জলদস্যুরা ফিশিং ট্রলার মালিকের সাথে মোবাইল যোগাযোগ করে ৪টি ট্রলার ও ২১জেলেদের মুক্তি দিতে ৪ লাখ টাকা টার্গেট ধরে দিয়েছে।
সোমবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২ টায় সময় বঙ্গোপসাগরের জাহাজ হাড়ি ও বড় হাড়ি নামক স্থান থেকে ২০/২৫ জন জলদস্যুরা দল দুটি ট্রলার নিয়ে সাগর থেকে এফ.বি, মিজান, এফ,বি আল্লার দান, এফ,বি হোসেন, এফ,বি রফিক নামক ৪টি ট্রলার ও জেলে আবদুল হামিদ, ইয়াছিন, কাইছার, এহছান, লুৎফর রহমান, শাহাব উদ্দিন, ছোটন, হেলাল উদ্দিন ,আবদু শুক্কুরসহ ২১ জেলেকে ধরে নিয়ে যায়।
কুতুবদিয়ার ট্রলার মালিক কাইছার জানান,গত সোমবার সন্ধ্যায় কুতুবদিয়া দ্বীপের আলী আকবর ইউনিয়নের হায়দার বাপেরপাড়া এলাকা থেকে গভীর সাগরে মাছ ধরার উদ্দেশ্যে যায়। জলদস্যুরা পূর্বে থেকে ওৎপেতে থেকে জেলে ও ট্রলারগুলি ধরে নিয়ে মহেশখালী দ্বীপের গহিন প্যারাবনে আটক রেখে মুক্তিপন দাবি করে যাচ্ছে। ৪টি ট্রলারে প্রায় ২৫ লাখ টাকার মালামাল রয়েছে বলে ট্রলার মালিকরা দাবি করেছে। অপহৃত ট্রলার এফ,বি আল্লার দান এর মালিক মোঃ আলী জানান, তার ট্রলারে ৬ জেলে ছিল। জেলের মধ্যে তার ছেলে আব্দুল হামিদ ও ঐ ট্রলারে রয়েছে। গত মঙ্গলবার বিকালে মোবাইল করে জলদস্যুরা জেলেদের ও ট্রলার ছেড়ে দেয়ার জন্য প্রতি ট্রলারের জন্য ১ লাখ টাকা মুক্তিপন দাবি করেছে ট্রলার মালিকের নিকট। বর্তমানে জলদস্যুরা ট্রলার ও জেলেদের মহেশখালী দ্বীপের ঘড়িভাঙা এলাকার জাইরা খালে প্যারাবনের ভিতরে আটকে রেখেছে ট্রলার মালিকরা জানান।
ট্রলার মালিকরা আরও জানান, আলী আকবর ডেইল ইউনিয়নের হায়দার বাপের পাড়া এলাকা থেকে গত এক মাসে ৪০ টি ফিশিং ট্রলার জলদস্যুরা অপহরণ পূর্বক লাখ লাখ টাকা মুক্তিপন নিয়েছে। এ লোভে ঔ ট্রলারগুলি আটকে রেখেছে। এই ব্যাপারে কুতুবদিয়া উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোঃ মমিনুর রশিদের সাথে মুটোফোনে কথা হলে অপহৃত জেলেদের উদ্ধারের জন্যে কোষ্টগার্ড কুতুবদিয়া ক্যাম্পের জানানো হয়েছে।
কুতুবদিয়া থানার অফিসার্স ইনচার্জ (ওসি) জহিরুল ইসলাম খাঁন জানান, জেলেদের উদ্ধারের জন্য মহেশখালী থানায় অবহিত করার কথা বলেন।