সন্ত্রাসমুক্ত বিশ্ব গড়ার প্রত্যয়ে শুরু প্রতীকী জাতিসংঘ সম্মেলন

প্রকাশ:| বৃহস্পতিবার, ১৯ জানুয়ারি , ২০১৭ সময় ১০:০৬ অপরাহ্ণ

সন্ত্রাসমুক্ত পৃথিবী গড়ার প্রত্যয় নিয়ে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে বসেছে প্রতীকী জাতিসংঘ সম্মেলন। বৃহস্পতিবার (১৯ জানুয়ারি) বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদ অডিটোরিয়ামে উদ্বোধনী অধিবেশনের মাধ্যমে শুরু হয় সিইউমুনার এই সম্মেলন।

চার দিনব্যাপী এ সম্মেলনে থাইল্যান্ড, নেপাল, ভারত, আফগানিস্তানসহ বাংলাদেশের প্রায় ৪১টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীসহ ডাক্তার,সাংবাদিক ও বিভিন্ন পেশার মানুষ অংশ নিচ্ছেন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় প্রতীকী জাতিসংঘ সম্মেলন ২০১৭ এর চিফ প্যাট্রন ও বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. ইফতেখার উদ্দিন চৌধুরী।

উপাচার্য বলেন, সাম্প্রতিককালে উচ্চবিত্ত পরিবারে জন্ম নেওয়া তরুণেরা উগ্রপন্থার দিকে ঝুঁকে পড়ছে। এই প্রবণতার প্রতিক্রিয়া হিসেবে তরুণদের আয়োজিত এ ধরনের সম্মেলন সন্ত্রাসবাদের বিকাশের পথ বন্ধ করবে। কর্মজীবনে নিজেদের দক্ষ হিসেবে দেখতে প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার পাশাপাশি সহশিক্ষা কার্যক্রমে সক্রিয় অংশগ্রহণের কোনো বিকল্প নেই।

বিশেষ অতিথি মানবাধিকার কমিশন চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটনের চেয়ারম্যান মো. সিরাজুল ইসলাম বলেন, তরুণদের সৃজনশীল কর্মকাণ্ডে উৎসাহিত করতে সমাজের উঁচুতলায় মানুষদের এগিয়ে আসতে হবে, তাহলেই তরুণদের বিপথগামিতা থেকে সরিয়ে আনা যাবে।

প্রতীকী জাতিসংঘ ধারণাটি নিয়ে বলতে গিয়ে অধিবেশনের বিশেষ অতিথি জাতিসংঘ যুব ও ছাত্র সংস্থা,বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট মো. মামুন মিয়া বলেন, এ ধরনের সম্মেলনে তরুণরা চার দিন ধরে বৈশ্বিক বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে আলোচনা করে সমস্যা সমাধানের উপায় খুঁজে বের করে আনার চেষ্টা করেন। যা সম্মেলন পরবতী সময়ে জাতিসংঘে সুপারিশ হিসেবে প্রেরণ করা হয়।

সম্মেলনের উদ্দেশ্য কী এমন প্রশ্নের জবাবে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় প্রতীকী জাতিসংঘ সম্মেলন ২০১৭ এর মহাসচিব আমজাদ হোসেন দিনার বলেন, প্রতীকী জাতিসংঘ সম্মেলনে অংশগ্রহণ করার মাধ্যমে নেতৃত্ব, সমঝোতা ও কূটনৈতিক দক্ষতা বাড়ানোর পাশাপাশি সমসাময়িক বৈশ্বিক সমস্যাগুলো সম্পর্কে তরুণদের চিন্তাধারা ফুটে ওঠে।

সম্মেলনের অধিবেশন সভাপতি ও সিউমুনার ট্রাস্টি চেয়ারম্যান এসএম মোত্তাকীন বলেন, এই বিশ্ব পরিস্থিতিতে সন্ত্রাসবাদকে নতুন করে সংজ্ঞায়নের প্রয়োজনীয়তা দেখা দিয়েছে এবং এই কাজে তরুণদের সক্রিয় সম্পৃক্তার কোনো বিকল্প নেই।

আগামী ২২ জানুয়ারি সমাপনী অধিবেশনের মাধ্যমে জাতিসংঘের আদলে প্রতীকী এই সম্মেলন শেষ হওয়ার কথা রয়েছে।


আরোও সংবাদ