সচেতনতা প্রাণহানী কমাবে, পাশাপাশি দরকার পর্যাপ্ত সাইক্লোন সেল্টার

নিউজচিটাগাং২৪/ এক্স প্রকাশ:| রবিবার, ২৯ এপ্রিল , ২০১৮ সময় ০৭:১০ অপরাহ্ণ

“সেই ভায়াল ২৯ এপ্রিল আজো আমাদের কাঁদায়” শীর্ষক বিশেষ আলোচনাসভায় বক্তারা

নিজস্ব প্রতিবেদক, নিউজচিটাগাং :: ১৯৯১ সালের এই দিনে প্রলয়ংকারী ঘুর্ণিঝড়ের আঘাতে চট্টগ্রামের উপকুলীয় অঞ্চল লণ্ডভণ্ড হয়ে পরিণত হয়েছিল বিরাণভূমিতে। ভয়াবহ ওই ঘূর্ণিঝড়ে মারা যায় প্রায় একলাখ ৬০ হাজার মানুষ। সম্পদহানি হয়েছিল চার হাজার কোটি টাকারও বেশি। বিভিন্নভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল প্রায় ৬০ লাখ মানুষ।

সেই ভয়াল ২৯ এপ্রিল স্মরণে “সেই ভায়াল ২৯ এপ্রিল আজো আমাদের কাঁদায়” শীর্ষষক বিশেষ আলোচসভার আয়োজন করে নিউজচট্টগ্রাম২৪ ফ্যান ক্লাব। যুব সাহিত্য ফোরাম-পতেঙ্গা আইডিয়াল ট্রাস্টের সহযোগিতায় পতেঙ্গা আইডিয়াল স্কুল প্রঙ্গনে লেখক গবেষক ও নিউজচট্টগ্রাম এর উপদেষ্টা সম্পাদক শামসুদ্দীন শিশির এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয় । ২৯শে এপ্রিল রোববার বিকেলে সাংবাদিক বাবুল হোসেন বাবলার পরিচালনায় মূল প্রবন্ধ তুলে ধনের নিউজচট্টগ্রাম২৪ এর ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক লেখক- সাংবাদিক মির্জা ইমতিয়াজ শাওন। এতে উপস্থিত হয়ে ৪০নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর হাজী জয়নাল আবেদীন, বিশেষ অতিথি পতেঙ্গা আইডিয়াল স্কুল এন্ড কলেজ’র অধ্যক্ষ এস.এম দিদারুল আলম, আলোর পথে- যুব সাহিত্য ফোরামের সহ-সম্পাদক মোঃ শাহেদ, মোঃ সালাহ উদ্দিন, ব্যবসাহী-মোঃ হারুন অর-রশিদ, শিক্ষক গোলাম রহমান, এন.এ রুবেল, মাওঃ শিহাব উদ্দিন, অন্যান্যর মধ্যে বাবুল হক, নাহিদা আক্তার, ইসরাত জাহান, মর্জিনা বশর শান্তা,শাহাজাদা,তারেক প্রমুখ। এ সময় বক্তারা বলেন উপকূলের মানুষকে অনেক বেশি সচেতন হতে হবে এত প্রাণহানী কমবে। বানাতে হবে টেকসই ও মান সম্মত সাইক্লোন সেল্টার। সিসি ব্লকসহ টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণ করা একান্ত জরূরী। ২৯ এপ্রিল জীববৈচিত্র্য ও পরিবেশের ওপর মারাত্মক প্রভাব ফেলেছিল। লোনাপানি জমির উর্বরা শক্তি নষ্ট করে দিয়েছিল। বক্তারা বলেন ২৯ এপ্রিল জীববৈচিত্র্য ও পরিবেশের ওপর মারাত্মক প্রভাব ফেলেছিল। লোনাপানি জমির উর্বরা শক্তি নষ্ট করে দিয়েছিল। ১৯৯১ সালের আগে পতেঙ্গা উপকূলে প্রচুর তরমুজ উৎপাদিত হতো। ঘূর্ণিঝড়ের পর সেখানে আর তরমুজ হয় না। আমরা সচেতন হলে ও পরিবেশের ভার সাম্য রক্ষা করলে জলোচ্ছ্বাসে ১৯৯১ সালের মতো জানমালের ক্ষয়ক্ষতি হবে না। সুতরাং পরিবেশের ক্ষতি না করে নগরায়ন করতে হবে। পতেঙ্গাসহ উপকূলের উপযোগী করে আমাদের আবকাঠামো ও অনান্য প্লেন বাস্তবায়ন করতে হবে। বক্তারা আরো বলেন বর্ততমানে পতেঙ্গায় বিল্ডিং এর প্লেন দেয়া হচ্ছে না এতে হরে সাধারণ মানুষ দুযোগে ক্ষতির মুখে পড়তে পারে পক্ষান্তরে প্রভাবশালীরা বড় বড় অট্টালিকা কিভাবে বানিয়ে ফেলছে তা বুঝার কোন সুযোগ নেই। এ বিষয়ে সকলের জন্য সমান সুযোগ ও পরিকল্পিত ভবন নির্মমানে সিডিএকে নজর দিতে হবে। সবুজ বেষ্টনী রক্ষা করতে হবে এবং বেশি বেশি গাছ লাগাতে হবে।
আলোচনা সভা ছাড়াও দোয়া মিলাদ মাহফিল, আলোচনা সভা, চিত্রপ্রদর্শনী এবং পতেঙ্গা সমূদ্র সৈকতে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়।


আরোও সংবাদ