‘সরকারি কাজে হস্তক্ষেপ করি না: রেহানা,নতুন মন্ত্রিসভার কাজ সহজ হয়ে গেছে: জয়

প্রকাশ:| রবিবার, ১২ জানুয়ারি , ২০১৪ সময় ১১:৪৭ অপরাহ্ণ

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ছোট মেয়ে ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছোট বোন শেখ রেহানা বলেছেন, তিনি কখনো সরকারি কাজে হস্তক্ষেপ করেন না। তিনি বঙ্গবন্ধুর মেয়ে, এটাই তাঁর বড় পরিচয়।

আজ রোববার বঙ্গভবনে প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিপরিষদের শপথ অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে শেখ রেহানা এ মন্তব্য করেন। শপথ অনুষ্ঠানের পর মার্কিন রাষ্ট্রদূত ড্যান ডব্লিউ মজীনা, জাতীয় পার্টির (জেপি) প্রধান আনোয়ার হোসেন মঞ্জুসহ অনেকেই সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন।

এক প্রশ্নের জবাবে শেখ রেহানা বলেন, ‘আমি বঙ্গবন্ধুর কন্যা, এটাই বড় পরিচয়। আমার কী লাগে? আমাকে কেন সরকারে অংশ নিতে হবে? আমি সরকারি কাজে অংশ নিতে চাই না। কখনো সরকারি কাজে হস্তক্ষেপ করি না।’

এক প্রশ্নের জবাবে শেখ রেহানা তাঁর বড় বোন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রসঙ্গে বলেন, ‘উনি শুধু আমার বোন না—মা-বাবা, ভাইবোন সব। ১৫ আগস্টের নির্মম ঘটনার পর দুই বোন একে ওপরের চোখের পানি মুছতাম। আমি তাঁর থেকে অনেক ছোট। তার পরও অনেক সময় অভিভাবকের মতো আচরণ করতে হয়েছে। আপাকে বলতে হয়েছে, “এটা ঠিক হচ্ছে না, এটা ভুল।” আপনাদের সবার কাছে দোয়া চাই— তাঁর (শেখ হাসিনার) যে প্রত্যয়, যে দৃঢ়তা, সেটা যেন বজায় থাকে।’

নতুন সরকারের চ্যালেঞ্জের বিষয়ে আওয়ামী লীগের সভানেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয় বলেছেন, এ মন্ত্রিসভার কাজ অনেকটা সহজ হয়ে গেছে। বিদ্যুত্সহ বিভিন্ন খাতে দেশে যে চ্যালেঞ্জগুলো ছিল, তার অধিকাংশই সমাধান হয়ে গেছে। এখনকার মন্ত্রিসভার কাজ দেশকে সামনে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া।
আজ রোববার বিকেলে বঙ্গভবনে নতুন মন্ত্রিসভার শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে যোগদান শেষে তিনি সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন।

সজীব ওয়াজেদ বলেন, ‘আমার কাজ ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়া। দেশে আইটি শিল্প গড়ে তোলা হবে। আমার লক্ষ্য, আইটি খাতে এক বিলিয়ন ডলারের মার্কেট তৈরি করা।’ নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, নির্বাচনকালীন সময়ে সংঘাত-সহিংসতা না থাকলে আরও বেশি মানুষ ভোট দিত।
সজীব ওয়াজেদ বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধের সময় যারা বাংলাদেশকে সমর্থন করেনি, তারা যদি এখনো নির্বাচন ও সরকারকে সমর্থন না করে, তবে আমাদের কী করার আছে। নির্বাচন ও সরকার বাংলাদেশের মানুষের কাছে গ্রহণযোগ্য হয়েছে কি না, এ দেশের মানুষ গ্রহণ করেছে কি না, সেটাই সবচেয়ে বড় কথা।