শেখ হাসিনার দেওয়া প্রস্তাব পর্যালোচনা করছে প্রধান বিরোধী দল বিএনপি

প্রকাশ:| শুক্রবার, ১৮ অক্টোবর , ২০১৩ সময় ১১:৩১ অপরাহ্ণ

bnp-flag বিএনপিনির্বাচনের সময় সবর্দলীয় মন্ত্রীসভা গঠনের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেওয়া প্রস্তাব পর্যালোচনা করছে প্রধান বিরোধী দল বিএনপি। এ বিষয়ে কাল শনিবার দলটি প্রতিক্রিয়া জানাতে পারে বলে একটি সূত্র জানিয়েছে।

বর্তমান জাতীয় সংসদের তৃতীয় বৃহত্তম রাজনৈতিক দল এইচ এম এরশাদের নেতৃত্বাধীন জাতীয় পার্টিও সভাপতিমণ্ডলির বৈঠক শেষে কাল এ বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানাবে। দলের মহাসচিব এ বি এম রুহুল আমিন হাওলাদার আজ শুক্রবার রাতে প্রথম আলো ডটকমকে এ কথা বলেন।

তবে বিএনপির নেতৃত্বাধীন ১৮-দলীয় জোটের অন্যতম শরিক জামায়াতে ইসলামী আজ রাতেই প্রধানমন্ত্রীর প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে গণমাধ্যমে বিবৃতি পাঠিয়েছে।

দলটি ২৪ অক্টোবরের আগেই তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা সংবিধানে পুনর্বহাল করে সংসদ ভেঙে দিয়ে সরকারকে পদত্যাগ করার জন্য আহবান জানিয়েছে।

আজ জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সর্বদলীয় মন্ত্রিসভা গঠনের ঘোষণা দিয়ে বিরোধীদলের সদস্যদের কাছেও নাম চান। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা সকল দলকে সঙ্গে নিয়েই জাতীয় সংসদ নির্বাচন করতে চাই। বিরোধীদলের কাছে আমার প্রস্তাব, নির্বাচনকালীন সময়ে আমরা সকল দলের সমন্বয়ে সরকার গঠন করতে পারি। আমাদের লক্ষ্য অবাধ নিরপেক্ষ নির্বাচন। শান্তিপূর্ণ নির্বাচন।’

প্রধানমন্ত্রীর ভাষনের বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মীর্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর প্রথম আলো ডটকমকে বলেন, ‘আমরা প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ শুনেছি। আমরা সেটি পর্যালোচনা করব। এরপর দলে সেটি নিয়ে আলোচনা হবে। এরপরে আমরা প্রতিক্রিয়া জানাবো’। কবে নাগাদ প্রতিক্রিয়া জানাবেন জানতে চাইলে মীর্জা ফখরুল বলেন, ‘খুব দ্রুতই আমরা প্রতিক্রিয়া জানাব’।
প্রধানমন্ত্রীর ভাষণের পর প্রতিক্রিয়া জানতে রাতে নয়াপল্টনে বিএনপির কার্যালয়ে গিয়ে দেখা যায়, নেতা-কর্মী শূন্য। দলের যুগ্ম মহাসচিব ও দপ্তরের দায়িত্বে থাকা রুহুল কবির রিজভী আহমেদ প্রথম আলো ডটকমকে বলেন, তিনি এ বিষয়ে কোনো কথা বলবেন না। যথাসময়ে দলের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানানো হবে। তিনি আরও বলেন, কাল শনিবার দলের ঊর্ধ্বতন নেতারা প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের বিষয়ে দলের প্রতিক্রিয়া জানাতে পারেন।
বিএনপির একটি সূত্র জানায়, কাল শনিবার রাতে বিএনপির স্থায়ী কমিটির বৈঠক আছে। এ ছাড়া আগামী রোববার ১৮ দলের নেতাদের সঙ্গে জরুরি বৈঠক আছে। দুটি বৈঠকই খালেদা জিয়ার গুলশানের রাজনৈতিক কার্যালয়ে হবে। এই বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা হবে।
এছাড়াও কাল বিকেল তিনটার দিকে লেডিসক্লাবে বিরোধী দলীয় নেতা খালেদা জিয়া হিন্দু সম্প্রদায়ের বিশিষ্ট ব্যাক্তিদের সঙ্গে বিজয়ার শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন। সেখানেও তিনি প্রধানমন্ত্রীর প্রস্তাবের বিষয়ে কথা বলতে পারেন।


আরোও সংবাদ