সকালে নাস্তাটা ফ্রেশ, কিন্তু টেবিলে পত্রিকাটাই কেবল থাকছে বাসি

প্রকাশ:| শনিবার, ৩১ অক্টোবর , ২০১৫ সময় ১১:৫৪ অপরাহ্ণ

সকালে নাস্তাটা ফ্রেশ, কিন্তু টেবিলে পত্রিকাটাই কেবল থাকছে বাসি। সেখানে যা লেখা রয়েছে, সেগুলো আগের দিনই আমরা অনলাইনে জেনে যাচ্ছি। এছাড়াও মধ্যরাতে ঘটে যাওয়া ঘটনার সংবাদগুলো পত্রিকায় প্রকাশ পাচ্ছে না। ফলে তা হয়ে যাচ্ছে আরও বাসি। ধীরে ধীরে পত্রিকার অবসান হবে এবং অনলাইনই চলবে। এটাই বাস্তবতা।

শনিবার (৩১ অক্টোবর) সন্ধ্যায় চট্টগ্রামের র‌্যাডিসন ব্লু  চিটাগাং বে ভিউ’র মেজবান হলে বাংলানিউজের ৫ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আয়োজনে  এ কথা বলেন এডিটর ইন চিফ আলমগীর হোসেন।

তিনি বলেন, এখন আর চাইলেই সবসময় টেলিভিশন দেখা সম্ভব নয়। অথচ হ্যান্ডহেল্ড মিনি স্ক্রিন কিন্তু সঙ্গেই থাকে। তাছাড়া টেলিভিশন খুললেই সিনেমা আর কার্টুনের প্রাধান্য থাকে। তাই খবর জানতে মানুষ অনলাইনেই প্রবেশ করছে।

অনলাইনের দাপটে এক সময় কাগজের পত্রিকা বিলীন হবে জানিয়ে আলমগীর হোসেন বলেন, ‌আমাদের পত্রিকাগুলোকে তাদের অনলাইনকে আরো সক্রিয় করতে হবে। আর অনলাইনের প্রসারেই চাকরির জায়গা তৈরি হবে।

চট্টগ্রামের সাবেক মেয়র এ কে এম মহিউদ্দিনের সঙ্গে নিজের স্মৃতিচারণ করে তিনি বলেন, পত্রিকায় ৩২ বছরের সাংবাদিকতা শেষ করে যখন নতুন কিছু করার প্রেরণা নিয়ে ওনার সঙ্গে দেখা করেছি, তখন দেখেছি উনি দ্রুত সিদ্ধান্ত নিতে সিদ্ধহস্ত। উনি সাংবাদিক হলে ভালো করতেন।

অনলাইনে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়ার গুরুত্ব সর্ম্পকে তিনি বলেন, শনিবার রাশিয়ার একটি যাত্রীবাহী প্লেন দুর্ঘটনায় দুশো জনের বেশি যাত্রী মারা যওয়ার ঘটনা স্বীকার করেনি মিশর। অন্যদিকে রাশিয়া বলে প্লেন দুর্ঘটনা হয়েছে। তখন কিন্তু দ্রুত সিদ্ধান্ত নিতে হয়।

এছাড়া আজ ঢাকায় যে প্রকাশক-ব্লগারদের হত্যা করা হয়েছে, সেটার সংবাদ প্রকাশের ব্যাপারেও তো দ্রুত সিদ্ধান্তের বিষয়টি খেয়াল রাখতে হয়েছে। যোগ করেন এডিটর ইন চিফ।

বাংলানিউজ সম্পর্কে তিনি বলেন, ২শ জন কর্মীর লোকবল নিয়ে একটি বিশাল গণমাধ্যম এটি। আমরা জেলা উপজেলা পর্যায়ে আরও বেশি যোগাযোগ বাড়াতে চাই।

তিনি বলেন, আমাদের ২৪ ঘণ্টার অনলাইন পোর্টালে ঢাকা অফিসে নাইট ডিউটি করেন চারজন। আমাদের চট্টগ্রাম দলও থাকে সদা সতর্ক।

চট্টগ্রামে ঢাকার যে কোনো মিডিয়ার প্রতিনিধিত্বকারী টিমের চেয়ে বাংলানিউজের টিম বড় এবং সক্রিয় বলে মন্তব্য করেন এডিটর ইন চিফ আলমগীর হোসেন।