সাকা চৌধুরীর স্ত্রী, ছেলে ও আইনজীবীসহ সাতজনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র্র

প্রকাশ:| বৃহস্পতিবার, ২৮ আগস্ট , ২০১৪ সময় ০৮:৪৮ অপরাহ্ণ

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের রায়ের কপি ফাঁস করায় তথ্যপ্রযুক্তি আইনে দায়ের করা মামলায় বিএনপি নেতা সালাহউদ্দিন কাদের চৌধুরীর (সাকা চৌধুরী) স্ত্রী, ছেলে ও আইনজীবী ব্যারিস্টার ফখরুল ইসলামসহ সাতজনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র্র্র দিয়েছে গোয়েন্দা পুলিশ।
সাকা চৌধুরীর স্ত্রী ও আইনজীবী
গোয়েন্দা পুলিশের পরিদর্শক শাহাজাহান হোসেন বৃহস্পতিবার ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতে এই অভিযোগপত্র জমা দেন।

অভিযোগপত্রভুক্ত আসামিরা হলেন- সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর স্ত্রী ফারহাত কাদের চৌধুরী, তার ছেলে হুম্মাম কাদের চৌধুরী, সাকা চৌধুরীর আইনজীবী ফখরুল ইসলাম, ফখরুলের সহকারী মেহেদী হাসান, সাকা চৌধুরীর ম্যানেজার মাহবুবুল আহসান এবং আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের কর্মচারী নয়ন আলী ও ফারুক হোসেন।

আদালত পুলিশের প্রসিকিউশন বিভাগের অতিরিক্ত উপ কমিশনার আনিসুর রহমান জানান, আসামিদের মধ্যে ফারহাত, হুম্মাম ও মেহেদী ছাড়া বাকি আসামিরা কারাগারে রয়েছেন। ওই তিন জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির আবেদন করা হয়েছে অভিযোগপত্রে।

মামলার আসামি নয়ন ও ফারুক ইতোমধ্যে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। অভিযোগপত্রে রাষ্ট্রপক্ষে মোট ২৫ জনকে সাক্ষী করা হয়েছে।

পুলিশের দেয়া অভিযোগপত্রটি হাকিম আদালতের বিচারক সাবরিনা আলীর কাছে জমা দেয়া হয়েছে।

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় গতবছর ১ অক্টোবর বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাউদ্দিন কাদেরকে মৃত্যুদণ্ড দেয় আদালত। তবে রায়ের আগেই বিএনপি নেতার স্ত্রী ও তার পরিবারের সদস্যরা ট্রাইব্যুনালের সামনে ওয়েবসাইট থেকে সংগৃহীত ‘রায়ের কপি’ সংবাদকর্মীদের দেখান।

এরপর তুমুল আলোচনার মধ্যে ট্রাইব্যুনাল স্বীকার করে রায়ের খসড়া ফাঁস হয়েছে। ট্রাইব্যুনালের রেজিস্ট্রার বাদী হয়ে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনের ৫৪, ৫৭ ও ৬৩ ধারায় শাহবাগ থানায় মামলা করেন।

ওই মামলায় ৫ অক্টোবর ট্রাইব্যুনালের পরিচ্ছন্নতাকর্মী নয়ন ও সাঁটলিপিকার ফারুক হোসেনকে গ্রেফতার করে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশ। তাদের দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে ২০ নভেম্বর সেগুন বাগিচায় পাইওনিয়ার রোডের চেম্বার থেকে আইনজীবী ফখরুলকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়, সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর আইনজীবীর এক সহকারী বড় অঙ্কের অর্থের লোভ দেখিয়ে ট্রাইবুনালের দুই কর্মীর মাধ্যমে যুদ্ধাপরাধ মামলার রায়ের খসড়ার অংশবিশেষ বের করেন। ওই অংশটিই রায়ের দিন আদালতে সাংবাদিকদের দেখানো হয়


আরোও সংবাদ