সঞ্জয়ের অতিরিক্ত দুই সপ্তাহের ছুটি বাড়ল

প্রকাশ:| বুধবার, ১৬ অক্টোবর , ২০১৩ সময় ১২:৩১ অপরাহ্ণ

সঞ্জয় দত্তঅস্ত্র মামলায় দণ্ডপ্রাপ্ত বলিউডের অভিনেতা সঞ্জয় দত্ত শারীরিক অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে ছুটির আবেদন করলে তাঁকে ১৪ দিনের ছুটি দেয় ইয়েরাওয়াড়া কারা কর্তৃপক্ষ। ১ অক্টোবর পুনের ইয়েরাওয়াড়া কারাগার থেকে মুম্বাইয়ে নিজ বাসায় যাওয়ার সুযোগ পান বলিউডের অন্যতম প্রভাবশালী এ তারকা অভিনেতা। চিকিত্সাপ্রক্রিয়া শেষ না হওয়ার কারণ দেখিয়ে পরে অতিরিক্ত দুই সপ্তাহের ছুটির আবেদন করেন সঞ্জয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে তাঁকে আরও ১৪ দিন ছুটি দেওয়ার সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করেছে ইয়েরাওয়াড়া কারা কর্তৃপক্ষ।

বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত খবরে বলা হয়েছিল, প্যারোলে মুক্তি পেয়েছেন সঞ্জয়। কিন্তু আইনের ভাষায় এটাকে প্যারোল বলা যায় না। আদালত যদি সঞ্জয়ের আবেদন আমলে নিয়ে তাঁকে কারাগার ত্যাগের অনুমতি দিতেন, তবে সেটাকে প্যারোল বলা যেত। কিন্তু সঞ্জয়কে কারাগার ত্যাগের অনুমতি দিয়েছে কারা কর্তৃপক্ষ। এটাকে ‘ফারলহ’ বলা হয়। সম্প্রতি এক খবরে এ তথ্য জানিয়েছে ওয়ান ইন্ডিয়া।

সহজ কথায়, শারীরিক অসুস্থতার কারণে ছুটিতে কারাগার ত্যাগের সুযোগ পেয়েছেন সঞ্জয়। কারাবন্দী জীবন থেকে সাময়িক মুক্তি পাওয়ার পর মুম্বাইয়ের পালি হিলের বাসায় পরিবারের সবার সঙ্গে দারুণ সময় কাটছে তাঁর।

প্রসঙ্গত, ১৯৯৩ সালের মার্চ মাসে মুম্বাইয়ে ধারাবাহিকভাবে বেশ কয়েকটি স্থানে ১২টি শক্তিশালী বোমা বিস্ফোরিত হয়েছিল। ওই ভয়াবহ বিস্ফোরণে ২৫৭ জন নিহত হয়। আর আহত হয় ৭০০ জনের বেশি। ভয়াবহ ওই সহিংসতার এক মাস পর বিস্ফোরণ মামলার সঙ্গে সম্পৃক্ততা থাকা ও বাড়িতে অবৈধ অস্ত্র রাখার অভিযোগে সঞ্জয়কে গ্রেপ্তার করে মুম্বাই পুলিশ।

এ ঘটনায় সম্পৃক্ত থাকার সন্দেহে সঞ্জয় দত্তের বাড়ি তল্লাশি করে লাইসেন্সবিহীন একটি নাইন এমএম পিস্তল এবং একটি একে-৫৬ রাইফেল খুঁজে পায় পুলিশ। পরবর্তী সময়ে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে যুক্ত থাকার অভিযোগ থেকে নিষ্কৃতি পেলেও বাড়িতে অবৈধ অস্ত্র রাখার দায়ে ২০ বছর আগের মামলায় গত ২১ মার্চ সঞ্জয়কে পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেন ভারতের সর্বোচ্চ আদালত।

গত ১৬ মে আদালতে আত্মসমর্পণের পর প্রথমে মুম্বাইয়ের আর্থার রোড কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয় সঞ্জয়কে। সেখানে ছয় দিন বন্দী থাকার পর তাঁকে ইয়েরাওয়াড়া কারাগারে স্থানান্তর করা হয়। এই মামলায় আগে দেড় বছর সাজা খেটেছেন সঞ্জয়। এই হিসাবে ২০১৬ সালের নভেম্বর মাস পর্যন্ত তাঁকে ইয়েরাওয়াড়া কারাগারে বন্দী থাকতে হবে।


আরোও সংবাদ