সত্য বললে জেলে যেতে হয় : এরশাদ

প্রকাশ:| শনিবার, ২৪ আগস্ট , ২০১৩ সময় ০৪:২৯ অপরাহ্ণ

এরশাদ“আজ সত্য কথা বলা যায় না। সত্য কথা বললে জেলে যেতে হয়। তবে সত্য একদিন প্রকাশ হবেই।”- বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ।

শনিবার সকালে গুলশানের একটি হোটেলে প্রাক্তন ছাত্র সমাজ ফোরামের ঈদ পুর্নর্মিলনী ও আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি আরও বলেন, “আমি বলবো না সরকারের জনপ্রিয়তা শূন্যের কোটায়, তবে সরকারের জনপ্রিয়তা কমে গেছে।”

এরশাদ বলেন, “বর্তমান নির্বাচন কমিশন (ইসি) দিন দিন ক্ষমতা হারাচ্ছে। যদি ইসি দিন দিন ক্ষমতা হারায় তাহলে এই কমিশন দিয়ে আমরা কী করবো। ইসি’র ওপর যদি জনগণের আস্থাই না থাকে তাহলে আমরা এই কমিশনের অধীনে নির্বাচনে যাবো না।”

অনুষ্ঠান সভাপতিত্ব করেন ফোরামের সভাপতি প্রেসিডিয়াম সদস্য এস এম ফয়সল চিশতী। পরিচালনা করেন সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট রেজাউল ইসলাম ভূইয়া।

সাবেক প্রধানমন্ত্রী কাজী জাফর আহমেদ বলেন, “রাজনীতিতে জাতীয় পার্টি ফ্যাক্টর হয়ে উঠছে। এজন্য জাতীয় পার্টির বিরুদ্ধে পত্র-পত্রিকায় নানা ধরনের লেখা আসছে। এতে আমাদের হতাশ হলে চলবে না। হতাশ হওয়ার কিছু নেই। রাজনীতিতে আমরা ফ্যাক্টর বলেই আমাদের নিয়ে লেখা হয়, তা না হলে আমরা পলিটিক্যালি ডেড হয়ে যেতাম।”

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে মহাসচিব এ বি এম রুহুল আমীন হাওলাদার বলেন, “আজকে সংকট নিরসনের জন্য জাতিসংঘের মহাসচিব দুই নেত্রীকে টেলিফোন করছেন। অথচ জাতির সামনে একজন উন্নয়নের মডেল পরে আছে। এরশাদ সাহেব তো অনেক আগেই দুই নেত্রীকে সমঝোতার জন্য চিঠি দিয়েছেন। দুই নেত্রী দেশ পরিচালনায় ব্যর্থ ও ক্লান্ত। আপনারা ক্ষমতা ছেড়ে দিয়ে হুসেইন মুহম্মদ এরশাদকে দায়িত্ব দিন, দেখবেন দেশের অবস্থা পরিবর্তন হয়ে গেছে। জাতির সংকট দূর হয়ে গেছে।”

প্রেসিডিয়াম সদস্য জিয়াউদ্দিন বাবলু বলেন, “অনেকে বলেন এরশাদ দুই ধরনের কথা বলেন, এটা ঠিক না। রাজনীতি মানে সমঝোতা, সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলা। এরশাদ সাহেব সময়ের সঙ্গে, দেশের প্রেক্ষাপটের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলেন। এটা দুই ধরনের কথা নয়।”

এ সময় উপস্থিত ছিলেন প্রেসিডিয়াম সদস্য এম এ সাত্তার, ফকির আশরাফ, এম.এ কাশেম, মোস্তফা জামাল হায়দার, তাজুল ইসলাম চৌধুরী, অ্যাডভোকেট শেখ সিরাজুল ইসলাম, রওশন আরা মান্নান, কোষাধ্যক্ষ মেজর অব. খালেদ আখতার প্রমুখ।