সাংসদ মোস্তাফিজুর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে সিইউজে আল্টিমেটাম

প্রকাশ:| শুক্রবার, ২১ অক্টোবর , ২০১৬ সময় ১০:৪৫ অপরাহ্ণ

পূর্বদেশ পত্রিকার স্টাফ রিপোর্টার রাহুল দাশ নয়নকে গালাগাল এবং প্রাণনাশের হুমকির দেওয়ায় বাঁশখালীর সাংসদ মোস্তাফিজুর রহমান চৌধুরীর বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছে চট্টগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়ন(সিইউজে)।

বাঁশখালীর সরকার দলীয় সাংসদ মোস্তাফিজুর রহমানশুক্রবার বিকেলে সংবাদ মাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে সিইউজে সভাপতি রিয়াজ হায়দার চৌধুরী ও সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আলী বলেছেন, আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে নিঃশর্ত ক্ষমা না চাইলে রোববার সকাল ১১টায় চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সামনে প্রতিবাদ সমাবেশ করা হবে।

সমাবেশ থেকে কঠোর আন্দোলন কর্মসূচির ঘোষণা দেওয়া হবে বলেও বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

গত ১ সেপ্টেম্বর বাঁশখালীতে সরকারের গত একবছরের উন্নয়ন কার্যক্রমের তথ্য চেয়ে পিআইও বরাবরে আবেদন করেন সাংবাদিক রাহুল দাশ নয়ন।নির্ধারিত সময়ের পরও পিআইও তথ্য সরবরাহ না করে বিষয়টি স্থানীয় সংসদ সদস্যকে অবগত করেন।এতে ক্ষিপ্ত হয়ে গত ১৮ অক্টোবর সকালে সাংসদ মোস্তাফিজুর রহমান চৌধুরী নিজের ব্যবহৃত মোবাইল ফোন থেকে রাহুলকে কল করে অশালীন ও কুরুচিপূর্ণ ভাষায় গালাগাল এবং প্রাণনাশের হুমকি প্রদান করেন।

এ ঘটনায় ইতিমধ্যে বিএফইউজে ও সিইউজেসহ বিভিন্ন সংগঠনের পক্ষ থেকে নিন্দা ও প্রতিবাদ জানানো হয়েছে।গত বৃহস্পতিবার (২০ অক্টোবর) প্রতিকার চেয়ে জেলা পুলিশ সুপারসহ প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোতে আবেদন করেছেন সাংবাদিক রাহুল দাশ। আবেদনে সাংবাদিক রাহুল দাশ পেশাগত দায়িত্ব পালন ও জীবনের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কায় থাকার কথাও উল্লেখ করেছেন।

এর আগে চলতি বছরের পয়লা জুন ষষ্ঠ ধাপের ইউপি নির্বাচনে বাঁশখালীতে ভোটগ্রহণের দায়িত্ব পালনে নিজের অনুগত লোকজনদের প্রিজাইডিং কর্মকর্তা নিয়োগ না দেয়ায় উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. জাহিদুল ইসলামকে মারধরের অভিযোগে স্থানীয় ১৪ ইউপিতে ভোটগ্রহণ স্থগিত করে নির্বাচন কমিশন।এ ঘটনায় এমপিসহ তিনজনকে আসামি করে বাঁশখালী থানায় একটি মামলা করেন নির্বাচন কর্মকর্তা মো. জাহিদুল ইসলাম। ওই মামলায় অভিযুক্ত তিনজনই বর্তমানে জামিনে রয়েছেন।আগামী ১২ নভেম্বর বাঁশখালীর ১৩ ইউপিতে ভোটগ্রহণের নতুন তারিখ ঘোষণা করেছে ইসি।