শুভ জন্মদিন কবি নাজিম আহমেদ

প্রকাশ:| শুক্রবার, ১৩ জানুয়ারি , ২০১৭ সময় ০৯:৫৬ অপরাহ্ণ

শুভ জন্মদিন কবি আজ প্রেমের কবি, বেদনার কবি, সমাজ সেবার কবি, লেখক, সাংবাদিক, বহুল প্রতিভাধর সাহিত্য শ্রমিক নাজিম আহমেদ এর জন্মদিন।  তার এই দিনে তার স্বাক্ষাকার নিয়েছেন আামদের বিশেষ প্রতিনিধি অভিলাষ মাহমুদ ….।

আজকের (১৩ জানুয়ারি) এই দিনে কুড়িগ্রাম জেলার রৌমারী উপজেলার বন্দবেড় গ্রামে তিনি জন্মগ্রহণ করেন। তিনি কবিতা, উপন্যাস এবং ছোটগল্প, ছড়া, গান, প্রবন্ধসহ যে কোন বিষয়ে লিখতে বেশ পটু। বাংলা সাহিত্যে তার শব্দচয়নে পুরোটাই আধুনিক ও ভিন্নমাত্রার। তার কাব্যভাষা, চিত্রকল্পের গভীরতা অনুমেয় করা বেশ দুরহ এবং সমাজ ও মনের চিত্রপট সরল। অধুনা কবি সাহিত্য বাণিজ্যের সাথে অভিমান করে প্রকাশনে খুব জোরেসোরে হাত দেননি। এ ব্যাপারে তিনি বলেন- লেখা লেখে লেখক। কী লেখে তাও ভাবনার বিষয়। সে লেখায় কী ভাব ভাবনা জন্ম নিয়েছে বা কী রকম ভাবের কেনা বেচা হয়েছে বা সে লেখার মধ্য দিয়ে পাঠককে কী শুনিয়েছে বা দিয়েছে তা চিন্তা করার বড় বিষয়। লেখকের ভিতরের জগত আর বাইরের জগতের কী রকম জোড়া খেয়েছে বা সৌষম্যপূর্ণতা লাভ করেছে তাও পরিমাপযোগ্য। মানব জীবনের সুখ, দুঃখ অশ্রু বেদনা, আনন্দ হাসির বারো মসলা ই লেখার কাঁচামাল বা উপাদান, উপকরণ। লেখক এই উপাদানের সাথে মোহ , প্রতীতি প্রীতি ও বিষেশ ঢঙ্গে স্বীয় ধারায় অবহাগনে গাথা লেখা লেখক আর প্রকাশ করে প্রকাশক। এতদ্ব্যতীত সাহিত্যের সালসা যেমন পাঠক গিলতে পারে না তেমন কাল ও কালির দামও পায় না লেখকগণ। বই মেলায় বই প্রকাশের প্রসঙ্গে তিনি বলেন- আধুনিককালে দেখা যায় লেখা লেখক ও প্রকাশ প্রকাশকের জগাখিচুরী। যেন প্রতিটি ঘরে ঘরে লেখক প্রকাশকের বিবিকিস্তি। হ্যাঁ, অপকটে স্বীকার করি লেখক প্রকাশক সৃষ্টির কোন প্রাতিষ্ঠান রূপের বালাই নাই। তাই বলে এমন ভাবে প্রতিবন্ধি লেখক জšম নিলে সাচ্চা লেখকদের কদর কমে যায় এতে কোন সন্দেহ প্রকাশ করছি না। আধুনিককালে দেখা যায় লেখা লেখক ও প্রকাশ প্রকাশকের জগাখিচুরী। যেন প্রতিটি ঘরে ঘরে লেখক প্রকাশকের বিবিকিস্তি। হ্যাঁ, অপকটে স্বীকার করি লেখক প্রকাশক সৃষ্টির কোন প্রাতিষ্ঠান রূপের বালাই নাই। তাই বলে এমন ভাবে ?? এখানে আমি পাঠকের ভ্রান্তিমুলে সত্যাঘাত করে বলছি- আমি আমাকে সাচ্চা লেখক বলে কখনো কোন রকম দাবী করছি না।  