শেখ হাসিনাকে অভিনন্দন জানিয়েছেন পুতিন

প্রকাশ:| মঙ্গলবার, ১৪ জানুয়ারি , ২০১৪ সময় ১০:১১ অপরাহ্ণ

পুতিনতৃতীয়বারের মতো সরকার গঠন করায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে অভিনন্দন জানিয়েছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার তথ্য উপদেষ্টা ইকবাল সোবহান চৌধুরী এই তথ্য জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, “রাশিয়ার রাষ্ট্রদূত আলেক্সান্দার এ নিকোলায়েভ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করে রাশিয়ার সরকারপ্রধানের অভিনন্দনপত্র পৌঁছে দেন।”

এর আগে শুক্রবার মস্কোর এক বিবৃতিতে ৫ জানুয়ারির নির্বাচনকে সমর্থন জানিয়ে বাংলাদেশের জনগণের ইচ্ছা অনুযায়ী গঠিত সরকারকে সহযোগিতা অব্যাহত রাখার ঘোষণা দেয়া হয়।

বাংলাদেশের প্রথম পরমাণু বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনে সহায়তাকারী রাশিয়া সংবিধান সমুন্নত রেখে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া বজায় রাখতে সরকার ও বিরোধী জোট উভয়ের প্রতিই আহ্বান জানিয়েছে।

রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ওই বিবৃতি বলা হয়, “৫ জানুয়ারি বাংলাদেশে পার্লামেন্ট নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে, আওয়ামী লীগ জিতেছে।”

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এই বিবৃতি ধরে রাশিয়ার রাষ্ট্রায়ত্ত সংবাদ সংস্থা ইতার-তাস তাদের ওয়েবসাইটে যে সংবাদ প্রকাশ করেছে, তাতে বলা হয়েছে, দশম সংসদ নির্বাচনের মধ্যদিয়ে গঠিতব্য সরকারের সঙ্গে কাজ করতে মস্কো তৈরি।

সেই সঙ্গে ভোট বর্জনের জন্য মস্কো বিএনপির সমালোচনা করেছে বলেও ইতার-তাসের প্রতিবেদনে বলা হয়।

অন্যদিকে প্রতিবেশী দেশ ভারত এই নির্বাচনে সমর্থন জানিয়ে বলেছে, বাংলাদেশের সংবিধান রক্ষার জন্য এর প্রয়োজন ছিল।

এছাড়া চীন, কম্বোডিয়া, ভিয়েতনাম, মিয়ানমতার ও নেপালও নতুন সরকারকে অভিনন্দন জানিয়ে একসঙ্গে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেছে।

নির্দলীয় সরকারের দাবিতে বিএনপি নেতৃত্বাধীন ১৮ দলের বর্জনের মধ্যে ৫ জানুয়ারি দশম সংসদ নির্বাচনে ভোটগ্রহণ হয়, যাতে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে টানা দ্বিতীয়বার সরকার গঠন করতে যাচ্ছে আওয়ামী লীগ।

বিরোধী দলের বয়কট এবং ভোটার উপস্থিতি কম থাকায় এই নির্বাচন গ্রহণযোগ্য হয়নি বলে মনে করছে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, জার্মানি, অস্ট্রেলিয়া, কানাডার পাশাপাশি কমনওয়েলথও।

নির্বাচন গ্রহণযোগ্য হয়নি বলে মনে করলেও নতুন সরকারের সঙ্গে কাজ করে যাবে বলে জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।

১৯৭১ সালে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে যখন স্বাধীনতার সংগ্রাম চলছিল, তখন মুক্তিকামী বাঙালির সংগ্রামে ভারতের পাশাপাশি সমর্থন নিয়ে এগিয়ে এসেছিল সোভিয়েত ইউনিয়ন। অন্যদিকে পাকিস্তানের পক্ষে অবস্থান ছিল যুক্তরাষ্ট্রের।