সংযুক্ত আরব আমিরাতে বাংলাদেশীকে হত্যা

প্রকাশ:| মঙ্গলবার, ১২ জুলাই , ২০১৬ সময় ১১:৪২ অপরাহ্ণ

আমিরাত পতিনিধি:: সংযুক্ত আরব আমিরাতে ফটিকছড়ির হারুনকে গলা কেটে হত্যা করেছে স্বদেশী যুবক। গত রোববার বিকেল পাঁচটায় আরব আমিরাতের আল-আইন রুমা এলাকায় তার বাসা থেকে লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। নিহতের নাম মোহাম্মদ হারুন (৩৯)। তিনি উপজেলার সুয়াবিল শোভনছড়ি গ্রামের পয়ার তালুকদার পাড়া মৃত মফিজুর রহমানের ছেলে।

নিহতের ছোট ভাই মোহাম্মদ মোশারফ অভিযো করে বলেন, তার ভাইকে সন্দীপের হেলাল নামক তার এক সহকর্মী জবাই করে হত্যা করেছে। বিষয়টি রোববার সন্ধ্যায় সেখান থেকে সেলিম নামক তাদের এক খালাতো ভাই তাদেরকে জানিয়েছে। তার ভাই ২০০৮ সালে বিদেশ পাড়ি দিয়েছিল। ভিসা জটিলতার কারণে এযাৎ একবারো দেশে আসতে পারেনি।

আমিরাত পতিনিধিকে মুঠোফোনে নিহতের খালাতো ভাই সেলিম বলেন, হারুন মূলত সেখানে একটি খামারে কাজ করতো। নিহতের ছোট ভাই মোহাম্মদ মোশারফ জানান, তার ভাইকে সন্দীপের হেলাল নামক তার এক সহকর্মী জবাই করে হত্যা করেছে। একই সাথে কাজ করতো সন্দীপের হেলাল নামক অপর এক যুবক। তার সাথে আমার খালাতো ভাইয়ের বিভিন্ন কারণে বনিবনা হচ্ছিল না। ঘটনার পর থকে সে পলাতক। আল-আইন পুলিশ ওই বাসা থেকে সন্দেভাজন তিনজনকে আটক করেছে। লাশ বর্তমানে মর্গে রয়েছে। তবে, তার ভিসা না থাকায় বাড়িতে লাশ পাঠানোর ক্ষেত্রে জটিলতা রয়েছে।

নিহত হারুনের স্ত্রী, দুই ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে। দশম শ্রেনীতে পড়–য়া বড় ছেলে মিজানের(১৫) কাছে শুধুমাত্র বাবার কথা ভালো করে মনে আছে। বাকি ছেলে আরিফ(১১) আর একমাত্র মেয়ে সাইমা (৯) বাবা ডাকার আগেই বিদেশ পাড়ি দেন হারুন। বাবা নেই তা কোন ভাবেই মানতে নারাজ তার সন্তানরা। তারা এখনো মনে করছে, তাদের বাবা বেঁচে আছেন, বিদেশ থেকে তাদের জন্য নানা খেলনা নিয়ে দেশে ফিরবেন।

নিহত হারুনের স্ত্রী বলেন, ছোট দুই সন্তানকে দেখার জন্য বড্ড ব্যাকুল হয়ে পড়েছিলেন। ভিসা না থাকায় তিনি বাড়ি আসতে পারেননি। আমার সন্তানদের যে এতিম করেছে তার যেন কঠোর শাস্তি হয়।