এহেন বেলায় আমার চোখে দেখা কানে শোনা আর অনুভূতির ভাব প্রকাশ করে বলছি। কোন গোষ্ঠি বা কোন দল কে আমি কোন রকম ছোট বা বড় করার কোর সামান্যতম বাহাদুরি আমার নাই । তাই কাউকে আমি নন্দিত বা নিন্দিত করছি না। কাউকে উৎসাহ বা কাউকে নিরুৎসাহিত করছি না। কারণ ভাব-ভাষা ও ভিতর বাহিরের তাফসীর নেহাত ক্ষুদ্রাকার নয় তা ব্যাপক বিস্তৃর্ত এবং অতল। তিনি আরো বলেন- বইমেলার আতুর ঘর থেকে যাত্রা যেমন হোক না কেন, অধুনা বইমেলার অন্দর মহলের কিছু কার্যকাহিনী বড় বেদনাদায়ক।লেখা, লেখক আর প্রকাশ, প্রকাশদের ষোল বায়না বাহানা দেখে মাঝে মধ্যে খুব অভিমান হয় লেখা আর বই দুই থেকে আমি দূরে সরে যাই। কী হবে এসব দিয়ে। এতো সাধনার জায়গায় কেন এতো অভিনয়। কেন মানুষ এখানেও মানে সাহিত্যের ক্ষেত্রেও স্বার্থে কায়দা কৌশলীর বিরাট ভূমিকায় নেয়।  বিশেষ করে বইমেলার কে কেন্দ্র করে বেশি কৌশলী হয় প্রকাশনী প্রতিষ্ঠানগুলো।টাকা জমিয়ে বা ব্যক্তি অর্থের বাহাদুরিতে বছর বছর বই প্রকাশ করলেই লেখক/ কবি হওয়া না। হাত ফসকে দু একটি বই বের করেই নামের আগের তকমা বসিয়ে বাহাদুরি করা ঠিক নয়। কিন্তু বর্তমান অনেক প্রকাশী প্রতিষ্ঠান এর উল্টো জ্ঞান জুগিয়ে দেয় নয়া লেখকদের চিন্তামুলে। এতে দেখা যায়, সারা বছর ঘুমিয়ে থেকে কেবল মাত্র বইমেলাকে কেন্দ্র করে অনেক প্রকাশী প্রতিষ্ঠান বেধড়ক অর্থ হাতিয়ে নিতে সক্ষম হচ্ছে। আর নবীন জ্ঞানপাপির না নিজেকে অনেক বড় মনে করে প্রকাশ করছে, বই যেমন হোন না কেন নিজের নামের আগের অন্তত একটা বিশেষণবসিয়ে বা সাইবোর্ড বানিয়ে চলতে পারে।  সম্ভাবনার এ কবির ব্যাপারে কথা হয় তার বাল্য বন্ধু মো. মশিউর রহমান পলাশের সাথে তিনি বলেন- আমার বন্ধু নাজিম বিরল মেধার অধিকারী। তার দ্বারা সব কাজ সম্ভব।  সে আমেদের সব বিষয়ে সাহায্য সহযোগিতা করে। তার নিজের গড়া সামাজিক সংগঠন লাপাশা ফাউন্ডেশন এর মাধ্যমে আমাদের রৌমারীতে শাপলা চত্তর নিমার্ণ করেছে। যা অনবদ্য সুন্দর। সে আমারদের এলাকার যুব সমাজের প্রিয় একজন মানুষ। এক কথায় খুব ভালো ব্যক্তিত্বের অধিকারী। সে আমাদের অহংকার। সে আমারদের মাঝে বেঁচে থাক অনাদিকাল। তার আরেক বন্ধু গুরুদাসের সাথে কথা হলে তিনি জানান- নাজিম আমাদের অমুল্য সম্পদ। তার সাহিত্য আমাদের সকলকে মুগ্ধ করে। শুধু তাই নয় তার শব্দ চয়ন , শব্দের গাথুনি চমকার। খোলা মনের মানুষ। প্রেমিক কবি, দ্রোহের কবি, ভালোবাসার কবি, সমাজ সেবার কবি। তার সামাজিক সংগঠন লাপাশা ফাউন্ডেশনের ব্যাপারে কী বলনে? – সেটার মাধ্যমে নাজিম সমাজ সেবা করে।মানুষকে ভালোবাসে। সত্যি তার তুলনা হয় না। সে দীর্ঘজীবী হোক। জন্মদিন উযাপনের ব্যপারে কবির সাথে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন-জন্মদিন আমার কাছে খুব বেদনার। এর কারণ হল মরণ আমাকে মনে করিয়ে দেয়া। তাই এর আয়োজন আমি করি না। ভালো থাকবেন কবি। আপানাকেও ধন্যবাদ


আরোও সংবাদ