সন্দ্বীপে ১২ কিমি বেড়িবাধ ভেঙ্গেঁ পানি ঢুকে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি

প্রকাশ:| রবিবার, ২২ মে , ২০১৬ সময় ১১:৫২ অপরাহ্ণ

সন্দ্বীপে প্রায় ১২ কিলোমিটার বেড়িবাধ ভেঙ্গেঁ জোয়ারের পানি ঢুকে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। পানিবন্দী অবস্থায় আছেন অর্ধ লক্ষাধিক মানুষ। জোয়ারের পনি ঢুকে প্রায় ১২শ মাছের প্রজেক্ট ভেসে গেছে। প্রচণ্ড ঝড়ো হাওয়ায় দ্বীপের প্রায় ১০ হাজার ঘর-বাড়ি বিধ্বস্ত হয়েছে। রাস্তা-ঘাট, শত শত মৎস্য খামার, ফসলী জমিসহ ব্যাপক ক্ষতির সম্মুখীন হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। ঘূর্ণিঝড়ের আতংক কেটে গেলেও উঁচু জোয়ারের আশঙ্কায় এখনও বিভিন্ন শেল্টারে প্রায় ১৮ হাজার মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ে আছেন।

স্থানীয় সূত্র জানায়, ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে বিচ্ছিন্ন দ্বীপ উড়িরচর, দীর্ঘাপাড়ের অধিকাংশ স্থান ৫-৬ ফুট পানির নিচে তলিয়ে গেছে। এছাড়া পৌরসভা, মগধরা, আমানউল্যা,কালাপানিয়া, রহমতপুর, সারিকাইত, হরিশপুরের নিম্নাঞ্চলসমূহ প্লাবিত হয়েছে। গাছুয়া, সন্তোষপুর, মাইটভাঙা, বাউরিয়া, হারামিয়া,মুছাপুরের সাগর তীরবর্তী এলাকাও প্লাবিত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। প্রবল জোয়ারের স্রোতে বেড়িবাঁধগুলো ছিঁড়ে বিভিন্ন বসত বাড়ি ও মৎস্য খামার ভেসে গেছে।

উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মাঈন উদ্দিন মিশন জানান, ঘূর্ণিঝড়ে কাছিয়াপাড় গ্রামে বেড়িবাঁধে অবস্থিত প্রায় শতাধিক বাড়ির ক্ষতি হয়েছে। রহমতপুর স্টীমার ঘাট এলাকায় বেড়িবাঁধ ছিঁড়ে লোকালয়ে পানি প্রবেশ করেছে। মগধরা ষোলশহর এলাকার পূর্ব পাশে প্রায় আধা কিমি. বেড়িবাঁধ ছিঁড়ে লোকালয়ে পানি প্রবেশ করেছে। এছাড়া তিনি বেড়িবাঁধের ৮-১০টি পয়েন্ট প্রায় ১০ কি.মি বেড়ীবাঁধ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। চাহিদার তুলনায় সরকারি ত্রাণসামগ্রীর পরিমাণ নগণ্য হওয়ায় বন্যার্তদের মধ্যে ত্রাণের জন্য হাহাকার চলছে।’

এদিকে উপজেলা মৎস্য অফিস সূত্রে জানা গেছে, দ্বীপের প্রায় ৩৫০টি মৎস্য খামারের আনুমানিক ১২ কোটি টাকার মাছ জোয়ারের পানিতে মিশে গেছে। উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, সৃষ্ট জোয়ারে ৩২৭০ হেক্টর জমির প্রায় ২ কোটি ৮৬ লক্ষ টাকার ফসলের ক্ষতি হয়েছে।


আরোও সংবাদ