সশস্ত্র বাহিনীর সফলতা সরকারের আস্থার কারণে

প্রকাশ:| মঙ্গলবার, ২১ নভেম্বর , ২০১৭ সময় ১১:১৭ অপরাহ্ণ

সশস্ত্র বাহিনীর যা কিছু অর্জন ও সফলতা এসেছে তা সম্ভব হয়েছে সশস্ত্র বাহিনীর ওপর সরকারের আস্থা ও প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা এবং বেসামরিক প্রশাসনের আন্তরিক সহযোগিতার মাধ্যমে।

সশস্ত্র বাহিনী দিবস উপলক্ষে মঙ্গলবার (২১ নভেম্বর) সন্ধ্যায় চট্টগ্রাম সেনানিবাসের ইবিআরসি প্যারেড গ্রাউন্ডে আয়োজিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে জিওসি ২৪ পদাতিক ডিভিশন ও এরিয়া কমান্ডার চট্টগ্রাম মেজর জেনারেল মো. জাহাঙ্গীর কবির তালুকদার এসইউপি, এডব্লিউসি, পিএসসি এসব কথা বলেন।

জেনারেল অফিসার কমান্ডিং ও এরিয়া কমান্ডার চট্টগ্রাম এরিয়া, কমান্ডার চট্টগ্রাম নৌ অঞ্চল এবং এয়ার অধিনায়ক বিমানবাহিনী ঘাঁটি জহুরুল হকের পক্ষ থেকে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

সেনানিবাসে সশস্ত্র বাহিনী দিবসে তিন বাহিনীর চট্টগ্রামের ঊধ্র্বতন কর্মকর্তারা

সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন, স্থানীয় সংসদ সদস্য দিদারুল আলম, বিভাগীয় কমিশনার মো. আবদুল মান্নান, সরকারি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, রাজনীতিক, মুক্তিযোদ্ধা, কূটনীতিক ও সেনা, নৌ ও বিমানবাহিনীর কর্মকর্তা, অবসরপ্রাপ্ত সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তাদের শুভেচ্ছা জানান মেজর জেনারেল মো. জাহাঙ্গীর কবির তালুকদার, কমান্ডার চট্টগ্রাম নৌ অঞ্চল রিয়ার অ্যাডমিরাল এম আবু আশরাফ বিএসপি, এনসিপি, পিএসসি এবং এয়ার অফিসার কমান্ডিং এয়ার কমডোর মোরশেদ হাসান সিদ্দিকী পিএসসি, জিডি (পি)। গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেনসহ তিন বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা সশস্ত্র বাহিনী দিবসের কেক কাটেন।

মেজর জেনারেল মো. জাহাঙ্গীর কবির তালুকদার বলেন, ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আহ্বানে এদেশের আপামর জনতা সশস্ত্র বাহিনীর সঙ্গে একিভূত হয়ে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল প্রিয় মাতৃভূমির স্বাধীনতার জন্য। জাতির পিতার স্বপ্ন বাস্তবায়নে তারই সুযোগ্য কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সশস্ত্র বাহিনীর সামগ্রিক উন্নয়ন ও আধুনিকায়নে সর্বদাই সর্বাধিক গুরুত্ব প্রদান করেছেন। এ লক্ষ্য অর্জনে ফোর্সেস গোল ২০৩০ এর আওতাধীন বাহিনীগুলোর জনবল বৃদ্ধি, কমান্ড সম্প্রসারণ, আধুনিক প্রযুক্তির যুদ্ধ সরঞ্জাম সংযুক্তি, উন্নত আবাসন ব্যবস্থা ও কল্যাণ ইত্যাদি কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।