সাগরে ডুবে যাওয়া জাহাজের গম নিলামে বিক্রি

প্রকাশ:| সোমবার, ৩১ জুলাই , ২০১৭ সময় ১০:০২ অপরাহ্ণ

লিটন কুতুবী, কুতুবদিয়া-কক্সবাজার
কুতুবদিয়া উপকূলের অদূরে ডুবে যাওয়া জাহাজের গম উত্তোলনের কাজ শুরু করেছে ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান। গত শনিবার (২৯জুলাই) সকাল থেকে দমকল বসিয়ে ডুবু জাহাজের পানি সেচ দিয়ে গম উত্তোলন করে আসছে শতাধিক শ্রমিক।

বর্তমানে জাহাজ থেকে গম তুলে নিয়ে কুতুবদিয়া উপকূলের বড়ঘোপ বাজারের পশ্চিমে সমুদ্র চরে শুকাঁনোর প্রক্রিয়া করেছে ক্রয়কারী প্রতিষ্ঠান। ক্রয়কারী প্রতিষ্ঠানের একজন মোঃ রমিজ জানান,বিগত দেড় মাস পূর্বে গত ১৬ জুন গভীর রাতে গম বোঝাই “সাতবিটা অব দোহার”নামের লাইটার জাহাজটি ৪শ’ মেট্রিক টন গম নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দর ছেড়ে যশোরের উদ্দেশ্যে যাওয়ার পথে কুতুবদিয়া দ্বীপের অদূরে চর মোস্তাফায় জাহাজটি ডুবে যায়। প্রায় দেড় মাস পর বন্দর কর্তৃপক্ষের প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ডুবু জাহাজের গম উত্তোলনের জন্য আদেশ নেন বলে ক্রয়কারী প্রতিষ্ঠানের মালিক মোঃ সাজ্জাদ মাতবর এ প্রতিনিধিকে নিশ্চিত করেন। উত্তোলন শ্রমিক নুরুল ইসলাম জানান, জাহাজটির উপর এখনো জোয়ার ভাটা বসে। দমকলের মাধ্যমে পানি সেচ দিয়ে গম উত্তোলন করা হচ্ছে। ডুবু জাহাজের গুদামে গমের সাথে বালি মিশে গেছে। জাহাজ থেকে গম উত্তোলন করে উপকূলে এনে শুঁকানো হচ্ছে। ক্রয়কারী প্রতিষ্ঠানের জালাল আহমদ জানান, ডুবু জাহাজ “সাতবিটা অব দোহায়” ৪শ মেট্রিকটন গম ছিল। জাহাজ মালিক আর গম ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান থেকে ৮লাখ টাকার বিনিময়ে জাহাজের থাকা গম তারা ক্রয় করে। বর্তমানে শতাধিক শ্রমিক নিয়োগ করে জাহাজ থেকে গম উত্তোলন করা হচ্ছে। পচা গম নিয়ে মিশ্র কথা শুনা যাচ্ছে কুতুবদিয়া উপকূলে। বিগত দেড় মাস ধরে নোনা পানিতে ডুবে থাকা গম উপকূলে শুকাঁতে গিয়ে দূর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়ায় এলাকার পরিবেশ ভারি করে তোলেছে। কিন্তু ক্রয়কারী প্রতিষ্ঠানের মালিক সাজ্জাদ জানান, নোনা পানিতে ডুবায় গম এখনো অনেক ভাল আছে। অবশ্য এ গম মাছ এবং মুরগির খাবার তৈরী কাজে ব্যবহার হচ্ছে। এ পর্যন্ত প্রায় এক’শ মেট্রিকটন গম উত্তোলন করা হয়েছে।