সন্দেহজনক হলে নজরদারি

প্রকাশ:| বৃহস্পতিবার, ১৪ জুলাই , ২০১৬ সময় ১১:২৭ অপরাহ্ণ

জঙ্গি সংশ্লিষ্টতা আছে কিনা তা নিরূপণে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘সন্দেহজনক’ শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নজরদারিতে আনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

বৃহস্পতিবার বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত নিরাপত্তা সংক্রান্ত এক জরুরি বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত হয়।

বুধবার চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জঙ্গি মোকাবেলায় সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানানোর পর বিশ্ববিদ্যালয়ে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হলো।

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. ইফতেখার উদ্দিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে তার সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত বৈঠকে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. শিরীণ আখতার, রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) অধ্যাপক ড. কামরুল হুদা, প্রক্টর মোহাম্মদ আলী আজগর চৌধুরী, সহকারী প্রক্টরবৃন্দসহ পুলিশ ও গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

সভা সূত্র জানায়, জঙ্গি সংশ্লিষ্টতা আছে কিনা তা নিরূপণে বিশ্ববিদ্যালয়ের সন্দেহজনক শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নজরদারিতে আনার সিদ্ধান্তের পাশাপাশি কোনো শিক্ষার্থী নিখোঁজ আছে কিনা, ক্লাসে বেশিদিন অনুপস্থিত থাকে কিনা কিংবা দীর্ঘদিন অনুপস্থিত থাকার পর পুনরায় পুনর্ভর্তি হচ্ছে কিনা তা বের করতে বিভাগ-ইনস্টিটিউটগুলোর সভাপতির সঙ্গে বৈঠকে বসারও সিদ্ধান্ত হয়েছে।

এ ছাড়া ক্যাম্পাসে প্রবেশ ও বের হওয়ার পথগুলো এবং নির্জন স্থানগুলোতে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার, ক্যাম্পাসে নিষিদ্ধ সংগঠনগুলোর অস্তিত্ব আছে কিনা তা নিরূপণ, সার্বক্ষণিক পুলিশি টহল বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সভায় উপস্থিত একজন শিক্ষক বলেন, ‘সন্দেহজনক ও অতীতে বিভিন্ন নেতিবাচক কাজের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগ ওঠা শিক্ষকদের নজরদারিতে আনার সিদ্ধান্তটি আজ থেকে বাস্তবায়ন শুরু হয়ে গেছে। এছাড়া অন্য সিদ্ধান্তগুলোও বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সহযোগিতায় বাস্তবায়ন করতে উদ্যোগ নিয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশ অনুসারে কোনো শিক্ষার্থী নিখোঁজ আছে কিনা কিংবা ক্লাসে অনুপস্থিত থাকার হার বের করতে বিভাগীয় সভাপতির সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয় খোলার পর বৈঠকে বসবেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য।’

ঈদের ছুটি শেষে বিশ্ববিদ্যালয় খুলবে ১৭ জুলাই।