সরকারি প্রতিষ্ঠানের কাছে বকেয়া দেড়’শ কোটি টাকা আদায় হবে

প্রকাশ:| রবিবার, ২ আগস্ট , ২০১৫ সময় ১১:২৬ অপরাহ্ণ

সরকারি প্রতিষ্ঠানের কাছে পাওনা প্রায় দেড়’শ কোটি টাকা বকেয়া কর আদায়ে এসব প্রতিষ্ঠানের নিয়ন্ত্রক মন্ত্রণালয়ের দ্বারস্ত হবেন বলে ‍জানিয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দিন।

সরকারি প্রতিষ্ঠানের কাছে বকেয়া দেড়’শ কোটি টাকা আদায় হবেরোববার নগরীর থিয়েটার ইনস্টিটিউটে করপোরেশনের রাজস্ব শাখার কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় এ কথা জানান তিনি।

সিটি করপোরেশনের হিসাব অনুযায়ী, সরকারি ১ হাজার ৬৫০টি হোল্ডিংয়ের বিপরীতে বকেয়া গৃহকর ১৫১ কোটি ৩৮ লাখ ৯১ হাজার ৮৮০টাকা। ২৭টি মন্ত্রণালয়ের অধীন বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠানের কাছে বিশাল অংকের এ কর পাবে সিটি করপোরেশন।

বকেয়া কর আদায়ে গত বছরের নভেম্বরে ২৮টি মন্ত্রণালয়ের সচিবদের কাছে চিঠি দিয়েছিল চসিক।

আ জ ম নাসির উদ্দীন বলেন,‘সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর কর আদায়ে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতা নেয়া হবে। বেসরকারি কর যথানিয়মে আদায় করতে হবে।’

বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তির কাছে সিটি করপোরেশনের গৃহকর পাওনা ৬২কোটি ৮৯ লাখ ৮৫ হাজার ২৩৮ টাকা।

মতবিনিময় সভায় কর কর্মকর্তাদের কাছে রাজস্ব আদায় বাড়াতে করণীয় জানতে চান মেয়র। কর কর্মকর্তারা বিভিন্ন পরামর্শ দেন। বিভাগীয় বিভিন্ন সমস্যাও তুলে ধরেন তারা। এক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অন্য কর্মকর্তা অভিযোগ পাল্টা অভিযোগও করেন।

সব কথা মনযোগ দিয়ে শুনেন মেয়র। কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উদ্দেশ্য তিনি বলেন,‘প্রশাসনিক শৃংখলা বজায় রাখতে হবে। চেইন অব কমান্ড মেনে চলতে হবে। চাকুরীর ক্ষেত্রে দলীয় পরিচয়, ধর্ম-বর্ণ, গোত্র ও সম্প্রদায় কোন বিবেচ্য বিষয় হবে না। কর্মক্ষেত্রে যার যার দায়িত্ব ও কর্তব্য শতভাগ স্বচ্ছতা, নিষ্টা ও জবাবদিহীতার ভিত্তিতে পালন করতে হবে। ’

কর্মস্থলে পরস্পর শালীন ব্যবহার করারও নির্দেশ দেন তিনি।

রাজস্ব আদায়ে চৌকষ কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পুরস্কৃত করা হবে বলে জানান মেয়র। তিনি বলেন,‘যেসব কর্মকর্তা সন্তোষজনক কর আদায় করতে পারবে না তাদেরকে শাস্তির আওতায় আনা হবে।’

অ্যাসেসমেন্ট পদ্ধতি সহজ করে করদাতাদের সঙ্গে সুন্দর আচরণের মাধ্যমে কর আদায় করতে কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেন মেয়র।

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা কাজী মোহাম্মদ শফিউল আলমের সভাপতিত্বে সভায় মেয়রের একান্ত সচিব মোহাম্মদ মনজুরুল ইসলাম, প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা আহমদুল হক, রাজস্ব কর্মকর্তা সামসুল আলম সহকারি এস্টেট কর্মকর্তা এখলাছ উদ্দিন আহমদসহ টিও, ডি টি ও এবং কর আদায়কারীরা মত বিনিময় সভায় অংশ নেন।