ষড়যন্ত্র ছিন্ন করে তারেক রহমান এদেশের আসবেই

প্রকাশ:| সোমবার, ৬ মার্চ , ২০১৭ সময় ১১:১৯ অপরাহ্ণ

তারেক রহমানের ১১ তম কারাবন্দি দিবস উপলক্ষে চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রদল আয়োজিত আলোচনা সভায় ডা. শাহাদাত হোসেন
৬ মার্চ বিকাল ৪ ঘটিকায় চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবে চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রদল আয়োজিত তারেক রহমানের ১১তম কারাবন্দি দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রদলের সভাপতি গাজী মোঃ সিরাজ উল্লাহ’র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সভাপতি ডা. শাহাদাত হোসেন। প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবুল হাশেম বক্কর। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির সহ-তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক সাংবাদিক কাদের গণি চৌধুরী। প্রধান অতিথির বক্তব্যে চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সভাপতি ও কেন্দ্রীয় বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ডা. শাহাদাত হোসেন বলেছেন, এই অবৈধ সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকেই মঈন ফখরুদ্দীন গং এর এজেন্ডা বাস্তবায়ন করেছে। ১/১১’র পরবর্তী মঈন ফখরুদ্দীন গং মাইনেস টু ফরমুলায় ব্যর্থ হয়ে তারেক রহমানের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের জাল পেতে ছিলেন। মঈন ফখরুদ্দীন গং যেভাবে জিয়া পরিবারের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করেছিল, ঠিক সেইভাবে এ সরকারও ষড়যন্ত্র চালিয়ে যাচ্ছে। এই সরকার তারেক রহমানকে ভয় পায় বলেই একের পর এক মিথ্যা মামলা সাজিয়ে মিথ্যা মামলায় গ্রেপ্তারী পরোয়ানা জারি করছে। তারেক রহমান দেশী বিদেশী ষড়যন্ত্রের শিকার। স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও বিএনপির চেয়ারপার্সন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার জৈষ্ঠ্যপুত্র তারেক রহমানের জনপ্রিয়তায় ঈর্ষান্বিত হয়ে সরকার তারেক রহমানের বিরুদ্ধে নানা ধরণের ষড়যন্ত্র চালিয়ে যাচ্ছে। ডা. শাহাদাত হোসেন আরও বলেন, এই সরকার স্বৈরাতান্ত্রিকভাবে দেশ শাসন করছে। তারা প্রশাসনের উপর ভর করে দেশ পরিচালনা করছে। দেশের উন্নয়নে যত ব্যস্ত নয়, তার চেয়ে জিয়া পরিবারের বিরুদ্ধে তত বেশি ষড়যন্ত্রে ব্যস্ত। বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বিরুদ্ধে যতই ষড়যন্ত্র হোক না কেন, সকল ষড়যন্ত্রের জাল ছিন্ন করে এদেশের মাটিতে আসবেই। বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ১১তম কারাবন্দি দিবসে সকল কারারুদ্ধ রাজবন্ধীদের মুক্তির দাবি জনাচ্ছি।
প্রধান বক্তার বক্তব্যে চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবুল হাশেম বক্কর বলেন, বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে ২০০৭ সালের ৭ মার্চ তৎকালীন সেনা সমর্থিত সেনা নিবাসের বাসা থেকে গ্রেপ্তার করে অনেক মিথ্যা মামলা দেওয়া ও অনেক অপপ্রচার করা হয়েছে। তারেক রহমানকে রাজনীতি থেকে দুরে সরিয়ে রাখার জন্যই এই অবৈধ সরকার ষড়যন্ত্রের জাল পেতেছে।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বিএনপির সহ-তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক সাংবাদিক কাদের গণি চৌধুরী বলেন, বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক জিয়া একটি নাম, স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও বিএনপির চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার সুযোগ্য সন্তান হিসেবে দেশের মানুষের ভালবাসা ও জনপ্রিয়তার শীর্ষে। তাই সে নাম শুনলেই এই সরকারের গাঁয়ে জলাতঙ্ক সৃষ্টি হয়।
চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক বেলায়েত হোসেন বুলুর সঞ্চালনায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন নগর ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আর.ইউ.চৌধুরী শাহীন, সাবেক সভাপতি মোশারফ হোসেন দিপ্তী, সাবেক সদস্য সচিব ইয়াছিন চৌধুরী লিটন, কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সাবেক সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক কামরুল ইসলাম, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সাইফুর রহমান শপথ, নগর ছাত্রদলের যুগ্ম সম্পাদক আলী মর্তুজা খান, কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সদস্য শেখ রাসেল, নগর ছাত্রদলের যুগ্ম সম্পাদক জমির উদ্দিন নাহিদ, নগর ছাত্রদলের সাবেক ছাত্রী বিষয়ক সম্পাদিকা আখি সুলতানা, সৌদি আরব কেন্দ্রীয় বিএনপির সদস্য দিদারুল হক চৌধুরী, আকবর শাহ্ থানা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক ইফতেখার উদ্দিন নিবলু প্রমুখ।
আলোচনা সভা শেষে বিএনপি’র সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানের কর্মময় জীবনের প্রামান্য চিত্র প্রদর্শন করা হয়।