শুদ্ধ সংস্কৃতি চর্চা বাড়াতে হবে-আসাদুজ্জামান নূর

প্রকাশ:| মঙ্গলবার, ৬ মে , ২০১৪ সময় ১১:৫৪ অপরাহ্ণ

আসাদুজ্জামান নূরদেশের তৃণমূল পর্যায়ে শুদ্ধ সংস্কৃতি চর্চা বাড়াতে হবে মন্তব্য করেন সংস্কৃতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর। তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘প্রতিক্রিয়াশীল চক্রটি রাজনীতির নামে মানুষ হত্যা করছে। গনতন্ত্রের নামে মানুষকে আগুনে পুড়িয়ে মারছে।

স্বাধীনতার পর চট্টগ্রামে সবদিকে উন্নয়ন করা হলেও সংস্কৃতির দিক দিয়ে কোনো উন্নয়ন হয়নি বলে ।

তিনি বলেন, ‘রাজনীতি, অর্থনীতি, শিল্প-ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির শহর হচ্ছে বন্দরনগরী চট্টগ্রাম। কিন্তু চট্টগ্রামে সংস্কৃতিচর্চার স্থানগুলো খুবই ঝুঁকিপূর্ণ। এ ঝুঁকিপুর্ণ অবকাঠামোগুলো ভেঙ্গে নতুন অবকাঠামো তৈরি ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনকে আরও বেশি সম্প্রসারণ করতে হবে। স্বাধীনতার পর চট্টগ্রামে সবদিকে উন্নয়ন হলে সংস্কৃতির দিক দিয়ে কোন উন্নয়ন হয়নি।’

মঙ্গলবার দুপুরে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সংস্কৃতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

আসাদুজ্জামান নূর বলেন, ‘অভিভাবকরা সন্তানদের সঠিকভাবে গড়ে তুলছে না। সন্তানদের সংগীতচর্চায় কোনো উৎসাহ দিচ্ছে না। তাদের শুধু জিপিএ ৫ অর্জনের জন্য চাপ দেয়া হচ্ছে। এই জিপিএ নির্যাতন থেকে তাদের মুক্তি দিতে হবে। তাদের বিকশিত হবার সুযোগ করে দিতে না পারলে সঙ্কট থেকে মুক্তি মিলবে না।’

সংস্কৃতিমন্ত্রী আরও বলেন, ‘সংস্কৃতির খাতে বাজেট বেড়েছে, কিন্তু সংস্কৃতি চর্চা বাড়েনি। শহীদ মিনার, মুসলিম হল, ডিসি হিল ও চট্টগ্রাম শিল্পকলা একাডেমি বিভিন্ন সম্যাসায় জর্জরিত। এসব সমস্যা সমাধান করতে হবে। তাই আগামি বাজেটে চট্টগ্রামের সংস্কৃতির জন্য বাজেটে উত্থাপন করা হবে।’

এদিকে মঙ্গলবার সকালে মন্ত্রী মুসলিম হল, ডিসি হিল, শিল্পকলা একাডেমিসহ বিভিন্ন সাংস্কৃতিক কেন্দ্র পরিদর্শন করেন। মুসলিম ইনষ্টিটিউট, ষ্টুডিও থিয়েটার, থিয়েটার ইনষ্টিটিউট, ডিসি হিল, শহীদ মিনার, শিল্পকলা একাডেমির সুযোগ সুবিধা বৃদ্ধি ও অবকাঠামোর উন্নয়নের উপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, আসন্ন বাজেটে এসব প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নে যাতে বরাদ্দ পাওয়া যায় তার জন্যে চেষ্টা করা হবে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক মেজবাহ উদ্দিন, নগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আ জ ম নাছির উদ্দিন ও রাউজান উপজেলা চেয়ারম্যান এহসানুল হায়দার বাবুল প্রমুখ।


আরোও সংবাদ