সংশোধিত গঠনতন্ত্রে বিসিবি নির্বাচনের নির্দেশ

প্রকাশ:| শুক্রবার, ২৬ জুলাই , ২০১৩ সময় ০২:৪৩ অপরাহ্ণ

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সংশোধিত গঠনতন্ত্র অনুসারে নির্বাচন অনুষ্ঠানের অনুমতি দিয়েছেন সর্বোচ্চ আদালত।বিসিবি
সংশোধিত গঠনতন্ত্রে বিসিবি নির্বাচনের নির্দেশ

প্রধান বিচারপতি মো. মোজাম্মেল হোসেনের নেতৃত্বে পাঁচ বিচারপতির সমন্বয়ে গঠিত সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ বৃহস্পতিবার এ আদেশ দেন।

একই সঙ্গে হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে আপিলের অনুমতি দিয়ে আদালত বলেছেন, এ নির্বাচন বৈধ থাকবে কি-না, সেটি নির্ভর করবে আপিলের চূড়ান্ত রায়ে।

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড ও জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের (এনএসসি) করা দুটি আপিলের আবেদনের ওপর চূড়ান্ত শুনানি শেষে এ আদেশ দেওয়া হয়। এর ফলে আপাতত বিসিবির নির্বাচন করতে আর কোনো বাধা রইল না।

বৃহস্পতিবার আদালতে বিসিবির পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার রফিক-উল হক, ব্যারিস্টার রোকনউদ্দিন মাহমুদ ও ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস। অন্যদিকে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের পক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম।

মূল রিটের বাদীপক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট মাহমুদুল ইসলাম। তাকে সহায়তা করেন ব্যারিস্টার মাহবুব শফিক ও কেএম হাফিজুল আলম।

শুনানিতে ব্যারিস্টার রোকনউদ্দিন মাহমুদ বলেন, “বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডকে মডেল গঠনতন্ত্র দেওয়ার ক্ষমতা জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের রয়েছে।”

তিনি বলেন, “যাদের মডেল গঠনতন্ত্র দেওয়ার ক্ষমতা আছে, তারা গঠনতন্ত্র সংশোধন করারও ক্ষমতা রাখে। আইসিসির প্রেসার আছে, একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন করতে ক্রীড়া পরিষদ ক্রিকেট বোর্ডের গঠনতন্ত্র সংশোধন করে দিয়েছে।”

তিনি বলেন, “এ মামলা জটিলতার কারণে যদি নির্বাচন না হয়, তাহলে আমাদের আইসিসির সদস্যপদ বাতিল হয়ে যাবে। এ সদস্যপদ বাতিল হলে একটা বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির সৃষ্টি হবে। ক্রিকেটপ্রেমীরা রাস্তায় গাড়ি ভাংচুর করবে। তাই অবিলম্বে নির্বাচন হওয়া প্রয়োজন।”

রিটকারীর পক্ষে মাহমুদুল ইসলাম বলেন, “জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের (এনএসসি) মডেল গঠনতন্ত্র দেওয়ার ক্ষমতা আছে; কিন্তু প্রস্তাবিত গঠনতন্ত্র সংশোধন করার ক্ষমতা তাদের নেই। বিসিবির গঠনতন্ত্রের ১১ ধারা অনুসারে এ ক্ষমতা শুধু বিসিবির। এ ধারা অনুসারে বিসিবি সংশোধনের প্রস্তাবনা এনএসসিতে পাঠাবে। এনএসসির কোনো পরামর্শ থাকলে তারা সেটা বিসিবির কাছে পাঠাতে পারে।”


আরোও সংবাদ