শুরু হলো এশিয়ার অলিম্পিক

প্রকাশ:| শুক্রবার, ১৯ সেপ্টেম্বর , ২০১৪ সময় ১০:২৭ অপরাহ্ণ

ইনিচিয়নের ওয়াসিওন স্পোর্টস কমপ্লেক্স মেন স্টেডিয়ামে একাট্টা এশিয়ার স্বপ্ন নিয়ে আতশবাজি, বর্ণিল রঙের ছটা, নাচ, গান আর কবিতায় শুরু হলো ১৭তম এশিয়ান গেমস।

শুক্রবার বাংলাদেশ সময় বিকাল চারটার দিকে দক্ষিণ কোরিয়ার তৃতীয় শহর হিসেবে ইনচিয়নে আতশবাজির মাধ্যমে এশিয়ার সর্ববৃহৎ এই ক্রীড়া ইভেন্টটির পর্দা উঠে। শারীরিক কসরত, নাচ-গানে তিন ঘণ্টাব্যাপী অনুষ্ঠানে চলতে থাকে এই উদ্বোধনী অনুষ্ঠানটি। যখন এশিয়াডের এই মঞ্চ আলোকিত করেন গ্যাংনাম খ্যাত গায়ক সাইও।

এর মাঝেই কখনো মঞ্চে দেখা গেছে ৪৫ কিশোরের ঝাঁককে, কখনো বা ব্যক্তিত্ব সম্পন্ন কবিকে। যেমন কো উনের উপস্থিতি। দক্ষিণ কোরিয়ার বিখ্যাত এই কবি জো সুমির অনুকরনে ‘এশিয়ান গেমসের গান’ (সং ফর দ্য এশিয়াড) গান। তুলে ধরেন এশিয়ান মানুষের বিভিন্ন আকুতির কথা।
শারীরিক কসরতবাজি শুরু হলো এশিয়ার অলিম্পিক
এশিয়ান গেমস2
কবিতার এই মৃদু কম্পন শেষ হতে না হতেই শুরু হয় মূল অনুষ্ঠানের পালা। নারী-পুরুষের সমবেত নাচের মাধ্যমে এশিয়ার ইতিহাস উপস্থাপন করে একদল পারফরমার। গলায় তোলে ‘এক এশিয়া’র (ওয়ান এশিয়া) স্বপ্নকথা। তারপর দক্ষিণ কোরিয়ার পতাকা বহনের মাধ্যমে শুরু হয় দেশ পরিচিতির অনুষ্ঠানমালা।

এদিন পূর্ব তিমুরের পর বাংলাদেশের ১৩৬ জনের বহর মাঠে প্রবেশ করলে ৬০ হাজার দর্শক ধারণক্ষমতা সম্পন্ন মেন স্টেডিয়ামে দারুণ হর্ষধ্বণি ওঠে। কারণ এশিয়ান গেমস ক্রিকেটের স্বর্ণপদক জয়ী দলের বাংলাদেশ। এরপর একে একে মাঠে প্রবেশ করে ভুটান-শ্রীলঙ্কা-ভারত।

১৭তম এশিয়ান গেমসের উদ্বোধন করেন দক্ষিণ কোরিয়ার ইনচিয়নের সিটি মেয়র ইং জিং বাক ও এশিয়ান অলিম্পিক কাউন্সিলের (আইওসি) সভাপতি শেখ আহামেদ আল ফাহাদ সাবা। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের পতাকা বহন করেন শ্যুটার আবদুল্লাহ হেল বাকী।
এশিয়ান গেমস1
দক্ষিণ এশিয়ার সর্ববৃহৎ ক্রীড়া আসরে অংশ নিচ্ছে এশিয়ার ৪৫টি দেশের ৯ হাজার ক্রীড়াবিদ। ৩৬টি ডিসিপ্লিনে ৪৩৯টি ইভেন্টে চলবে পদক লড়াইয়ের কঠিন প্রতিযোগিতা। এবারের গেমসে বাংলাদেশ মোট ১৩টি ডিসিপ্লিনে অংশ নেবে। প্রথমে ২১টি ডিসিপ্লিনে অংশ নেয়ার কথা থাকলেও শেষ মুহূর্তে ৯টি ডিসিপ্লিন বাদ দেওয়া হয়েছে।