সাউদার্ন মেডিকেল কলেজে ডা. মুজিব-ডা. ফয়সাল পরিষদ

প্রকাশ:| রবিবার, ২৭ নভেম্বর , ২০১৬ সময় ১১:০৮ অপরাহ্ণ

বিএমএ নির্বাচন প্রচারণার অংশ হিসেবে ডা. মুজিব-ডা. ফয়সাল পরিষদ সাউদার্ন মেডিকেল কলেজের সর্বস্তরের চিকিৎসক ও শিক্ষকদের সাথে সৌজন্য সাক্ষাত করে অধ্যক্ষের কার্যালয়ে মতবিনিময় করেছেন।

রোববার (২৭ নভেম্বর) মতবিনিময়কালে সাউদার্ন মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. মোশাররফ হোসেন বলেন, বেসরকারি পর্যায়ে চিকিৎসা শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়নে চট্টগ্রাম বিএমএর সহযোগিতা অত্যন্ত উৎসাহব্যঞ্জক। ষড়যন্ত্রমূলকভাবে ছাত্র ভর্তি বন্ধ করে আমাদের প্রিয় এই মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালটি ধ্বংস করার যে ষড়যন্ত্র হয়েছিল চট্টগ্রাম বিএমএর সুদক্ষ নির্দেশনা ও সহযোগিতায় তা নস্যাৎ হয়েছে এবং সাউদার্ন মেডিকেল কলেজ আজ স্বাস্থ্যশিক্ষা ও সেবায় অবদান রাখতে পারছে।
%e0%a6%a1%e0%a6%be-%e0%a6%ae%e0%a7%81%e0%a6%9c%e0%a6%bf%e0%a6%ac-%e0%a6%a1%e0%a6%be-%e0%a6%ab%e0%a7%9f%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%b2-%e0%a6%aa%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%b7%e0%a6%a6
তিনি বিএমএ নেতৃবৃন্দের প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করে তাদের পূর্ণ প্যানেলের বিজয় কামনা করেন।

পরবর্তীতে ডা. মুজিব-ডা. ফয়সল পরিষদের নেতৃবৃন্দ ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক মেডিকেল কলেজে প্রচারণা চালাতে গেলে ডেন্টাল কলেজের অধ্যক্ষ ডা. মুসলিম উদ্দিন সবুজ ও মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. আমির হোসেন স্বাগত জানান। এরপর হাসপাতাল কনফারেন্স রুমে মতবিনিময় সভায় মিলিত হন।

সভায় মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. আমির হোসেন ইসলামিক মেডিকেল কলেজের বিভিন্ন প্রশাসনিক কর্মকাণ্ডে সহযোগিতা ও চিকিৎসকদের দুঃসময়ে পাশে থাকার জন্য ধন্যবাদ জানান। তাই আসন্ন নির্বাচনে, চিকিৎসা ও চিকিৎসা পেশার স্বার্থে উক্ত প্যানেলকে নির্বাচিত করতে উপস্থিত চিকিৎসকদের আহ্বান জানান।

ডেন্টাল কলেজের অধ্যক্ষ শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. মুসলিম উদ্দিন সবুজ বলেন, বেসরকারিখাতে মেডিকেল শিক্ষার প্রসার ও স্বাস্থ্যসেবাকে ব্যাহত করার যে ষড়যন্ত্র ছিল তার বিরুদ্ধে চট্টগ্রাম বিএমএর সাহসী ভূমিকা অত্যন্ত প্রশসংনীয়। ৩ বছর আগে এই প্রতিষ্ঠান ষড়যন্ত্রের শিকার হয়ে বন্ধ হয়ে যাচ্ছিল। কিন্তু বিএমএর চিকিৎসা ও চিকিৎসকবান্ধব ভূমিকার কারণে আজ চট্টগ্রামে বেসরকারি মেডিকেল শিক্ষা ও চিকিৎসা খাতে অগ্রণী ভূমিকা রাখতে পারছে। তাই আমরা বিশ্বাস করি সচেতন চিকিৎসক সমাজের রায় ষড়যন্ত্রকারী, প্রতিষ্ঠান ধ্বংসকারী, সুযোগ-সন্ধানী ও নীতিজ্ঞান বর্জিতদের বিপক্ষেই যাবে এবং চিকিৎসক ও চিকিৎসাপেশাবান্ধব ডা. মুজিব-ডা. ফয়সল পরিষদের বিজয় সুনিশ্চিত হবে।

সভাপতির বক্তব্যে ডা. মুজিবুল হক খান বলেন, যে সব বেসরকারি উদ্যোক্তা চিকিৎসক, চিকিৎসা পেশা ও জনগণের চিকিৎসা সেবার স্বার্থে এধরনের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলেছেন, চট্টগ্রাম বিএমএ দলমতের ঊর্ধ্বে উঠে এ ধরনের চিকিৎসাসেবা প্রতিষ্ঠানের অগ্রযাত্রায় অতীতের মতো পাশে থাকবে।

সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী ডা. মো. ফয়সল ইকবাল চৌধুরী বলেন, আমরা বর্তমান বিএমএ চিকিৎসককে চিকিৎসক হিসাবেই দেখি, দলমত বিবেচনা না করে বিপদগ্রস্ত চিকিৎসক ও চিকিৎসাসেবা প্রতিষ্ঠানের পাশে ছিলাম এবং ভবিষ্যতেও থাকব। তাই ২২ ডিসেম্বরের নির্বাচনে সাফল্যের ধারাবাহিকতা ও চিকিৎসাপেশার মান সম্মান সমুন্নত রাখতে অতীতের মতো ডা. মুজিব-ডা. ফয়সল পরিষদকে নির্বাচিত করার আহ্বান জানান।

সভায় উপস্থিত ছিলেন স্বাচিপ মনোনিত প্যানেলের সহসভাপতি প্রার্থী ডা. সেলিম আখতার চৌধুরী, ডা. মনোয়ারুল হক শামীম, কোষাধ্যাক্ষ প্রার্থী ডা. মো. আরিফুল আমিন, যুগ্ম-সম্পাদক প্রার্থী ডা. মো. রবিউল করিম, সাংগঠনিক সম্পাদক প্রার্থী ডা. এসএম মুইজ্জুল আকবর চৌধুরী, বিজ্ঞানবিষয়ক সম্পাদক প্রার্থী ডা. নূর হোসেন ভূইঁয়া শাহীন, দপ্তর সম্পাদক প্রার্থী ডা. আবুল হোসেন শাহীন, প্রচার ও জনসংযোগ সম্পাদক প্রার্থী ডা. প্রণয় কুমার দত্ত, সমাজসেবা সম্পাদক প্রার্থী ডা. মো. আবুল কাশেম, সাংস্কৃতিক ও আপ্যায়ন সম্পাদক প্রার্থী ডা. সত্যজিত রায়, গ্রন্থাগার ও প্রকাশনা সম্পাদক প্রার্থী ডা. নুরউদ্দিন জাহেদ, সদস্য প্রার্থী অধ্যাপক ডা. মাহাবুব আলম, অধ্যাপক ডা. প্রদীপ কুমার দত্ত, অধ্যাপক ডা. আকবর হোসেন ভূইঁয়া, ডা. প্রীতি বড়ৃয়া, ডা. অসীম কুমার চৌধুরী, ডা. এএসএম শাহেদ পারভেজ খান, ডা. রিজোয়ান রেহান, ডা. শাহ আলম সবৃজ, ডা. হোসেন আহমদ, ডা. কামাল উদ্দিন মজুমদার এবং সেন্ট্রাল কাউন্সিলর প্রার্থী ডা. অজয় কুমার ঘোষ, ডা. মাসুদ করিম, ডা. গোলাম মোহাম্মদ তৈয়ব আলী, ডা. মো. ওয়াজেদ চৌধুরী অভি, ডা. তানজিম রেজা, ডা. সাহাবউদ্দিন সিদ্দিকী, ডা. পার্থ ভট্টাচার্য, ডা. জাস্টিন ক্লাম্প, ডা. আব্দুল্লাহ সাকী, ডা. রিপন কুমার মণ্ডল, ডা. সৈয়দ মুহাম্মদ আলাউদ্দিন শরীফ, ডা. জিএএম সালাহউদ্দিন চৌধুরী প্রমুখ।

অন্যান্যের মধ্যে ডা. পীযুষ মজুমদার, ডা. মো. শওকত হোসেন, ডা. নাজুমল হাসনাইন নওশাদ, ডা. মোহাম্মদ আবদুর রহমান, ডা. মো. জয়নাল আবেদীন মুহুরী, ডা. মোহাম্মদ জাহিদুল আলম জিকু, ডা. ইমরান আলম চৌধুরী, ডা. মুহাম্মদ সালাউদ্দীন, ডা. মোহাম্মদ আমরান উদ্দিন চৌধুরী, ডা. মোহাম্মদ মোয়জ্জেম চৌধুরী, ডা. শ্রাবণী বড়ুয়া, ডা. সাইফুদ্দিন আহমেদ, ডা. মোহাম্মদ আশেকুল ওয়াহাব চৌধুরী, ডা. বহ্নি চক্রবর্তী, ডা. আবির দাশ, ডা. মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম, ডা. মোহাম্মদ তারেকুল কাদের, ডা. মোহাম্মদ সোহেল পারভেজ সুমন, ডা. মোহাম্মদ নাফিজ আলম, ডা. সৈয়দ হোসাইন সাঈফ, ডা. ফয়সাল কবির রজার্স, ডা. ইমতিয়াজ উদ্দিন নাহিদ, ডা. মোহাম্মদ কাজী জাহেদুল্লাহ, ডা. মোহাম্মদ সাঈফুদ্দিন খালেদ, ডা. বিজয় সরকার, ডা. মোহাম্মদ নাসিরউদ্দিন পাটোয়ারী, ডা. মাহফুজুর রহমান ধীমান, ড. দিলীপ চৌধুরী , ডা. মিনহাজ মোহাম্মদ চৌধুরী, ডা. রাশেদুল ইসলাম, ডা. মোহাম্মদ ওমর ফারুক সানি ও ডা. শরীফ মোহাম্মদ তৌফিক হোসেন উপস্থিত ছিলেন।