‘ষড়যন্ত্র কখনই তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তনে বাধা হয়ে উঠতে দিব না’

নিউজচিটাগাং২৪/ এক্স প্রকাশ:| সোমবার, ৩ সেপ্টেম্বর , ২০১৮ সময় ০৭:৪৯ অপরাহ্ণ

সরকারের নীল নকশা বা ষড়যন্ত্র কখনই তারেক রহমানের
স্বদেশ প্রত্যাবর্তনে বাধা হয়ে উঠতে দিব না
বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান বাংলাদেশের আগামীর রাষ্ট্রনায়ক তারেক রহমানকে ষড়যন্ত্র করে বাংলার জনগণ থেকে বিচ্ছিন্ন করে রাখা যাবে না উল্লেখ করে চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপি সভাপতি ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, তারেক রহমান বাংলাদেশের আপামর জনগণের প্রাণের স্পন্দন। কোন ষড়যন্ত্র বা সরকারী নীল নকশাকে তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তনে বাধা হয়ে উঠতে দিব না। তারেক রহমান অচিরেই সকল ষড়যন্ত্রের জাল ছিন্ন করে বাংলার জনগণের বুকে ফিরে আসবেন। জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল রাজপথে থেকেই আন্দোলন সংগ্রামের মাধ্যমে জনাব তারেক রহমানের বিরুদ্ধে রচিত এসব ষড়যন্ত্রকে প্রতিহত করবে। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ১১তম কারামুক্তি দিবস উপলক্ষ্যে চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রদল আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপরোক্ত কথা বলেন। অদ্য ০৩/০৯/২০১৮ইং বিকাল ৪ ঘটিকায় চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবে মহানগর ছাত্রদল আয়োজিত বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের কারামুক্তি দিবস উপলক্ষে “তারেক রহমানের ভাবনায় আগামীর বাংলাদেশ” শীর্ষক আলোচনা সভা চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রদল সভাপতি গাজী মোহাম্মদ সিরাজ উল্লার সভাপতিত্বে ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আলী মর্তুজা খানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত আলোচনা সভায় প্রধান বক্তা ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবুল হাশেম বক্কর। বিশেষ বক্তা ছিলেন মহানগর বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি আবু সুফিয়ান। বিশেষ অতিথি ছিলেন মহানগর বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক এস.এম.সাইফুল আলম, যুগ্ম সম্পাদক ইয়াছিন চৌধুরী লিটন, সাংগঠনিক সম্পাদক কামরুল ইসলাম, ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক মাঈনুদ্দীন মোহাম্মদ শহীদ, স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডা. এস.এম. সরোয়ার আলম, কোতোয়ালী থানা বিএনপির সভাপতি মঞ্জুর রহমান চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেন, বাকলিয়া থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আফতাবুর রহমান শাহীন। এসময় অন্যান্যের মধ্যে আরও বক্তব্য রাখেন মহানগর ছাত্রদলের সহ-সভাপতি জসিম উদ্দিন চৌধুরী, জিয়াউর রহমান জিয়া, জমির উদ্দীন নাহিদ, ডবলমুরিং থানা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ সোহেল প্রমুখ।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডা. শাহাদাত হোসেন আরো বলেন, তারেক রহমানের রাজনৈতিক দূরদর্শিতা ও তার প্রতি মানুষের আস্থা ও ভালবাসা দেখে সরকার ভীত-সন্ত্রস্ত হয়ে তার বিরুদ্ধে এসব নোংরা ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছে। তারেক রহমান আমাদের আবেগের সাথে জড়িত। তাই আমাদের আবেগ নিয়ে খেলবেন না। কারণ বাংলার মানুষ আবেগের কারণেই মুক্তিযুদ্ধ করেছিল। মুক্তিযুদ্ধ যেমন আমাদের আবেগকে স্পর্শ করে ঠিক তেমনিই তারেক রহমানও আমাদের হৃদয়ে স্পন্দন হিসেবে কাজ করে। ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলায় উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবেই তারেক রহমানকে জড়ানো হয়েছে। ২০০৭ সালের তৎকালীন মঈনুদ্দীন ফখরুদ্দীন সরকারের আমলের তদন্ত প্রতিবেদনে তারেক রহমানের নাম ছিল না। কিন্তু এই অবৈধ সরকার ক্ষমতায় আসার পর মুফতি হান্নানকে ৪১০ দিন পুলিশী রিমান্ডে নিয়ে জোরপূর্বক স্বীকারোক্তি আদায় করে সম্পূরক চার্জশীট প্রদানের মাধ্যমে ষড়যন্ত্রমূলক উদ্দেশ্যে তারেক রহমানের নাম জড়ানো হয়েছে এবং ইতিমধ্যেই আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সহ বিভিন্ন স্তরের নেতারা বলতে শুরু করেছেন যে ২১ শে আগস্ট গ্রেনেট হামলা মামলার রায়ে বিএনপি সংকটে পড়বে। আওয়ামী লীগ নেতাদের এই রূপ বক্তব্য থেকেই জনগণ বুঝতে পারছে যে, তারেক রহমানকে ষড়যন্ত্রমূলকভাবে এই মামলায় ফাঁসানো হয়েছে এবং তাকে ষড়যন্ত্রমূলক সাজানো রায়ের মাধ্যমে সাজা প্রদানের পাঁয়তারা করছে। যা এদেশের জনগণ কখনই মেনে নিবে না। তীব্র আন্দোলন করে ষড়যন্ত্রকারীদের সকল বিষদাঁত ভেঙ্গে দেওয়া হবে। “তারেক রহমান বীরের বেশে আসবে ফিরে বাংলাদেশে।”
সরকারকে উদ্দেশ্য করে প্রধান বক্তা চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবুল হাশেম বক্কর বলেন, তারেক রহমানকে এত ভয় পেয়ে লাভ নেই, অচিরেই এই দেশের মানুষ তাকে দেশে ফিরিয়ে আনবেন এবং আপনাদের সকল ষড়যন্ত্রকে নস্যাৎ করে তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তনে ঐতিহাসিক গণজোয়ার দেখা দিবে। তারেক রহমানকে জড়িয়ে সরকার দলীয় নেতা ও এমপি মন্ত্রীরা অব্যাহতভাবে যে ধরণের অপপ্রচারে লিপ্ত রয়েছেন তা আওয়ামী লীগের “তারেকভীতি” বলেই আমরা মনে করছি। কাজেই তারেক রহমানের ভবিষ্যৎ রাজনীতি বাধা গ্রস্থ করতে আওয়ামী লীগ যত ষড়যন্ত্রই করুক না কেন তা কোন কাজেই আসবে না। এদেশের গণতন্ত্রকামী জনতাই তাকে বাংলাদেশের আগামীর রাষ্ট্রনায়ক হিসেবে নির্বাচিত করবে।


আরোও সংবাদ