সাগরের তলদেশে এয়ার এশিয়ার অনুসন্ধান

প্রকাশ:| শুক্রবার, ২ জানুয়ারি , ২০১৫ সময় ১০:১৪ অপরাহ্ণ

ইন্দোনেশিয়ার জাভা সাগরে বিধ্বস্ত এয়ার এশিয়ার বিমান অনুসন্ধান কাজ রোববার পানির তলদেশে শুরু হবে। এ লক্ষ্যে বিশেষ যন্ত্রপাতি আনা হয়েছে।

ফ্রান্সের একটি তদন্ত দল বিমানের ফ্লাইট রেকর্ডার ‘ব্লাক বক্স’ শণাক্ত করতে অত্যাধুনিক শব্দ ধারণ যন্ত্র ব্যবহার করবে।

এয়ার এশিয়ার এ৩২০-২০০ নামের বিমানটি গত রোববার ১৬২ জন আরোহী নিয়ে পূর্ব জাভার সুরাবায়ার জুয়ান্দা বিমানবন্দর থেকে সিঙ্গাপুরে যাওয়ার পথে জাভা সাগরের ওপর দিয়ে যাওয়ার সময় বিধ্বস্ত হয়। বিমানটিতে সাতজন ক্রু ও ১শ’ ৫৫ জন যাত্রী ছিলেন। যাত্রীদের মধ্যে ১৩৮ জন প্রাপ্তবয়স্ক ও ১৬ শিশু রয়েছে।

নিখোঁজ যাত্রীদের মধ্যে ১৪৯ জন ইন্দোনেশিয়ার নাগরিক। নিখোঁজ বাকি ছয় যাত্রীর মধ্যে তিনজন কোরিয়ার নাগরিক। এ ছাড়া মালয়েশিয়া, ব্রিটেন ও সিঙ্গাপুরের একজন করে নাগরিক ছিলেন।

বিমান বিধ্বস্ত হওয়ার পর এখনও জীবিত কাউকে পাওয়া যায়নি এবং দুর্ঘটনার কারণ জানা যায়নি। এখন পর্যন্ত ১০ জনের লাশ উদ্ধার করে তীরে আনা হয়েছে এবং দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়া ও সাগর উত্তাল থাকায় বেশ কয়েকবার উদ্ধার অভিযান স্থগিত রাখা হয়।

উদ্ধার হওয়া লাশের মধ্যে একজনের পরিচয় জানা গেছে। তিনি বিমানের যাত্রী ছিলেন এবং তার নাম হায়াতি লুৎফিয়া হামিদ।

বিমানটি জাভা সাগরে যে তলিয়ে গেছে তা প্রায় পুরোপুরি নিশ্চিত। বিমানের বেশ কিছু ধ্বংসাবশেষ ইতোমধ্যে উদ্ধার করা হয়েছে। তবে বিমানের ফিউসলেগ এখনও পাওয়া যায়নি। কর্মকর্তারা বলছেন, বেশিরভাগ যাত্রী এর ভিতরে থাকতে পারে।

ইন্দোনেশিয়ার অনুসন্ধান ও উদ্ধার সংস্থার প্রধান বামবাং সোয়েলিসতো শুক্রবার বলেন, বোর্নিও’র উপকূলে জাভা সাগরের পাঁচ কিলোমিটারের মধ্যে বিমানের ধ্বংসাবশেষ ও লাশগুলো ছড়িয়ে পড়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। বোর্নিও’র উপকূলে জাভা সাগরের ১ হাজার ৫৭৫ নটিক্যাল বর্গমাইল এলাকাজুড়ে উদ্ধার অভিযান চালানো হচ্ছে।

তিনি বলেন, লাশ ও বিমানের ধ্বংসাবশেষ শণাক্ত করতে অগ্রাধিকার এলাকায় উদ্ধার অভিযান চালাতে ডুবুরিরা বান্দা আচেহতে নৌবাহিনীর জাহাজে প্রস্তুত রয়েছে। আমি আশা করি, আজ উল্লেখযোগ্য ফলাফল আসবে।