সমুদ্র সম্পদের প্রতি গুরুত্ব দিতে হবে

নিউজচিটাগাং২৪/ এক্স প্রকাশ:| বৃহস্পতিবার, ২২ মার্চ , ২০১৮ সময় ০৮:২৯ অপরাহ্ণ

চুয়েটে দু’দিনব্যাপী পানিসম্পদ বিষয়ক জাতীয় কনফারেন্স সম্পন্ন
“অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির বর্তমান ধারা অব্যাহত রাখতে ” – চুয়েট ভিসি

চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট)-এর মাননীয় ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ রফিকুল আলম বলেছেন, টেকসই উন্নয়নের জন্য জাতীয় প্রবৃদ্ধির ধারাবাহিকতা খুবই জরুরি। এ ধারাবাহিকতা অব্যাহত রাখতে হলে সীমিত সম্পদের সর্বোচ্চ ব্যবহারের পাশাপাশি বিকল্প খুঁজতে হবে। তবেই আমাদের উন্নয়নের চিত্র দৃশ্যমান হবে। সম্প্রতি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ঐকান্তিক দুরদর্শীতায় আমরা ভারত ও মায়ানমার থেকে বিশাল সমুদ্রসীমার অধিকার অর্জন করেছি। সেক্ষেত্রে পানিসম্পদ ও সমুদ্রসম্পদ হতে পারে সম্ভাবনার নতুন দিগন্ত। আমাদের পুরকৌশল ও পানিসম্পদ প্রকৌশলীদের এ বিষয়ে বিশেষ গুরুত্ব দিতে হবে। তিনি অদ্য ২২ মার্চ (বৃহস্পতিবার), ২০১৮ খ্রি. চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট)-এর পুর ও পানিসম্পদ কৌশল বিভাগ আয়োজিত “ন্যাশনাল কনফারেন্স অন ওয়াটার রিসোর্সেস ইঞ্জিনিয়ারিং (ঘঈডজঊ-২০১৮)” শীর্ষক এক জাতীয় কনফারেন্সের সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন। চুয়েটের পুর ও পানিসম্পদ কৌশল বিভাগ পুরকৌশল বিভাগের সেমিনার কক্ষে দু’দিনব্যাপী উক্ত কনফারেন্সের আয়োজন করে।

পুর ও পানিসম্পদ কৌশল বিভাগের প্রধান এবং কনফারেন্স চেয়ার অধ্যাপক ড. আয়শা আখতারের সভাপতিত্বে উক্ত কনফারেন্সের সমাপনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন পুরকৌশল কৌশল অনুষদের ডীন অধ্যাপক ড. মোঃ আব্দুর রহমান ভূঁইয়া ও ডায়মন্ড সিমেন্ট লিমিটেডের সেল্স এন্ড মার্কেটিং বিভাগের উপ-ব্যাপস্থাপনা পরিচালক (ডিজিএম) জনাব আবদুর রহিম। পুরকৌশল বিভাগের সহকারী অধ্যাপক শ্যামল আচার্যের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন পুর ও পানিসম্পদ কৌশল বিভাগের প্রভাষক এবং কনফারেন্সের জয়েন্ট-সেক্রেটারি জনাব মোঃ শোভন হালদার। এছাড়া কনফারেন্সের সমাপনী দিনে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের পানিসম্পদ বিভাগের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে ওয়াটার কুইজ, ফটোগ্রাফিক প্রতিযোগিতা ও পোস্টার প্রেজেন্টেশন অনুুষ্ঠিত হয়। উল্লেখ্য, কনফারেন্সে চট্টগ্রামের কর্ণফুলী নদী নিয়ে ১১টি এবং হালদা নদী বিষয়ে ৪ টি বিশেষ প্রবন্ধ উপস্থাপিত হচ্ছে। এছাড়া কনফারেন্সে পৃথক ৬ টি টেকনিক্যাল সেশনে মোট ৬৯ টি প্রবন্ধ উপস্থাপিত হয়েছে। এতে দেশের ১৫ বিশ্ববিদ্যালয় এবং ৬টি সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মোট ১৭৪ জন শিক্ষক ও গবেষক অংশগ্রহণ করেন।


আরোও সংবাদ